১৮ নভেম্বর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট এই মাত্র  
Login   Register        
ADS

কলাপাড়ায় পাল্টাপাল্টি মামলা ॥ ফের হামলার শঙ্কা


নিজস্ব সংবাদদাতা, কলাপাড়া, ২৮ জুন ॥ শান্তিপুর গ্রামের ৩০ সংখ্যালঘু পরিবারের নারী-পুরুষ মঙ্গলবার বেলা ১১টায় তাদের নিরাপত্তার দাবিতে এবং ফের সন্ত্রাসী হামলার আশঙ্কায় কলাপাড়া প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করেছেন। শ্রাদ্ধ অনুষ্ঠানে ভূমালিদের অংশগ্রহণের মতো তুচ্ছ ঘটনার রেশ ধরে একই সম্প্রদায়ের লোকজনের মধ্যে ২৫ জুন বিকেলে সংঘর্ষ হয়। এতে আটজন জখম হয়। এর মধ্যে পংকজ তালুকদার নামের একজনের অবস্থা শঙ্কটজনক। এ ঘটনায় দিলীপ ডাকুয়া বাদী হয়ে

১১ জনকে এবং আশুতোষ তালুকদার বাদী হয়ে ১৩ জনকে আসামি করে কলাপাড়া থানায় পৃথক মামলা করেছেন। এরপর থেকে গ্রামটিতে ৩০টি পরিবারের পুরুষ মানুষ রাতের বেলা বাড়ি ছাড়া থাকছে পুলিশী আতঙ্কে। মঙ্গলবারের সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন বাবু রাজেশ^র তালুকদার। তিনি তার বক্তব্যে জানান, বিদ্যুতস্পৃষ্ট হয়ে ২২ জুন তাদের গ্রামের যুবক বিকাশ মারা যায়। এর জন্য মানুষ শ্রাদ্ধ অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন ২৫ জুন। শ্রাদ্ধ অনুষ্ঠানে দুইজন কিশোর বয়সের ভূমালি অংশ নেয়। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে বর্ণবাদী উস্কানি দিয়ে মনোরঞ্জন হাওলাদার ও সন্তোষ ডাকুয়া শ্রাদ্ধ অনুষ্ঠান বয়কটের ঘোষণা দেয়। এরপর অনুষ্ঠানের পরে সংঘাতের সৃষ্টি করে।

গলাচিপায় দেবোত্তর সম্পত্তি রক্ষায় বিক্ষোভ

স্টাফ রিপোর্টার, গলাচিপা ॥ পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলা শহরে মঙ্গলবার দুপুরে স্থানীয় হিন্দু সম্প্রদায় দেবোত্তর সম্পত্তি ব্যক্তি নামে ‘নামজারি’ করার পাঁয়তারার বিরুদ্ধে বিক্ষোভ সমাবেশ ও অবস্থান কর্মসূচী পালন করেছে। গলাচিপা কেন্দ্রীয় কালীবাড়ি পরিচালনা পরিষদের আহ্বানে অনুষ্ঠিত এ কর্মসূচীতে শত শত মানুষ অংশ নেয়। কালীবাড়ি আঙিনা থেকে শুরু হয়ে বিক্ষোভ মিছিল প্রথমে উপজেলা ভূমি অফিস ও পরে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়ের সামনে অবস্থান নেয়। পরে হিন্দু সম্পদায়ের নেতৃস্থানীয় একটি প্রতিনিধিদল উপজেলা নির্বাহী অফিসার আবদুল্লাহ আল বাকীর সঙ্গে সাক্ষাত করেন এবং মা কালীর নামে দেবোত্তর সম্পত্তি ব্যক্তি নামে রেকর্ড না করার দাবি করেন। উপজেলা নির্বাহী অফিসার বিষয়টি আইনগতভাবে বিবেচনা করার আশ্বাস দেন।

সুন্দরবনে ১৫ মৎস্যজীবীকে অপহরণ

স্টাফ রিপোর্টার, বাগেরহাট ॥ সুন্দরবনের শিবসা নদী থেকে মঙ্গলবার সকালে মুক্তিপণের দাবিতে ১৫ মৎস্যজীবীকে অপহরণ করেছে বনদস্যু জাহাঙ্গীর বাহিনীর সদস্যরা। ভোরে সুন্দরবনের শিবসা নদীতে মাছ ধরছিল মৎস্যজীবীরা। এ সময় বনদস্যু জাহাঙ্গীর বাহিনী সদস্যরা তাদের ওপর হামলা চালিয়ে মুক্তিপণের জন্য ১৫ মৎস্যজীবীকে অপরহণ করে সুন্দরবনের গহীন অরণ্যে নিয়ে যায়। অপহৃত জেলেদের বাড়ি খুলনা জেলার কয়রা, পাইকগাছা ও ডুমরিয়া উপজেলায়।