মেঘলা, তাপমাত্রা ৩১.১ °C
 
২১ সেপ্টেম্বর ২০১৭, ৬ আশ্বিন ১৪২৪, বৃহস্পতিবার, ঢাকা, বাংলাদেশ
সর্বশেষ

মিতু হত্যার মূল নায়ক নিয়ে রহস্যের জট খুলছেই না

প্রকাশিত : ২৯ জুন ২০১৬
মিতু হত্যার মূল নায়ক নিয়ে রহস্যের জট খুলছেই না
  • অস্ত্র ও গুলি সরবরাহকারী সন্ত্রাসী ভোলাইয়াসহ আরও ২ জন গ্রেফতার, কারাগারে

মোয়াজ্জেমুল হক, চট্টগ্রাম অফিস ॥ চট্টগ্রামে এসপিপতœী মাহমুদা খানম মিতু হত্যাকা- নিয়ে পুলিশ যতই রহস্যময় ভূমিকা পালন করছে তাতে এ ঘটনায় উৎসুক সকল মহলের সন্দেহ প্রতি মুহূর্তে ঘনীভূত হচ্ছে। এ ঘটনায় সোমবার রাতে আরও ২ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এদের একজন এহতেশামুল হক ওরফে হানিফুল হক ওরফে ভোলাইয়া ও আরেকজন মোঃ মনির হোসেন ওরফে মনির। এই দুইজনকে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় দশ দিনের রিমান্ড চেয়ে আদালতে সোপর্দ করা হয়। আদালত রিমান্ড শুনানি না করে ও শুনানির জন্য কোন দিন ধার্য না করে তাদের কারাগারে পাঠিয়ে দেয়। ভোলাইয়া একজন সন্ত্রাসী এবং মিতু হত্যাকা-ে যে দুটি পিস্তল ও রিভলবার ব্যবহৃত হয়েছে সেগুলো তারই সরবরাহকৃত। আর ঘটনার পর ভোলাইয়া এই অস্ত্রগুলো কিলার গ্রুপ থেকে নিয়ে মনিরের কাছে জমা রেখেছিল। ডিবি পুলিশ সোমবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে রাজাখালী এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করেছে। এ নিয়ে মিতু হত্যাকা-ে গ্রেফতারের সংখ্যা ৭ জন হলেও মূলত ৩ জন তথা ওয়াসিম, আনোয়ার ও ভোলাইয়া ঘটনার সঙ্গে সম্পৃক্ত। যে ৮ সদস্যের কিলিং মিশন হয়েছিল এরা সে মিশনের সদস্য। এছাড়া সোমবার গ্রেফতারকৃত মনির হোসেন শুধু ভোলাইয়ার অস্ত্র রাখার দায়ে গ্রেফতার হয়েছে। এর আগে গ্রেফতারকৃত আবু নসর গুন্নু, রবিন ও বুলবুলের এ ঘটনায় সম্পৃক্ততা পাওয়া যায়নি।

এদিকে, চাঞ্চল্যকর এ হত্যাকা-ের মিশন কিভাবে পরিচালিত হয়েছে এবং কারা হত্যাকা-টি সরাসরি ঘটিয়েছে তার সবই উন্মোচিত হয়েছে। পুলিশের দাবি অনুযায়ী তারা এখন চেষ্টা করছেন এ হত্যাকা-ের মূল পরিকল্পনাকারী কে এবং কেন এ ঘটনা ঘটানো হয়েছে তা বের করতে। সিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার দেবদাশ ভট্টাচার্য দুপুরে প্রেস ব্রিফিংয়ে নতুন দুই আসামি গ্রেফতারের তথ্য জানান দেন। সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে তিনি জানান, কিলিং মিশনে জড়িত যে ৭ থেকে ৮ সন্ত্রাসী ছিল সকলকে গ্রেফতারের পর তদন্ত সম্পন্ন হলেই মূল রহস্য বেরিয়ে আসবে। তিনি স্বীকার করেছেন, হত্যাকা-ে ব্যবহৃত একটি রিভলবার ও একটি পিস্তল সরবরাহ করেছে ভোলাইয়া। সে একজন চিহ্নিত সন্ত্রাসী এবং ভাড়াটিয়া কিলারদের কাছে অস্ত্র ভাড়া দিয়ে থাকে। পাশাপাশি পুলিশের সোর্স হিসেবেও যে ভোলাইয়া কাজ করে তা তিনি স্বীকার অস্বীকার কিছুই করেননি।

এদিকে, এ হত্যাকা-ের সঙ্গে জড়িত ৮ সদস্যের কিলার গ্রুপ সকলেই পুলিশ হেফাজতে রয়েছে। শুধু তাই নয়, এদের এসপি বাবুল আক্তারের মুখোমুখি করার জন্য ঢাকায়ও নেয়া হয়েছিল। ঢাকার ডিবি কার্যালয়ে এ কার্যক্রম সম্পন্ন করার পর তাদের পুনরায় চট্টগ্রামে ফিরিয়ে আনা হয়। এরা হচ্ছে- মুসা, ওয়াসিম, আনোয়ার, নবী, কালু, শাহজাহান, রাশেদসহ ৮ জন। ঢাকা থেকে নিয়ে আসার পর রবিবার প্রথম ওয়াসিম ও আনোয়ারকে গ্রেফতার দেখিয়ে ওইদিনই আদালতে পাঠিয়ে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দী গ্রহণ করা হয়। এরপর সোমবার ভোলাইয়া ও মনির হোসেনকে গ্রেফতার করা হয়। ভোলাইয়াকে এ হত্যা মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয়েছে। তবে মনির হোসেনের বিরুদ্ধে অস্ত্র মামলা হয়েছে। যেহেতু সে মিতু হত্যাকা-ের সঙ্গে জড়িত নয়। মঙ্গলবার পুলিশের জনসংযোগ বিভাগ থেকে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, মিতু হত্যা মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ডিবির সহকারী পুলিশ কমিশনার মোঃ কামরুজ্জামানের নেতৃত্বে একটি বিশেষ টিম ভোলাইয়া ও মনির হোসেনকে একটি বিদেশী পিস্তল, ৩২ ভোরের একটি দেশীয় তৈরি রিভলবার, একটি ম্যাগজিন ও ৬ রাউন্ড গুলিসহ হাতেনাতে গ্রেফতার করেছে। এ হত্যাকা-ে ইতোপূর্বে গ্রেফতারকৃত ওয়াসিম জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকার করেছে হত্যাকা-ে ব্যবহৃত অস্ত্র ও গুলি ভোলাইয়ার কাছ থেকে সংগ্রহ করেছে এবং ঘটনা সম্পন্ন করে তা তাকে ফেরত প্রদান করেছে। ওয়াসিমের স্বীকারোক্তি অনুযায়ী সোমবার রাত সাড়ে ১০টায় বাকলিয়া এলাকার রাজাখালি থেকে ভোলাইয়াকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারের পর সে পুলিশের কাছে মিতু হত্যাকা-ে ব্যবহৃত অস্ত্র ও গুলি সরবরাহের কথা স্বীকার করে। এরপর পুলিশী অভিযানের ভয়ে সে তার বিশ্বস্ত মনির হোসেনের কাছে অস্ত্র ও গুলি জমা রাখে। মঙ্গলবার ভোর রাতে বাকলিয়ার রাজাখালী রোড়স্থ এরশাদ কলোনির ৮ নম্বর কক্ষে অভিযান চালিয়ে মনির হোসেনকে গ্রেফতার করা হয়। মনিরের স্বীকারোক্তি অনুযায়ী তার কক্ষের খাটের নিচ থেকে অস্ত্র ও গুলি উদ্ধার করা হয়। পুলিশ জানায়, ভোলার বিরুদ্ধে বিশেষ ক্ষমতা আইনে সিএমপির বিভিন্ন থানায় ১৬টি মামলা রয়েছে। এর মধ্যে অস্ত্র আইনে সে দশ বছরের সাজাপ্রাপ্ত। দশ বছরের সাজা মাথায় নিয়ে সে বাকলিয়া এলাকায় বাড়ি তৈরি করে কিভাবে বসবাস করে আসছিল তা নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠেছে। ভোলাইয়ার বাড়ি রাঙ্গুনীয়ায় এবং মনির হোসেনের বাড়ি কুমিল্লার মুরাদনগরে। সেখানকার জনৈক ওয়াহিদ মিয়ার ছেলে সে।

অপরদিকে, রবিবার রাতে আসামি ওয়াসিম ও আনোয়ার যে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দী দিয়েছে একদিকে যেমন পরস্পরবিরোধী তেমনি অপরদিকে মুসা নামের পুলিশের এক বড় সোর্সকেই এ হত্যাকা-ের মূল প্ল্যানার হিসেবে বক্তব্য দিয়েছে। এছাড়াও ওয়াসিম বলেছে, সে ফাঁকা গুলি করেছে আর মুসা মিতুকে গুলি করেছে। কিন্তু আনোয়ার বলেছে ওয়াসিমই মিতুকে গুলি করে হত্যা করেছে। এছাড়া নবী উপর্যুপরি ছুরিকাঘাত করেছে। পরস্পরবিরোধী স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দী হলেও পুলিশ বলেছে, এরা যে হত্যার সঙ্গে সরাসরি জড়িত তাতে কোন সন্দেহ নেই এবং এরা নিজেদের দোষ স্বীকারও করেছে। কিন্তু ওয়াসিমের ১৪ পৃষ্ঠা এবং আনোয়ারের ১০ পৃষ্ঠার স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দীতে মুসা পর্যন্ত কিলার গ্রুপের মূল হোতার নাম রয়েছে। এরা মুসাকে দিয়ে কে এ কাজ করিয়েছে তা তারা জানে না বলে বক্তব্য দিয়েছে। শুধু তাই নয়, মিতুকে মুসা একজন জঙ্গী নারী হিসেবে জানান দিয়ে অর্থের বিনিময়ে তাকে হত্যা করিয়েছে। কিন্তু পরে টেলিভিশন ও পত্রিকার খবরে মিতু পুলিশ সুপার বাবুল আক্তারের স্ত্রী। বিষয়টি জানার পর মুসা তাদের মুখ না খোলার জন্য চাপের মুখে রাখে। যেহেতু সে পুলিশের বড় সোর্স সেহেতু তার দ্বারা সবকিছু সম্ভব, তাই তারা আত্মগোপনে চলে যায়। কিন্তু শেষ পর্যন্ত পুলিশ তাদের আটক করে নিয়ে আসে।

এদিকে প্রশ্ন উঠেছে, চাঞ্চল্যকর এ হত্যাকা-ে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ৭ থেকে ৮ জন পুলিশী হেফাজতে রাখা হয়েছে এরাই সে ৮ জনের অন্যতম। কিন্তু মূল প্ল্যানার মুসাকে ধরা হয়েছে বিষয়টি ইতোপূর্বে পুলিশ থেকে স্বীকার করা হলেও এখন সে ব্যাপারে কিছুই বলা হচ্ছে না। অথচ, মুসাই এ হত্যাকা- পরিচালনার রিং লিডার। মুসা কার নির্দেশে এ ঘটনা ঘটাল তা যেহেতু এ পর্যন্ত গ্রেফতারকৃতরা জানে না বলে জবানবন্দী দিয়েছে সেক্ষেত্রে মুসাকে গ্রেফতার ও তার জবানবন্দী সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন, যা মামলার তদন্তকে এগিয়ে নিতে এবং বিচার কার্যক্রমে মূল সহায়ক ভূমিকা পালন করবে।

গত ৫ জুন মিতু হত্যাকা-ের পর থেকে পুলিশ ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বিভিন্ন সূত্রে বলা হয়েছে জঙ্গী, জামায়াত শিবির, চোরাচালানী চক্রসহ বিভিন্ন অপরাধ জগতের সদস্যদের জড়িত থাকার সন্দেহের কথা বলা হয়েছিল। কিন্তু এখন সে সব কথা অসাড়। কেননা, যারা ধরা পড়েছে তারাই স্বীকার করেছে যে কিলিং মিশনে তারা অংশ নিয়েছে। অস্ত্র সরবরাহকারী ধরা পড়েছে। সেও স্বীকার করেছে এ হত্যাকা-ে সে অস্ত্র ভাড়ায় খাটিয়েছে।

অপরদিকে, যে বিষয়টি সবচেয়ে বেশি জনমনে ঘুরপাক খাচ্ছে তার কোন নিরসন হওয়ার লক্ষণ নেই। কে বা কারা ভাড়াটিয়া খুনী দিয়ে এ ধরনের চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটাল সে ব্যাপারে কোন বক্তব্য পুলিশ বা গ্রেফতারকৃতদের কাছ থেকে পাওয়া যাচ্ছে না। তবে সিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার দেবদাশ ভট্টাচার্য বার বার বলছেন, সকল আসামি গ্রেফতার হলে রহস্যের জট খুলে যাবে। কিন্তু ইতোমধ্যে চাউর হয়ে আছে সকল আসামি পুলিশেরই হেফাজতে আছে। তারা তাদের পরিকল্পনামাফিক প্রথমে দুজনকে গ্রেফতার দেখিয়েছে। এরপরে সোমবার রাতে ও মঙ্গলবার ভোরে আরও ২ জনকে গ্রেফতার দেখাল। গ্রেফতার অভিযানে এরপর কে ধরা পড়বে তাই এখন লক্ষণীয়। প্রশ্ন উঠেছে মুসাকে গ্রেফতার দেখানো হবে কিনা। পুলিশের সবচেয়ে বেশি বড় সোর্স হিসেবে পরিচিত এ মুসা ধুরন্ধর একজন সন্ত্রাসী। সে পুলিশের পাশাপাশি গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর সঙ্গেও সোর্স হিসেবে কাজ করে থাকে। এই মুসা বাবুল আক্তারেরও সবচেয়ে বিশ্বস্ত ও বড় সোর্স হিসেবে নিয়োজিত ছিল। সেই মুসাই মোটরসাইকেলযোগে কিলিং মিশনে অংশ নিয়েছে বলে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক পুলিশের সূত্রগুলো মিডিয়া কর্মীদের জানান দিচ্ছে। এ মুসা নবীকে নিয়ে মোটরসাইকেলযোগে কিলিং পয়েন্টে এসে ‘মিতু ভাবী’ বলে ডাক দেয় এবং ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেয়। এরপরই নবী উপর্যুপরি ছুরিকাঘাত করে। একপর্যায়ে মুসাও ছুরিকাঘাত করে। এরপর আসে রেকিতে থাকা ওয়াসিম। সে কিলিং স্পটে পৌঁছে গুলি করে মিতুকে হত্যা করেছে বলে পুলিশের কাছে স্বীকার করলেও আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দীতে বলেছে সে ফাঁকা গুলি করেছে। মিতুকে গুলি করেছে আনোয়ার। কিন্তু আনোয়ার বলেছে, ওয়াসিমই মূল শূটার। ঘটনা যাই হোক, পুলিশ সোর্স মুসার নেতৃত্বে এ কিলিং মিশন যে সম্পন্ন হয়েছে তা এখন পানির মতো পরিষ্কার এবং সে পুলিশ হেফাজতে রয়েছে বলে তথ্য রয়েছে। কিন্তু তাকে এখনও গ্রেফতার দেখানো হয়নি। আদৌ গ্রেফতারের জন্য চেষ্টা চলছে কিনা তাও প্রতীয়মান হচ্ছে না। তবে বলা হচ্ছে, যারাই জড়িত একে একে সবাইকে আইনের আওতায় আনা হবে।

এ অবস্থায় জনমনে সন্দেহ দিন দিন বেড়েই চলেছে। একটি চাঞ্চল্যকর হত্যাকা-ের ঘটনার ৯০ শতাংশ উদঘাটিত হয়েছে। শুধু কে এই বর্বর ঘটনাটি ঘটাল তা নিয়ে গ্রেফতারকৃতরা যেমন মুখ খুলছে না, তেমনি পুলিশ যে তথ্য উপাত্ত পেয়েছে তাতে এ ঘটনা কাদের দ্বারা ঘটানো হয়েছে তাও প্রকাশ করা হচ্ছে না। এর পাশাপাশি মিতুর স্বামী বাবুল আক্তারকে নিয়েও নানামুখী কথা প্রচার হয়েই চলেছে। শুধু তাই নয়, তাকে কেন তার শ্বশুরের বাসা থেকে ডেকে নিয়ে ১৬ ঘণ্টা ডিবি কার্যালয়ে রাখা হয়েছিল এবং তার কাছ থেকে কি বক্তব্য আদায় করা হয়েছে, তার চাকরি থাকছে কি থাকছে না বা তিনি চাকরি আর করবেন কিনা এসব নিয়ে নানা খবর মিডিয়ায় এবং অনলাইন পোটাল নিউজগুলোতে চাউর হচ্ছে। অথচ, মুসাকে গ্রেফতার করে তার বক্তব্য নিলেই প্রকাশ হয়ে যায় তাকে এ পরিকল্পনা কে বা কারা দিয়েছে এবং কেন দিয়েছে। কারা তাদের মিতুকে জঙ্গী নারী হিসেবে জানান দিয়েছে এবং হত্যার জন্য মোটা অঙ্কের অর্থের প্রলোভনে ফেলেছে। মুসা যদি পুলিশী হেফাজতে থাকে এবং তার বক্তব্য তদন্ত সংস্থাসহ অন্যান্য টিমের সদস্যরা গ্রহণ করে থাকে তাহলে এখানে লুকোছাপা করার কোন প্রয়োজন নেই বলে বোদ্ধা মহলের অভিমত। হত্যাকা- ঘটে না এমন কোন দেশ বা স্থান নেই। নামী দামীরাও হত্যাকা-ের যেমন শিকার হন এবং হত্যাকা-ের সঙ্গে জড়িতও থাকেনÑ এ ধরনের উদাহরণ ভুরি ভুরি। কিন্তু মিতু হত্যাকা-ের মূল হোতা কে বা কারা তা ঢাকা দেয়ার চেষ্টা হলে তা হবে বড় ধরনের ভুল। এতে আসল রহস্য উন্মোচিত হবে না। যা অজানাই থেকে যাবে জনমনে এবং সন্দেহ ও গুজবের ডালপালা কেবলই বাড়তেই থাকবে, যা কখনও কাম্য হতে পারে না।

প্রকাশিত : ২৯ জুন ২০১৬

২৯/০৬/২০১৬ তারিখের খবরের জন্য এখানে ক্লিক করুন

প্রথম পাতা



শীর্ষ সংবাদ: