১৭ ডিসেম্বর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট এই মাত্র  
Login   Register        
ADS

গাড়ীর অপেক্ষায় ফেরি: ঘাট পরিদর্শণ করেছেন ঢাকা বিভাগীয় কমিশনার


স্টাফ রিপোর্টার, মুন্সীগঞ্জ ॥ শিমুলিয়া-কাওড়াকান্দি নৌরুটে শনিবারের চিত্র ছিল একেবারেই ভিন্ন। ঘাটে ছিলনা কোন যানজট। যাত্রীর চাপ একেবারেই ছিলনা। লঞ্চগুলো ছিল যাত্রীর অপেক্ষায়। ফেরিগুলো নদীতে ভাসছিল গাড়ীর অপেক্ষায়। একেবারে স্বাভাবিক অবস্থায় ছিল শিমুলিয়া ঘাট। বিআইডব্লিউটিসির ম্যানেজার (বানিজ্য) গিয়াস উদ্দিন পাটুয়ারী জানান, শনিবারের শিমুলিয়া ঘাট ছিল ব্যতিক্রম। আমরা যা আশা করেছিলাম গতকাল সে রকম কিছুই এখানে দেখিনি। ঘাট ছিল একদম স্বাভাবিক। গাড়ীর কোন চাপ ছিল না। এমন কি গাড়ীগুলোকে লাইনেও দাড়াতে হয়নি। যখন যে গাড়ী এসেছে, সেটি সরাসরি ফেরিতে গিয়ে উঠেছে। ফেরিগুলোই ঘাটে গাড়ীর অপেক্ষায় ভাসছিল। তবে নদীতে প্রচুর স্রোত থাকায় ফেরিগুলো স্রোতের বিপরীতে যেতে ২০-২৫ মিনিট সময় বেশী লাগছে। তাছাড়া এখনে অন্য কোন সমস্য নেই।

শিমুলিয়া বন্দর কর্মকর্তা মো. মহিউদ্দিন জানান, লঞ্চ, সিবোর্টে যাত্রী নেই। স্বাভাবিক দিনের চেয়েও গতকাল যাত্রী কম ছিল। যা আমাদের ধারণার অতীত। তবে ঈদে ঘরমুখো যাত্রী পারাপারে পর্যপ্ত সংখ্যক লঞ্চ ও সিবোট রয়েছে। কোন ধরণের হয়রানির আশঙ্কা নেই।

এদিকে দুপুরে ঘাট পরিদর্শণ করেছেন ঢাকা বিভাগীয় কমিশনার হেলাল উদ্দিন আহমেদ, মুন্সীগঞ্জ জেলা প্রশাসক মো. সাইফুল হাসান বাদলসহ প্রশাসনের উর্ধতণ কর্মকর্তবৃন্দ। তারা ঘাট ব্যপস্থাপনা দেখে সন্তোষ প্রকাশ করে এবং প্রশাসনের কর্মকর্তাকে যাত্রী পারাপারে যাতে কোন প্রকার হয়রানির শিকার না হয় সেদিকে বিশেষ নিজর রাখতে ও অতিরিক্ক ভাড়া আদায়কারীদের ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে জেল জরিমানার নির্দেশ দেন।

লৌহজং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. খালেকুজ্জামান ঘাটে কর্তব্যরত অবস্থায় জানিয়েছেন, সিবোর্ট ঘাটে মনিটরিং ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। কোন মতেই অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করতে দেয়া হবেনা। যাত্রীরা যাতে নির্বিঘেœ বাড়ি যেতে পারেন তার জন্য সব ধরণের প্রস্তুতি রয়েছে শিমুলিয়া ঘাটে।

সম্পর্কিত:
পাতা থেকে: