২১ নভেম্বর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট এই মাত্র  
Login   Register        
ADS

এক নারীর মার্কিন প্রেসিডেন্ট হওয়ার সম্ভাবনায় আমি গর্বিত


মার্কিন ফার্স্ট লেডি মিশেল ওবামা বৃহস্পতিবার বলেছেন, এ বছর যুক্তরাষ্ট্রে একজন নারীর প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ার সম্ভাবনা থাকায় তিনি গর্বিত। স্পেনের রাজধানী মাদ্রিদে মেয়ে শিশুদের শিক্ষা নিয়ে প্রচারাভিযানে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি এ কথা বলেন। খবর এএফপির।

মিশেল ওবামা বলেন, আমার বলতে খুব গর্ব হচ্ছে ইতিহাসে এই প্রথম আমরা সম্ভবত প্রেসিডেন্ট হিসেবে একজন নারীকে আমাদের দেশের জন্য নির্বাচিত করতে যাচ্ছি। যদিও তিনি ডেমোক্র্যাট দলের হোয়াইট হাউস মনোনীত প্রার্থী হিলারি ক্লিনটনের নাম নেননি। যিনি বারাক ওবামার সাবেক প্রতিদ্বন্দ্বী ও তার প্রথম প্রেসিডেন্ট মেয়াদে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ছিলেন। তার বক্তব্য এমন এক সময়ে এলো যখন প্রেসিডেন্ট ওবামা প্রথবারের মতো আগামী মঙ্গলবার নর্থ ক্যারোলাইনায় যেসব অঙ্গরাজ্যের ভোটাররা এখনও সিদ্ধান্ত নেননি সেখানে হিলারির সঙ্গে প্রচারাভিযানে অংশ নেবেন। নবেম্বরের নির্বাচনী লড়াইয়ে যে নির্ণায়ক ভূমিকা থাকবে নর্থ ক্যারোলাইনা তার অন্যতম। মিশেল ওবামা তার মেয়ে মালিয়া, শাশা ও মা মারিয়ান রবিনসনকে সঙ্গে নিয়ে বুধবার রাতে মরক্কো থেকে স্পেনের রাজধানীতে আসেন। মার্কিন ফার্স্ট লেডি ও তার মেয়েরা মাদ্রিদে টোরেজন বিমান ঘাঁটিতে অবতরণ করেন। ২০১৫ সালের মে মাসে শুরু হওয়া শিক্ষার উদ্যোগ হচ্ছে ‘লেট গার্লস লার্ন’। এর মাধ্যমে বিশ্বজুড়ে কিশোরীদের মানসম্মত শিক্ষা দেয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। তিনটি দেশ সফরের মাধ্যে স্পেন হচ্ছে সর্বশেষ দেশ। যে সফর লাইবেরিয়া থেকে শুরু হয়েছিল। মাদ্রিদের কিশোরী ও মেয়ে শিশুদের উদ্দেশ্যে দেয়া বক্তব্যে মিশেল ওবামা বলেন, বিশ্বব্যাপী ৬ কোটি ২০ লাখ মেয়ে তাদের সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে পারে না। কেননা তারা স্কুলে যাওয়ার সুযোগ পায় না। এখন কল্পনা করে দেখুন তাদের কী অবস্থা। যদি ১০, ১১ ও ১২ বছর বয়সে কেউ এসে আপনাকে বলে, ‘দুঃখিত আপনি একটি মেয়ে। আপনার শিক্ষা শেষ হয়েছে। ভুলে যান আপনার স্বপ্ন। এর পরিবর্তে আপনার বয়সের দিগুণ কোন লোককে বিয়ে করুন ও সন্তান জন্ম দিতে শুরু করুন।’ মার্কিন ফার্স্ট লেডি স্পেনের রানী লেতিজিয়াকে সঙ্গে নিয়ে সাংস্কৃতিক কেন্দ্রে এসে উপস্থিত হলে অনেক সদস্য চিৎকার করে বলে ওঠেন ‘আমি আপনাকে ভালবাসি।’ পরে বক্তব্যদানকালে মিশেল ওবামা স্পেনের রানী যিনি সাবেক সংবাদপাঠিকা ছিলেন তাকে প্রিয়বন্ধু বলে সম্বোধন করে বক্তব্য দেয়া শুরু করেন।