২৫ নভেম্বর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট এই মাত্র  
Login   Register        
ADS

নাড়ির টানে ছুটছে মানুষ- সব পথেই ভিড়


রাজন ভট্টাচার্য ॥ দরজায় কড়া নাড়ছে ঈদ। অপেক্ষা চাঁদ দেখার। মাত্র কয়েকদিনের মধ্যেই সে অপেক্ষার অবসান হবে। খুশির ঈদ উদযাপনে সবচেয়ে বড় অনুষঙ্গ হলো শহর থেকে গ্রামের বাড়ি যাওয়া। পরিবার-পরিজনের সঙ্গে উৎসবে যোগ দেয়া মানেই পূর্ণতা সবটুকু। এর প্রস্তুতি হিসেবে টিকেটযুদ্ধ শেষ। এবার বাড়ি ফেরার পালা শুরু। বৃহস্পতিবার থেকেই পায়ে পায়ে রাজধানীর মানুষের স্রোত ছিল টার্মিনালমুখী। বাস, লঞ্চ ও ট্রেন সবখানেই ছিল ঘরমুখো মানুষের ভিড়। যে যেভাবে পারছেন ছুটছেন বাড়ির দিকে। কখনও ঝুঁকি নিয়েই যাচ্ছেন প্রিয়জনের সান্নিধ্যে। যারা টিকেট পাননি তারা বিকল্প হিসেবে মাইক্রো বা ট্যাক্সি নিয়ে গেছেন। তবে বাস, লঞ্চ ও ট্রেনের অগ্রিম টিকেট নেয়া যাত্রীরা আজ শুক্রবার থেকে যাত্রা শুরু করবেন। পরিবহন সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, ঢাকা-টাঙ্গাইল ও ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের বিভিন্ন পয়েন্টে যানজট বাড়ছে। সব মিলিয়ে কিছুটা বিড়ম্বনা থাকলেও এবারের ঈদযাত্রা অনেটা স্বস্তিদায়ক বলে মনে করেন যাত্রীসহ পরিবহন সংশ্লিষ্ট সবাই।

এদিকে ঈদের আগের তিন দিন ও পরের দিন মহাসড়কে পণ্যবাহী পরিবহন চলাচল নিষিদ্ধ করেছে সড়ক পরিবহন মন্ত্রণালয়। তবে ওষুধসহ পচনশীল পণ্য অর্থাৎ কাঁচামাল চলাচলে কোন বাধা নেই। যাত্রীদের অভিযোগ, বৃহস্পতিবার থেকে বিভিন্ন মহাসড়কে রাজধানীতে চলা সিটি সার্ভিসগুলো যাত্রী পরিবহনে নেমেছে। এতে স্বাভাবিক গতিতে চলতে পারছে না দূরপাল্লার পরিবহন। মালিক সমিতির অভিযোগ, নিষিদ্ধ হলেও দেশের সবকটি মহাসড়কে চলছে সিএনজিচালিত অটোরিক্সা, ইজিবাইক, নসিমন, করিমনসহ স্বল্পগতির সব ধরনের পরিবহন।

জানতে চাইলে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন সমিতির মহাসচিব খন্দকার এনায়েত উল্যাহ জনকণ্ঠকে বলেন, এবারের ঈদে ছুটি বেশি হওয়ায় একটু আগেভাগেই ঢাকা ছাড়ছেন অনেকেই। বৃহস্পতিবার সকাল থেকে ঘরমুখো মানুষের ভিড় ছিল বাস টার্মিনালগুলোতে। তিনি বলেন, মহাসড়কগুলোতে সিএনজিচালিত অটোরিক্সাসহ স্বল্পগতির যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়নি। অথচ সরকারীভাবে এসব পরিবহন চলাচল একেবারেই নিষিদ্ধ। কিন্তু কে শোনে কার কথা। ইচ্ছামতো সবকটি মহাসড়কে এসব পরিবহন চলাচল করছে। কেউ কিছু বলছে না। ঈদ মৌসুমেও সড়কে এসব গাড়ি চলাচল বন্ধ করা হয়নি। স্বল্পগতির যানবাহন সড়ক দুর্ঘটনার অন্যতম কারণ উল্লেখ করে তিনি বলেন, এসব পরিবহনের চালকরা একেবারেই অদক্ষ। তাদের লাইসেন্স নেই। নেই প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ। মূলত এসব কারণেই দুর্ঘটনা হচ্ছে। তিনি ঈদ মৌসুমে সহাসড়কগুলোতে এসব গাড়ি চলাচল নিয়ন্ত্রণের দাবি জানিয়ে বলেন, সবচেয়ে বেশি ঢাকা-সিলেট ও ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে নিষিদ্ধ যানবাহন চলছে।

এ বছর সরকারী ছুটি টানা নয় দিন। ৬ জুন ঈদ ধরে নৌ, সড়ক ও রেলপথে টিকেট বিক্রি হয়েছে। ৭ জুলাই ঈদ হলে ৬ তারিখ চলবে সব ধরনের পরিবহন। তবে ৬ তারিখ ঈদ ধরেই বাড়ি ফিরতে শুরু করেছেন মানুষ। রাজধানীর সায়েদাবাদ, মহাখালী, গাবতলী, গুলিস্তান টার্মিনাল ঘুরে ব্যাপক মানুষের ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। বাড়তি যাত্রীর চাপের কারণে অনেক কাউন্টারে লাইন ধরে যাত্রীদের টিকেট সংগ্রহ করতে দেখা গেছে। ফলে ভোগান্তির মাত্রাও বেড়েছে অনেক। দুপুরে মহাখালী টার্মিনালে গিয়ে দেখা গেছে ময়মনসিংহের এনা পরিবহনের কাউন্টারে শত শত মানুষের দীর্ঘ লাইন। তবে যাত্রী বেশি হওয়ার কারণে গাড়ি সঙ্কট ছিল। যাত্রীদের দাবির মুখে অন্তত কাউন্টারে না পৌঁছলেও পাঁচটি গাড়ির টিকেট বিক্রি হয়েছিল। টিকেট নেয়া যাত্রীদের ছিল দীর্ঘ অপেক্ষা। ময়মনসিংহের যাত্রী বিল্লাল জানালেন, এক ঘণ্টার বেশি সময় লাইনে দাঁড়িয়ে টিকেট পেলাম। কিন্তু বাস নেই। মিজান জানালেন, যাবেন শম্ভুগঞ্জ। একটু আগেভাগেই বাড়ি ফিরছেন তিনি। তবে গাড়ি সঙ্কট থাকায় কিছুটা ভোগান্তি হচ্ছে।

নেত্রকোনার শাহজালাল পরিবহন কাউন্টারে গিয়ে দেখা গেছে সেখানেও শত মানুষের দীর্ঘ লাইন। মদনের যাত্রী হাসিব জানালেন, সরকারীভাবে পরিবহনের ভাড়া প্রতি কিলোমিটারে এক পয়সা কমানো হলেও এ রুটে কোন বাসের ভাড়া কমেনি। আগের ভাড়া ২৫০ টাকাই নেত্রকোনা পর্যন্ত নেয়া হচ্ছে বলে জানান তিনি।

শেরপুর, পাবনা, নরসিংদী, কিশোরগঞ্জ, টাঙ্গাইল, জামালপুর, আঠারোবাড়ি, দুর্গাপুর, গৌরীপুরসহ বিভিন্ন বাস কাউন্টারে যাত্রীদের বেশ চাপ লক্ষ্য করা গেছে। মহাখালী আন্তঃজেলা বাস মালিক সমিতির সভাপতি আবুল কালাম জনকণ্ঠকে জানান, সরকারী চাকরিজীবীদের ছুটি শুরু হওয়ায় যাত্রীর চাপ বেড়েছে। আমরা সাধ্যমতো যাত্রীদের সেবা দেয়ার চেষ্টা করছি। ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের বিভিন্ন পয়েন্টে থেমে থেমে যানজট হওয়ার কথা জানান তিনি।

গুলিস্তানের ভিন্নচিত্র ॥ ঘরমুখো মানুষের নিরাপদ যাত্রা নিশ্চিত করতে গুলিস্তানের চিত্র আরেকটু ভিন্ন রকম। সেখানে সার্জেন্ট আহাদ পুলিশ বক্সের সামনে নেয়া হয়েছে সচেতনতামূলক মাইকিং। পুলিশ ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় নিয়োজিত ব্যক্তিরা বলছেন, এটি চুরি, ছিনতাই ও পকেটমারের মতো অপরাধ কমাতে সাহায্য করছে। তাদের মতে, যাত্রীরা সচেতন হলে এ ধরনের অপরাধ অনেক কমে যাবে। সার্জেন্ট আহাদ পুলিশ বক্সে কর্মরত সহকারী পুলিশ কমিশনার মোঃ মাজহারুল ইসলাম বলেন, যাত্রীদের নিরাপত্তা দেয়ার লক্ষ্যে সড়ক পরিবহন ইউনিয়নের সহযোগিতায় মাইকিং করা হচ্ছে। অব্যাহত মাইকিংয়ের কারণে যাত্রী ও এখানে চলাচলরত লোকজন নিজের ও সঙ্গে থাকা ব্যাগ, মানিব্যাগের ব্যাপারে সচেতন হয়। এতে কাজ হচ্ছে।

যাত্রী-পথচারী-ক্রেতা-হকারদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে প্রতিদিন গুলিস্তানের সার্জেন্ট আহাদ পুলিশ বক্সে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন ইউনিয়নের পক্ষ থেকে রেকর্ড করা বক্তব্য বাজানো হয়। এতে বলা হয়Ñ প্রতারক, ছিনতাইকারী, অজ্ঞানপার্টি, মলমপার্টি আপনার আশপাশেই ঘোরাফেরা করছে। তারা নারী ও পুরুষ উভয়ই হতে পারে। তারা আপনার গতিপথ লক্ষ্য করে বহুদূর যেতে পারে। এমন কাউকে সন্দেহ হলে সঙ্গে সঙ্গে নিকটস্থ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাছে যান, আপনার অভিযোগ জানান। আপনার মোবাইল, মানিব্যাগ, ভ্যানিটিব্যাগ সাবধানে রাখুন। যেখানে-সেখানে ময়লা আবর্জনা ফেলবেন না। গুলিস্তানে যাত্রী-হকার কেউ তুচ্ছ কারণে পরস্পরের সঙ্গে খারাপ আচরণ করবেন না কিংবা অশালীন আচরণ করা থেকে আসুন আমরা বিরত থাকি। সবশেষে নিরাপদ থাকুন, নিরাপদ রাখুন।

পরিবহন নেতা আবির আহমেদ বলেন, মাইকিংয়ের পর অবস্থার অনেক উন্নতি হয়েছে। সকাল ৮টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত চলে মাইকিং। যাত্রীরা সচেতন হয়েছেন। তিনি আরও বলেন, ‘নিয়মিত এখানে ৬০ থেকে ৭০ জন কমিউনিটি পুলিশ সদস্য যানজট কমানো ও যাত্রীদের নিরাপত্তা দেয়ার কাজ করছেন। পুলিশ বক্স থেকে সামান্য দূরে থেকে ছেড়ে যায় মাওয়া, ডেমরা, নরসিংদী, বারদী, তারাবগামী বাসগুলো।

মহাসড়কে ছয় দিন পণ্য পরিবহন বন্ধ ॥ ঈদের আগে তিন দিন ও পরের তিন দিন মিলিয়ে মোট ছয় দিন সড়ক-মহাসড়কে পণ্য পরিবহন বন্ধ থাকবে। মহাসড়ক যানজটমুক্ত রাখা ও নিরাপত্তার স্বার্থে এমন সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে সড়ক পরিবহন মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে। বাংলাদেশ ট্রাক-কাভার্ডভ্যান মালিক সমিতির মহাসচিব আব্দুল মোতালেব জনকণ্ঠকে বলেন, ছয় দিন শুরুমাত্র ওষুধ ও কাঁচামালের গাড়ি চলাচল করতে পারবে। এর বাইরে অন্যান্য পরিবহন চলাচল বন্ধ থাকবে। ইতোমধ্যে মালিক সমিতির পক্ষ থেকে সবাইকে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

কমলাপুর স্টেশনের ব্যবস্থাপক সিতাংশু চক্রবর্তী জানান, এবার ঈদের সময়টাতে প্রতিদিন ৩৩টি ট্রেনের ১৮ হাজার টিকেট বিক্রি হবে। বিভিন্ন ট্রেনে অতিরিক্ত ৮৪টি বগি সংযোজন করা হবে। এছাড়া ঢাকা-খুলনা, ঢাকা-পার্বতীপুর ও ঢাকা-দেওয়ানগঞ্জ রুটে তিন জোড়া অতিরিক্ত ট্রেন চলবে। তিনি জানান, অগ্রিম বিক্রি হওয়া টিকেটের যাত্রীরা শুক্রবার থেকে যাত্রা শুরেু করবেন। তবে বৃহস্পতিবার থেকেই কমলাপুরে যাত্রীদের চাপ বেড়েছে। স্ট্যান্ডিং টিকেট নিয়েও অনেকে বাড়ি ফিরছেন বলে জানান তিনি।

নৌপথে বাড়তি নিরাপত্তা ॥ ঈদে ঘরমুখো নৌযাত্রীদের জন্য বেশ কয়েকটি নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণের উদ্যোগ নিয়েছে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় ও বিআইডব্লিউটিএ। ঘরমুখো যাত্রীরা যেন কোন ধরনের হয়রানির শিকার না হন সেদিকে বিশেষ নজর দেয়া হচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় ঈদে যাত্রীদের নিরাপত্তা দিতে নৌপথে ১১টি নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হবে। এগুলো হলোÑ স্পিডবোটে চলাচলের সময় যাত্রীদের লাইফ জ্যাকেট ব্যবহার; টার্মিনালে ও লঞ্চে টেলিভিশন মনিটরে সর্তকতামূলক বাণী প্রচার; ১ থেকে ১১ জুলাই পর্যন্ত রাতে সব ধরনের মালবাহী জাহাজ ও বালুবাহী বাল্কহেড চলাচল বন্ধ রাখা; নৌপথে ডাকাতি, চাঁদাবাজি, শ্রমিক, যাত্রীদের হয়রানি ও ভীতিমূলক অবস্থা প্রতিরোধে রাতে পুলিশের টহল জোরদার; প্রত্যেক ঘাটে যাত্রীদের জানমালের নিরাপত্তার জন্য স্থানীয় প্রশাসন (ডিসি, এসপি ও উপজেলা প্রশাসন) সমন্বয়ে ভিজিল্যান্স টিম গঠন; নদীতে এলোমেলোভাবে ট্যাঙ্কার, লঞ্চ, কোস্টার, বার্জ ইত্যাদি চলাচল নিয়ন্ত্রণ করা, কোন অবস্থাতে লঞ্চের যাত্রী ও মালামাল ওভারলোড না করা; প্রত্যেক লঞ্চের সিঁড়িতে প্রশস্ত রেলিংয়ের ব্যবস্থা রাখা; সদরঘাটে নদীর মাঝপথ থেকে যাতে নৌকা দিয়ে যাত্রী লঞ্চে/নৌযানে উঠতে না পারে তা তদারকি করা ও কেবিনের যাত্রীদের ছবি/মোবাইল নম্বর/জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর সংরক্ষণ করা।

এ বিষয়ে লঞ্চ মালিক সমিতির অভ্যন্তরীণ নৌ চলাচল সংস্থার চেয়ারম্যান মাহবুবউদ্দিন আহমেদ বলেন, আশা করছি এবার ঈদে নয় দিন ছুটি হওয়ায় সদরঘাটে ভিড় কম হবে। তবে পন্টুনে লঞ্চ ভেড়ানোর সময় যেন ধাক্কাধাক্কি ও কোন ধরনের দুর্ঘটনা না ঘটে সে লক্ষ্যে আমরা কাজ করে যাচ্ছি। তিনি কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, এবার একটি ফিটনেসবিহীন লঞ্চও টার্মিনাল ছেড়ে যাওয়ার অনুমতি পাবে না। সদরঘাট লঞ্চ স্টেশনে নৌ-নিরাপত্তার দায়িত্বে নিয়োজিত নৌ-পুলিশের এসপি মোফাজ্জেল হোসেন বলেন, তিনটি ভাগে ভাগ করে নৌ-পুলিশের আটটি টিম সার্বক্ষণিক টহল দেবে। সদরঘাটে নৌ-পুলিশের ২৫৭ জন সদস্য কাজ করবে।

বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ) সূত্রে জানা গেছে, নৌবন্দরের গুরুত্বপূর্ণ ১৪টি পয়েন্টে এবং নয়টি গ্যাংওয়ে ও পন্টুনে ৩০টি সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে। এর মাধ্যমে নদীবন্দরের নৌ-নিরাপত্তা ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা বিভাগের যুগ্ম-পরিচালকের দফতর থেকে একজন কর্মকর্তা সার্বক্ষণিক মনিটরিং করবেন। অতিরিক্ত যাত্রীদের বিষয়ে আগাম তথ্য দেয়া হবে। এছাড়া সদরঘাটে বিআইডব্লিউটিএর টার্মিনাল ও পন্টুনে ২০টি মাইক স্থাপন করা হয়েছে। এ মাইকের সাহায্যে সার্বক্ষণিক নির্দেশনা দেয়া হবে।

এদিকে শনিবার থেকে রাজধানীর যানজটপ্রবণ ১৪ পয়েন্টে নামছে এক হাজার স্বেচ্ছাসেবক। এরা সবাই বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের স্কাউট সদস্য। সড়ক পরিবহন মন্ত্রণালয় থেকে জানানো হয়েছে, স্কাউট সদস্যদের প্রশিক্ষণ দেয়া হবে শুক্রবার। রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ারিং ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে আজ এ কর্মসূচীর উদ্বোধন করবেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

সর্বাধিক পঠিত:
পাতা থেকে: