২৪ নভেম্বর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট এই মাত্র  
Login   Register        
ADS

আবার বাড়ছে সোনার দাম


অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ সাত দিনের মাথায় আবারও সোনার দাম বাড়ল। আন্তর্জাতিক বাজারে দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় বাংলাদেশে সবেচেয়ে ভালমানের সোনার দাম প্রতি ভরিতে এক হাজার ২২৪ টাকা বেড়েছে।

নতুন মূল্য রবিবার থেকে কার্যকর হবে বলে শনিবার বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতির (বাজুস) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়। বাজুসের কার্যনির্বাহী কমিটির সভায় দাম বাড়ানোর এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

আন্তর্জাতিক বাজারে সঙ্গে সঙ্গতি রেখে দেশের বাজারে স্বর্ণের মূল্য নির্ধারণ করে বাজুস। সর্বশেষ গত ১৮ জুন সোনার দাম একই হারে বেড়েছিল। এ নিয়ে চলতি বছর সপ্তমবারের মতো সোনার দাম বাড়ছে। তবে গত ৩১ মে একবার সোনার দাম কমেছিল। রবিবার থেকে সবচেয়ে ভাল মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণ ৪৮ হাজার ৩৪৭ টাকা, ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনা ৪৬ হাজার ১৮৯ টাকা ও ১৮ ক্যারেটের সোনা প্রতি ভরি ৩৯ হাজার ৫৯৯ টাকায় বিক্রি হবে। সোনার দাম ভরিতে ২২ ক্যারেটে এক হাজার ২২৪ টাকা, ২১ ক্যারেটে এক হাজার ১৬৬ টাকা ও ১৮ ক্যারেটের ক্ষেত্রে ৯৯১ টাকা বেড়েছে। বর্তমানে ভরিপ্রতি এ দাম ২২ ক্যারেট ৪৭ হাজার ১২৩ টাকা, ২১ ক্যারেট ৪৫ হাজার ২৩ টাকা ও ১৮ ক্যারেট ৩৮ হাজার ৬০৮ টাকা।

রবিবার থেকে সনাতন পদ্ধতির প্রতিভরি স্বর্ণের দাম হবে ২৭ হাজার ৫২৭ টাকা, এ মানের স্বর্ণের বর্তমান দাম ২৬ হাজার ৮২৭ টাকা। এক্ষেত্রে দাম বেড়েছে ৭০০ টাকা। সোনার সঙ্গে রূপার (ক্যাডমিয়াম) দামও বেড়েছে। প্রতি ভরি রূপার দাম বর্তমানে এক হাজার ১৬৬ টাকা। রবিবার থেকে এ দাম বেড়ে হবে এক হাজার ২২৫ টাকা।

আন্তর্জাতিক জনসেবা দিবসে এনবিআরের পাঁচ প্রতিজ্ঞা

অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ আন্তর্জাতিক জনসেবা দিবস উপলক্ষে দেশের উন্নয়ন ও জনকল্যাণে সকলকে পাঁচটি প্রতিজ্ঞা করার আহ্বান জানিয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। প্রতিজ্ঞাগুলো হলো- সময়মতো যথাযথ আয়কর, শুল্ক ও ভ্যাট পরিশোধ করা; কোন ক্ষেত্রেই মিথ্যা ঘোষণা বা কর ফাঁকি না দেয়া, বন্ড সুবিধার অপব্যবহার না করা, মেলার পরিবেশে সারা বছর সবাই কাজ করা এবং সরকারের সকল উন্নয়ন কর্মকা-ে সকলের অংশীদার হওয়া। বৃহস্পতিবার দিবসটি উপলক্ষে এনবিআরের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এই প্রতিজ্ঞা করার আহ্বান জানানো হয়। জনসেবা দিবসে রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে সার্বিক সহযোগিতার জন্য করদাতাদের অভিনন্দন জানিয়ে এনবিআরের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, সারাদেশে রাজস্ব পরিশোধের ইতিবাচক মনোভাব গড়ে উঠতে দেখে এনবিআর উৎসাহ বোধ করছে। সকল মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও সংস্থা, স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান, বেসরকারী প্রতিষ্ঠান এবং একাডেমিক ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান রাজস্ব প্রদান ও রাজস্ব বিষয়ক আলোচনায় অধিকতর মনোনিবেশ করায় আমরা আনন্দিত। বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ সম্পদ সংগ্রহের চিত্র পর্যালোচনায় প্রতিষ্ঠানটি বলছে, ১৯৭২-৭৩ অর্থবছরে এনবিআর কর্তৃক রাজস্ব সংগ্রহের পরিমাণ ছিল মাত্র ১৬৬ (একশ ছেষট্টি) কোটি টাকা।