মেঘলা, তাপমাত্রা ৩১.১ °C
 
২৪ আগস্ট ২০১৭, ৯ ভাদ্র ১৪২৪, বৃহস্পতিবার, ঢাকা, বাংলাদেশ
সর্বশেষ

৯০ শতাংশ এডিপি বাস্তবায়ন হবে ॥ পরিকল্পনামন্ত্রী

প্রকাশিত : ২৯ জুন ২০১৬

অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ চলতি অর্থবছরে ৯০ শতাংশ বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচী (এডিপি) বাস্তবায়ন হবে বলে জানিয়েছেন পরিকল্পনামন্ত্রী আ হ ম মস্তফা কামাল। যা গত ২০১৪-১৫ অর্থবছর বাস্তবায়িত হয়েছিল ৯১ শতাংশ। মঙ্গলবার একনেক সভা শেষে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান তিনি। চলতি অর্থবছরের (২০১৫-১৬) ১২ মাসে (জুলাই-জুন) সংশোধিত বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচীর (আরএডিপির) ৯০ শতাংশ বাস্তবায়িত হয়েছে। যেখানে গত ২০১৪-১৫ অর্থবছর বাস্তবায়িত হয়েছিল ৯১ শতাংশ। এই হিসেবে গত এক মাসের ব্যবধানে বাস্তবায়নের হার বেড়েছে ২৮ শতাংশ। অর্থাৎ গত এক মাসে উন্নয়ন কাজে ২০ হাজার ২১ কোটি টাকার ব্যয় করেছে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিভাগগুলো।

মঙ্গলবার রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের এনইসি সম্মেলন কক্ষে একনেক সভা শেষে আরএডিপির বাস্তবায়ন অগ্রগতি প্রতিবেদন প্রকাশ করেন পরিকল্পনামন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। এ সময় তিনি বাস্তবায়ন পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগের (আইএমইডি) সর্বশেষ হালনাগাদ প্রতিবেদেন তুলে ধরেন। পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, চলতি অর্থবছরে ১২ মাসে ৯০ শতাংশ আরএডিপি বাস্তবায়ন হয়েছে। তিনি বলেন, এখনও দুটি মন্ত্রণালয়ের তথ্য পাওয়া বাকি রয়েছে। সেগুলো পেলে এডিপি বাস্তবায়ন আরও বাড়তে পারে। আরএডিপি বাস্তবায়নে দুটি মন্ত্রণালয় বরাদ্দের চেয়ে বেশি অর্থ ব্যয় করেছে। এর মধ্যে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি মোট বরাদ্দের ১২১ ভাগ এবং গৃহায়ন ও গণপূর্ত ১১৮ ভাগ অর্থ ব্যয় করেছে। এছাড়া সড়ক পরিবহন ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় মোট বরাদ্দে শতভাগ অর্থ ব্যয় করতে পেরেছে বলেও জানান মন্ত্রী। অন্যদিকে, বাস্তবায়নে পিছিয়ে থাকা মন্ত্রণালয় ও বিভাগের মধ্যে সবচেয়ে পিছিয়ে আছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) শূন্য শতাংশ, তথ্য মন্ত্রণালয় ১৯ শতাংশ, জাতীয় সংসদ সচিবালয় ২৩ শতাংশ, নির্বাচন কমিশন ২৬ শতাংশ, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ২৭ শতাংশ, ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ ৩৩ শতাংশ অর্থ ব্যয় করেছে। উল্লেখ্য, ৯৩ হাজার ৮৯৫ কোটি টাকার আরএডিপি বাস্তবায়নের টার্গেট নির্ধারণ করেছে সরকার। এর মধ্যে ১২ মাসে ব্যয় হয়েছে ৭৯ হাজার ১১৫ কোটি টাকা।

পরিবেশবান্ধব সবুজ শিল্পায়নের ধারা জোরদারে গুরুত্বারোপ

অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ টেকসই নগরায়নের জন্য পরিবেশবান্ধব সবুজ শিল্পায়নের ধারা জোরদারে বিশ্ব সম্প্রদায়ের ঐক্যবদ্ধ ভূমিকা পালনের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু। মঙ্গলবার দক্ষিণ কোরিয়ার উলসান শহরে ‘টেকসই শহরের জন্য সবুজ শিল্প’ শীর্ষক প্যানেল আলোচনায় বক্তৃতাকালে তিনি এসব কথা বলেন। আমির হোসেন আমু বলেন, ২০৫০ সালের মধ্যে বিশ্বের দুই-তৃতীয়াংশ জনগণ নগরে বসবাস করবে। এ বিশাল জনগোষ্ঠীর জন্য পরিবেশবান্ধব শিল্পপণ্যের চাহিদা মেটাতে বিভিন্ন দেশের মধ্যে কার্যকর সবুজ প্রযুক্তি স্থানান্তর জরুরী বলে তিনি অভিমত ব্যক্ত করেন। আমির হোসেন আমু বলেন, বিশ্বের সবচেয়ে ঘনবসতিপূর্ণ দেশ হওয়া সত্ত্বেও বাংলাদেশ নিজস্ব অর্থায়নে জলবায়ুর ঝুঁকি মোকাবেলা করে কাক্সিক্ষত প্রবৃদ্ধি অর্জনের পাশাপাশি পরিকল্পিত নগরায়নের প্রচেষ্টা অব্যাহত রেখেছে। জলবায়ু পরিবর্তনের বৈরি প্রভাব মোকাবেলা করে বাংলাদেশ কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি, উপকূলীয় এলাকায় পরিবেশ সুরক্ষায় সবুজ বেষ্টনী স্থাপন, সামাজিক বনায়নসহ বিভিন্ন প্রকল্প বাস্তবায়ন করে চলেছে।

প্রকাশিত : ২৯ জুন ২০১৬

২৯/০৬/২০১৬ তারিখের খবরের জন্য এখানে ক্লিক করুন


শীর্ষ সংবাদ: