২০ নভেম্বর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট এই মাত্র  
Login   Register        
ADS

কাবুলে পুলিশের বাসে আত্মঘাতী বোমা হামলায় নিহত ৪০


জনকণ্ঠ ডেস্ক ॥ আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুলের কাছে পুলিশ ক্যাডেটদের বহনকারী বাসে দুটি আত্মঘাতী বোমা হামলায় কমপক্ষে ৪০ জন নিহত হয়েছেন। এই হামলায় আহত হয়েছেন আরও ৫০ জন। নিহতদের অধিকাংশই নতুন পুলিশ সদস্য। হামলার দায় স্বীকার করে বিবৃতি দিয়েছে জঙ্গী সংগঠন তালেবান। খবর বিবিসি, আলজাজিরা ও এএফপির।

এক পুলিশ কর্মকর্তা জানান, ওয়ারদাক প্রদেশ থেকে ক্যাডেটরা প্রশিক্ষণ শেষে গ্রাজুয়েশন অনুষ্ঠান শেষে ফেরার পথে বাসগুলোর ওপর হামলা হয়। দুই হামলাকারী এ হামলা চালিয়েছে এবং এতে বহু মানুষ হতাহতের ঘটনা ঘটেছে।

এই হামলার নিন্দা জানিয়েছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট আশরাফ গনি। এই ধরনের হামলাকে মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ বলে উল্লেখ করেছেন তিনি। গনি বলেন, তালেবানের এমন হামলায় এটাই বোঝা যাচ্ছে, যুদ্ধময়দানে ক্রমেই দুর্বল হয়ে পড়ছে জঙ্গীসংগঠনটি।

সাবেক সংসদ সদস্য দাউদ সুলতানজোই বলেন, খুবই সংগঠিত এবং পরিকল্পিত হামলা। এই নির্মম হামলা চালানোর ক্ষেত্রে তাদের কাছে আগে থেকেই যথেষ্ট তথ্য ছিল। তালেবানরা তাদের হামলা বৃদ্ধি করেছে। নিরাপত্তা বাহিনীর অভিযানে যুদ্ধময়দানে তালেবান কমান্ডাররা মারা যাওয়ায় তাদের অবস্থান খুবই দুর্বল হয়ে পড়েছে। তাই এমন মরিয়া হয়ে হামলা চালাচ্ছে জঙ্গীসংগঠনটি।

তালেবান হামলার দায় স্বীকার করে তালেবান মুখপাত্র জাবিহুল্লাহ মুজাহিদ বলেছেন, প্রথম হামলাটি হয়েছে পুলিশ ক্যাডেট এবং তাদের প্রশিক্ষকদের বহনকারী একটি বাসে। এরপর উদ্ধারকারী এবং জরুরী সেবাকর্মীরা আসার পর তাদের গাড়ির ওপর দ্বিতীয় আরেকটি বিস্ফোরক ভর্তি গাড়ি বোমা হামলা হয়। এতে আরও মানুষ নিহত হয়।

তালেবানের প্রধান টার্গেট আফগান পুলিশ এবং সৈন্যরা। সপ্তাহখানেক আগে দেশটির রাজধনী কাবুলে নেপালী নিরাপত্তারক্ষীদের একটি গাড়িতে হামলা চালানো হয়। ওই হামলায় ১৪ জনের প্রাণহানি হয়। এর আগে চলতি বছর কাবুলে তালেবানের হামলায় গত ৫ জুন একজন আইনজীবীসহ তিন ব্যক্তি, ২২ মে ২৫ জন, ১৯ এপ্রিল ৬৪ জন, ১১ এপ্রিল ১২ পুলিশ সদস্য এবং ২৭ ফেব্রুয়ারি নিহত হন ১৫ জন।

সম্পর্কিত:
পাতা থেকে: