২২ নভেম্বর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট এই মাত্র  
Login   Register        
ADS

আয়কর না দেয়ার সংস্কৃতি রাজস্ব আদায়ের পথে বড় অন্তরায়


অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ করযোগ্য আয় করার পরও আয়কর না দেয়ার সংস্কৃতি কাক্সিক্ষত রাজস্ব আদায়ের পথে বড় অন্তরায়। এ ছাড়া প্রয়োজনীয় লোকবল এবং সিস্টেমের অভাবে কাক্সিক্ষত রাজস্ব আদায় করা সম্ভব হচ্ছে না।

শনিবার ঢাকা চেম্বার অব কমার্স এ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই) মিলনায়তনে বাজেট বিষয়ক এক সংলাপে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সদস্য ফরিদ উদ্দিন এই তথ্য দেন। তিনি বলেন, পয়সাওয়ালাদের আয়কর না দেয়ার প্রবণতা রয়েছে। ফলে দেশে কাক্সিক্ষত রাজস্ব আদায় করা সম্ভব হচ্ছে না। একই সঙ্গে এনবিআরের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মাঠ পর্যায়ের করদাতাদের সঙ্গে যোগাযোগ করার জন্য প্রয়োজনীয় লোকবল নেই। সার্বিকভাবে আমাদের যেখানে চার হাজার লোক প্রয়োজন যেখানে সব মিলে লোক আছে দুই হাজার। তিনি আরও বলেন, আদালতের রায়ে ট্যাক্স ও ভ্যাট বিভাগে লোক নিয়োগ প্রায় ৩০ বছর বন্ধ থাকায় লোকবল সঙ্কট আরও প্রকট হয়। অন্তত তিন কোটি লোককে আয়করের আওতায় আনার জন্য আরও লোকবল এবং আইটিভিত্তিক অটোমেটেড ট্যাক্সাশন সিস্টেম জরুরী। কিন্তু ওই ক্ষেত্রে সমস্যার কারণে রাজস্বে লক্ষ্যমাত্রা পূরণ সম্ভব হয় না। জাতীয় অর্থনীতিতে ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোগের (এসএমই) অবদানের বিষয়ে এনবিআরের প্রাক্তন চেয়ারম্যান আব্দুল মজিদ বলেন, জাতীয় অর্থনীতিতে এসএমইর অবদান প্রায় ৯০ শতাংশ।

বাজারে মোটা চালের দাম বেড়েছে

অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ দাম বেশি হওয়ায় নাজিরশাইল, পারিজা ও মিনিকেটসহ অন্যান্য চিকন চাল অনেকটা নাগালের বাইরে রাজধানীর নিম্ন আয়ের মানুষের। বিপরীতে দামে সাশ্রয়ী হওয়ায় গুটিস্বর্ণা ও হীরাসহ সব ধরনের মোটা চালের বেশ চাহিদা রয়েছে, খেটে খাওয়া এসব মানুষের কাছে।

অথচ এ সপ্তাহে রাজধানীর পাইকারি বাজারে চিকন চালের দাম অপরিবর্তিত থাকলেও বেড়েছে সবধরনের মোটা চালের দাম। সরবরাহ সঙ্কটের অজুহাতে চিনির দাম ৩ থেকে ৪ টাকা বাড়িয়েছেন, বিক্রেতারা।

রাজধানীর বাজার অনেকটা রংধনুর মতো। প্রতিমুহূর্তে রং বদলায়। যেমন গেল সপ্তাহে নাজিরশাইল, পাইজাম ও মিনিকেটসহ চিকন চালের দাম বাড়লেও এ সপ্তাহে স্থিতিশীল রয়েছে। অথচ নিম্ন আয়ের মানুষের খাবার হিসেবে পরিচিত গুটিস্বর্ণা ও হীরাসহ সব ধরনের মোটা চালের দাম কেজিতে ৪ টাকা বেড়েছে। পর্যাপ্ত সরবরাহ থাকার পরও মোটা চালের দাম বাড়ার কোন সদুত্তর নেই, পাইকারদের কাছে।