১৭ অক্টোবর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট ৮ ঘন্টা পূর্বে  
Login   Register        
ADS

এক সঙ্গে তিন পুত্র সন্তানের জন্ম


স্টাফ রিপোর্টার, কুড়িগ্রাম ॥ ‘খুশি হমুনা? একটা পোলার (ছেলে) লাইগা পাগল ছিলামÑ’ এভাবেই অনুভূতি ব্যক্ত করলেন ভুরুঙ্গামারীতে এক সঙ্গে ৩ ছেলেসন্তানের জন্ম দেয়া এক মা। মায়ের নাম নাসিমা খাতুন (২৬)। স্বামী শুক্কুর আলী। জমি বলতে ২ কাঠার বসতভিটা। দিনমজুরের কাজ করে সংসার চালায়। ইতোমধ্যে সংসারে তাসিনা (১১), সুকতন (৮) ও খাদিজা (৫) নামের ৩ কন্যাসন্তান সংসারে যোগ হয়েছে। তারপরও শান্তি ছিল না কারণ সংসারে পুত্রসন্তান নাই। সেজন্যই তিন সন্তানের পর আবার সন্তান নিয়েছেন। আর এবার একটির স্থলে আল্লাহ তাকে তিন পুত্রসন্তান দিয়েছেন। এ জন্য শুক্কুর আলীও খুশি। কিন্তু দুশ্চিন্তা তার চোখে মুখে। বাঁচাতে পারবেন তো তিনি ৩ সন্তানকে? কারণ ক্লিনিকের চিকিৎসকরা জানিয়েছেন একসঙ্গে ৩ সন্তান হওয়ায় এরা অপুষ্টিতে ভুগছে। উন্নত চিকিৎসার জন্য তাদের রংপুরে নেয়া প্রয়োজন। কিন্তু অর্থ কই? তাই আল্লার ওপর ভরসা করে ভুরুঙ্গামারীতেই একটি ক্লিনিকে ভর্তি রেখেছেন মা ও সন্তানদের। কচাকাটার চরটেপাপুর গ্রামে গত সোমবার দুপুরে নিজ বাড়িতে স্বাভাবিকভাবে একটি সন্তান প্রসব করেন নাসিমা। পরে বাচ্চা প্রসবে বিলম্ব হওয়ায় তাকে ভুরুঙ্গামারীতে একটি ক্লিনিকে আনা হলে সিজারের মাধ্যমে অন্য দুটি সন্তান প্রসব করানো হয়। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, মায়ের অপুষ্টির কারণে বাচ্চাগুলোর মধ্যে অপুষ্টিসহ বিভিন্ন সমস্যা দেখা দিয়েছে। এ জন্য তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য রংপুরে যেতে পরামর্শ দেয়া হয়েছে কিন্তু অর্থাভাবে তিনি রংপুরে যেতে পারছেন না।

ফরিদপুরে আম খেয়ে তিন শিশু হাসপাতালে

নিজস্ব সংবাদদাতা, ফরিদপুর, ৩০ জুন ॥ নগরকান্দায় বাজার থেকে কিনে আনা আম খেয়ে একই পরিবারের তিন শিশু অসুস্থ হয়ে বৃহস্পতিবার ফরিদপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। অসুস্থ শিশুরা পরস্পর চাচাতো ভাই বোন। তাদের সবার বাড়ি নগরকান্দা উপজেলার ডাঙ্গি ইউনিয়নের ডাঙ্গি গ্রামে। চিকিৎসক জানান, আমের মধ্যে ঘুমের বড়ি জাতীয় কিছু মেশানোর কারণে শিশুরা অসুস্থ হয়ে পড়েছে। তবে তারা সবাই এখন আশঙ্কামুক্ত।

অসুস্থ এক শিশুর পিতা রায়হান মোল্লা জানান, গত মঙ্গলবার বিকেলে আমার পিতা বিল্লাল মোল্লা ব্যাংক হতে টাকা তুলে তালমা বাজারের একটি দোকান থেকে ২ কেজি আম কিনে বাড়িতে নিয়ে আসেন। রাতে বাড়ির শিশুরা সেই আম খাওয়ার পর থেকে আমার মেয়ে খাদেজা (৪) এবং বড় ভাই শাহিন মোল্লার ছেলে রেজাউল (৪) ও অন্য ভাই লিটন মোল্লার মেয়ে জান্নাতি (৪) গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন হয়ে পড়ে।

দিনাজপুরে হাজতীদের প্রশিক্ষণ

স্টাফ রিপোর্টার, দিনাজপুর ॥ জেলা কারাগারে বিভিন্ন প্রশিক্ষণের মাধ্যমে কর্মক্ষম হিসেবে গড়ে তুলতে পাইলট প্রজেক্টে শতাধিক হাজতি ও কয়েদিদের বিভিন্ন মেয়াদে প্রশিক্ষণ দেয়া হচ্ছে। দিনাজপুর জেলা কারাগারের সুপার আবু সাইদ জানান, সরকার জেল কারাগারে আটক হাজতি ও কয়েদিদের অপরাধী জীবন থেকে ফিরিয়ে আনতে বিভিন্ন কর্মসংস্থান প্রশিক্ষণে পাইলট প্রজেক্ট গ্রহণ করেছে।