২২ নভেম্বর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট এই মাত্র  
Login   Register        
ADS

মা-মেয়ে ধর্ষণ ॥ মেডিক্যাল বোর্ডের প্রতিবেদন


নিজস্ব সংবাদদাতা, বাউফল, ১ জুলাই ॥ বাউফলের চাঞ্চল্যকর সংখ্যালঘু মা ও মেয়েকে তেঁতুলিয়া নদীতে ট্রলারে তুলে গণধর্ষণের ঘটনার প্রতিবেদন দিয়েছে পটুয়াখালী জেনারেল হাসতালের ফরেনসিক বিভাগের তিন সদস্যের মেডিক্যাল বোর্ড। শুক্রবার মামলার তদন্তকারী অফিসার এসআই সাইদুর রহমান স্থানীয় সাংবাদিকদের কাছে প্রতিদেন প্রাপ্তির কথা স্বীকার করেছেন। প্রতিবেদনে সংখ্যালঘু মেয়েকে ধর্ষণের আলামত স্পষ্ট করে উল্লেখ করা হলেও মাকে ধর্ষণের কথা উল্লেখ করা হয়নি। ফলে ওই প্রতিবেদন প্রত্যাখান করেছেন মামলার বাদী। এদিকে এ ঘটনায় পুলিশের হাতে আটক নুরে আলম ১৬৪ ধারায় সংখ্যালঘু মা ও মেয়েকে ধর্ষণ করার কথা স্বীকার করে। পটুয়াখালী জুডিশিয়াল মেজিস্ট্রেট আমিরুল ইসলামের আদালতে জবানবন্দী দিয়েছে। ফলে গঠিত মেডিক্যাল বোর্ডের প্রতিবেদন প্রশ্নবিদ্ধ করেছে। উল্লেখ্য, গত ১১ জুন কাছিপাড়া ইউনিয়নের এক সংখ্যালঘু মা ও তার মেয়েকে তেঁতুলিয়া নদীতে জোরপূর্বক ট্রলারে তুলে গণধর্ষণ করে ৫-৬ জন দুর্বৃত্তরা।

কালোবাজারে সার বিক্রি

বাগেরহাটে ডিলারের বিরুদ্ধে মামলা

স্টাফ রিপোর্টার, বাগেরহাট ॥ কৃষকের জন্য উত্তোলন করা সার কালোবাজারে বিক্রির অভিযোগে ‘মেসার্স রাব্বি এন্টারপ্রাইজ’ নামে বিসিআইসির এক ডিলারের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে কৃষি বিভাগ। শুক্রবার দুপুরে বাগেরহাট মডেল থানায় সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মহাদেব চন্দ্র সানা বাদী হয়ে ‘মেসার্স রাব্বি এন্টারপ্রাইজ’র স্বত্বাধিকারী বেগ মাহাফুজুর রহমান বাদলকে আসামি করে এই মামলা দায়ের করেন। বৃহস্পতিবার বিকেলে সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মহাদেব সানা সরেজমিনে ডিলারের গুদাম পরিদশর্নে যান।

সেখানে গিয়ে উত্তোলন করা সার দেখতে না পেয়ে ডিলারের কাছে হিসাব চান। এ সময় ওই ডিলার বরাদ্দকৃত উত্তোলন করা সারের হিসাব দিতে পারেননি। তবে এ সময় আগের উত্তোলন করা ১৫০ বস্তা পুরাতন সার গুদামে পাওয়া যায়। বাগেরহাট সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মহাদেব সানা বলেন, ‘মেসার্স রাব্বি এন্টারপ্রাইজ’র স্বত্বাধিকারী বেগ মাহাফুজুর রহমান বাদল সার উত্তোলন করে নীতিমালা মেনে কৃষকের কাছে বিক্রি না করে বেশি লাভের আশায় কালোবাজারে বিক্রি করে দিয়েছেন। এজন্য তার বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। বাগেরহাট মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান জানান, সারের নীতিমালা ভঙ্গ করার অভিযোগে ১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইনের ২৫(১) ধারা ও সার ব্যবস্থাপনা ২০০৬ সালের ১২ (৩) এর ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।