১২ ডিসেম্বর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট এই ঘন্টায়  
Login   Register        
ADS

শোলাকিয়ার সেই সেতুর নির্মাণ কাজ শুরু


শোলাকিয়ার সেই সেতুর নির্মাণ কাজ শুরু

নিজস্ব সংবাদদাতা, কিশোরগঞ্জ ॥ কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক শোলাকিয়া ঈদগাহ সংলগ্ন নরসুন্দা নদীর ওপর একটি পাকা সেতু নির্মাণের দাবি এলাকাবাসীর দীর্ঘদিনের। কিন্তু দীর্ঘ সময় অতিবাহিত হলেও জনগুরুত্বপূর্ণ এ সেতুটি নির্মাণে যেন একধরনের ধীরগতি নীতি চলছে। এ নিয়ে এলাকাবাসীসহ সাধারণ পথচারীদের মধ্যে একধরণের ক্ষোভ বিরাজ করছে। এ বছরও এই একটিমাত্র সেতুর অভাবে চরম বিড়ম্বনায় পোহাতে হবে লাখো মুসল্লির। শোলাকিয়ায় মুসলিম বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম সম্মিলনে যোগ দিতে আসা দেশ-বিদেশের এসব মুসল্লিদের যাতায়াতের অন্যতম পথ এটি। দীর্ঘদিন পর অবশেষে সেতু নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। শুরু হয়েছে পাকা সেতুর নির্মাণ কাজ। তবে এবারও বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে মামলা। বাধার মুখেই চলছে সেতু নির্মাণের কাজ। এরই মধ্যে প্রায় ৬০ ভাগ কাজ শেষ হয়েছে।

২০১৪ সালের ২৭ অক্টোবর ‘নরসুন্দা নদী পুনর্বাসন ও কিশোরগঞ্জ পৌরসভা সংলগ্ন এলাকা উন্নয়ন’ প্রকল্পের আওতায় শোলাকিয়া ঈদগাহ ময়দান সংলগ্ন নরসুন্দা নদীতে পাকা সেতু নির্মাণের উদ্যোগ নেয় এলজিইডি। গত ২৭ অক্টোবর দুই লেনবিশিষ্ট ৪০ মিটার আর্চ ব্রিজ নির্মাণ কাজের দরপত্র আহ্বান করা হয়। কিন্তু সেতুর জমি নিয়ে আবারো বিরোধ সৃষ্টি হলে প্রকল্প কাজ আবারো স্থগিত করা হয়। এ অবস্থায় সেতু নির্মাণ অনিশ্চিত হয়ে পড়ে। এরপর ২০১৫-১৬ অর্থবছরে ৫ কোটি ৭৪ লাখ টাকা ব্যয়ে সেতু নির্মাণ কাজ বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেয় সরকার। দরপত্র আহ্বান করা হলে হামীম এন্টারপ্রাইজ নামে মাদারীপুরের একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান সেতু নির্মাণের কাজ পায়।

এদিকে সেতুর কাজ শুরুর কিছুদিন পরই গত ২৩ মার্চ তারাপাশা এলাকার বাসিন্দা নূরুল ইসলাম নামে এক ব্যক্তি হাইকোর্টে রিট করেন। রিটে তার মালিকানাধীন জমিতে সেতু নির্মাণ করা হচ্ছে উল্লেখ করে স্থিতাবস্থা দাবি করেন। ফলে আবারো বন্ধ হয়ে যায় সেতুর নির্মাণ কাজ। কিছুদিন কাজ বন্ধ থাকার পর আবারো নির্মাণ কাজ শুরু হয়েছে।

এ ব্যাপারে জেলা এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী গোলাম মাওলা জানান, নিয়ম মেনেই কাজ করা হচ্ছে। এ পর্যন্ত সেতুর ৬০ ভাগ কাজ শেষ হয়েছে। তবে এবারের ঈদেও সেতুটি ব্যবহার করতে পারবে না এলাকাবাসী। আগামী ডিসেম্বরে সেতু নির্মাণ কাজ শেষ হবে বলে তিনি এ প্রতিবেদককে জানিয়েছেন।

সর্বাধিক পঠিত:
পাতা থেকে: