১৮ নভেম্বর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট এই মাত্র  
Login   Register        
ADS

৮ পৌরসভার তফসিল ঘোষণা


স্টাফ রিপোর্টার ॥ চতুর্থধাপে নির্বাচনের জন্য দেশের ৮টি পৌরসভায় তফসিল ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন। তফসিল অনুযায়ী এসব পৌরসভায় আগামী ৭ আগস্ট ভোটগ্রহণ করা হবে। তফসিল ঘোষিত এসব পৌরসভায় নির্বাচনের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে সংশ্লিষ্ট জেলা নির্বাচন কর্মকর্তাদের নির্দেশনা দেয়া হয়েছে কমিশন থেকে।

ইসির তফসিল অনুযায়ী ৭ আগস্ট যেসব পৌরসভায় ভোটগ্রহণ করা হবে তার মধ্যে রয়েছে দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট, নীলফামারীর ডোমার, রংপুরের পীরগঞ্জ, পটুয়াখালীর গলাচিপা, নড়াইলের লোহাগড়া, টাঙ্গাইলের ঘাটাইল, বগুড়ার সোনাতলা ও পাবনার বেড়া পৌরসভা। সোমবার এসব পৌরসভায় মেয়র ও কাউন্সিলর পদের নির্বাচনের জন্য তফসিল ঘোষণা করা হয়। তফসিল অনুযায়ী এসব পৌরসভায় ভোট হবে দলীয় ভিত্তিতে। ফলে রাজনৈতিক দলের প্রার্থী হতে হলে দলের ক্ষমতাপ্রাপ্ত ব্যক্তি প্রত্যয়নপত্র থাকতে হবে। এর বাইরে স্বতন্ত্রভাবে যে কেউ প্রার্থী হতে পারবেন। স্বতন্ত্র প্রার্থীর জন্য কোন রাজনৈতিক দলের প্রত্যয়নপত্রের প্রয়োজন হবে না।

চতুর্থ ধাপের এই পৌরসভায় নির্বাচনে আগ্রহী প্রার্থীরা আগামী ১২ জুলাইয়ের মধ্যে তাদের মনোনয়নপত্র দাখিল করতে পারবেন। ১৪ জুলাই মনোনয়নপত্র বাছাই করা হবে। এছাড়া এ নির্বাচনে প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন ধরা হয়েছে ২২ জুলাই।

নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে ৮ পৌর সভায় ভোটগ্রহণ ছাড়াও একইদিনে মানিকগঞ্জের সিংগাইর পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর পদে ভোটগ্রহণ করা হবে। এছাড়াও কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচর ও শরীয়তপুরের নড়িয়া পৌরসভায় মেয়রের শূন্য পদে উপনির্বাচন হবে আগামী ৪ আগস্ট।

এর আগে গত ৩০ ডিসেম্বর সারাদেশে প্রথমবারের মতো দলীয়ভাবে ২২৭টি পৌরসভায় ভোটগ্রহণ করা হয়। ওই নির্বাচনে আওয়ামী লীগ ১৭৭ ও বিএনপি ২২টিতে মেয়র পদে জয় পায়। এছাড়া জাতীয় পার্টির একজন এবং স্বতন্ত্র ২৬ জন মেয়র নির্বাচিত হন। এর মধ্যে ১৮ জনই আবার আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে নির্বাচিত হন। দ্বিতীয় পর্বে গত ২০ মার্চ ১০ পৌরসভায় ভোটগ্রহণ করা হয়। এতে আওয়ামী লীগ সবকটি পৌরসভায় জয়লাভ করে। তৃতীয় পর্বে ২৫ মে ৯ পৌরসভায় ভোটগ্রহণ করা হয়। এতে সাতটিতে মেয়র পদে জয়ী হন আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থীরা। বাকি দুজন দলের বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে জয়লাভ করেন। কমিশন জানিয়েছে মেয়াদোত্তীর্ণ হওয়া, সীমানা ও মামলা জটিলতায় কিছু পৌরসভার নির্বাচন আটকে রয়েছে। বাধা কেটে গেলে বাকি পৌরসভায় যথাসময়ে ভোট হবে বলে ইসি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।

সম্পর্কিত:
পাতা থেকে: