২৩ অক্টোবর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট এই মাত্র  
Login   Register        
ADS

বহুমাত্রিক স্বৈরতান্ত্রিকতার কারনেই উগ্রবাদ বাসা বেঁধেছে: খালেদা জিয়া


স্টাফ রিপোর্টার ॥ গুলশানের হলি আর্টিজান রেষ্টুরেন্টে বন্দুকধারী সন্ত্রাসীদের হাতে কয়েকজন বিদেশী নাগরিকসহ অন্তত: বিশ জনকে জিম্মি করে দেশের ইতিহাসে রক্তাক্ত পরিস্থিতি তৈরী করার ঘটনাকে নজীরবিহীন উল্লেখ করে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়া। শনিবার দুপুরে গণমাধ্যমে পাঠানো বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে তিনি এই উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, দেশে বিদ্যমান বহুমাত্রিক স্বৈরতান্ত্রিকতার কারনেই আনাচে কানাচে উগ্রবাদ বাসা বেঁধেছে।

খালেদা জিয়া বলেন, সংঘটিত প্রাণবিনাশী ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও ধিক্কার জানাচ্ছি। অগণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থার ফলে সৃষ্ট অগণতান্ত্রিক সংস্কৃতি মিলে মিশে দেশে এমন এক রাজনৈতিক ব্যবস্থা তৈরী হয়েছে যা পৈশাচিক স্বৈরতন্ত্রে অধ:পতিত হয়েছে। যার বিকৃত প্রতিক্রিয়া সারাদেশে ফুটে উঠতে শুরু করেছে। দুস্কৃতিকারিদের নির্মম রক্তাক্ত অভ্যূত্থান দেশে বিরাজমান দু:শাসনেরই বহি:প্রকাশ।

বিএনপি চেয়ারপার্সন বলেন, আমরা বারবার উগ্রবাদীদের অমানবিক রক্তঝরা অশুভ পরিকল্পনা মোকাবেলা করার জন্য দলমত নির্বিশেষে পদক্ষেপ গ্রহণ করার জন্য সরকারের প্রতি আহবান জানিয়েছিলাম। কিন্তু সরকার আমাদের সেই আহবানকে উপেক্ষা করে বরং বিএনপিসহ বিরোধী দলের প্রতি বিষোদগারেই ব্যস্ত থেকেছে। প্রকৃত জঙ্গী দমনে কোন ধরনের ইতিবাচক তৎপরতা দেখানো তো দুরে থাক, বরং বিএনপিকে অভিযুক্ত করতে ব্লেমগেম খেলতে গিয়ে সরকার জঙ্গীদের স্বাস্থ্যবর্ধন করেছে। কিছু দিন আগে জঙ্গী দমনের নামে সরকারী অভিযানের যে ভয়াবহ রুপ জনগণ দেখলো, তাতে আমরা তখনই বলেছিলাম সরকারের এই নৃশংস ক্র্যাকডাউন বিএনপির বিরুদ্ধে ও গণতান্ত্রিক শক্তিকে ধ্বংস করার জন্য। কিন্তু সরকার এই নির্মম পুলিশী অভিযান চালানোর সময় দেশব্যাপী প্রায় ষোল হাজার মানুষকে গ্রেফতার করেছে, যার মধ্যে চার হাজারেরও অধিক ছিল কেবল বিএনপির নেতাকর্মী।

বিবৃতিতে খালেদা জিয়া বলেন, আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি যে, এই সহিংস ঘটনায় জড়িত প্রকৃত দুস্কৃতিকারিদের শাস্তি দ্রুত সময়ের মধ্যে কার্যকর হবে এবং এদের নেটওয়ার্ক খুঁজে বের করে তা নির্মূল করতে আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলো সক্ষম হবে।

সম্পর্কিত:
পাতা থেকে: