১৬ ডিসেম্বর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট এই মাত্র  
Login   Register        
ADS

শহীদ জননী জাহানারা ইমামের মৃত্যুবার্ষিকী আজ


স্টাফ রিপোর্টার ॥ আজ ২৬ জুন। শহীদ জননী জাহানারা ইমামের ২২তম মৃত্যুবার্ষিকী। ১৯৯৪ সালের এই দিনে না ফেরার দেশে পাড়ি জমান মুক্তিযুদ্ধের চেতনার এই অগ্রণী সৈনিক। মুক্তিযোদ্ধার গর্বিত মা, বিশিষ্ট সাহিত্যিক ও সংগঠক এই মহীয়সী নারীর নেতৃত্বেই গত শতকের নব্বইয়ের দশকে গড়ে ওঠে যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের আন্দোলন। ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির ব্যানারে করা সেই আন্দোলনই আজ এগিয়ে যাচ্ছে চূড়ান্ত লক্ষ্যের দিকে। চলছে মানবতাবিরোধী হিসেবে আখ্যায়িত যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের কাজ।

আজ রবিবার সকাল ৮টায় মিরপুরে শহীদ জননী জাহানারা ইমামের সমাধিতে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে দিনের কর্মসূচী শুরু করবে ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটি। মুক্তিযুদ্ধের চেতনার মশাল জ্বালানো অসীম সাহসী এই নারীর প্রয়াণবার্ষিকী উপলক্ষে বিকেল ৪টায় ধানম-ির ডব্লিউভিএ মিলনায়তনে জাহানারা ইমাম স্মারক বক্তৃতা ও আলোচনা সভার আয়োজন করেছে একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটি। এছাড়া অনুষ্ঠানে প্রদান করা হবে জাহানারা ইমাম স্মৃতি পদক।

‘একাত্তরের গণহত্যার আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি এবং পাকিস্তান’ শীর্ষক জাহানারা ইমাম স্মারক বক্তৃতা প্রদান করবেন সেন্টার ফর দ্য স্টাডি অব জেনোসাইড এ্যান্ড জাস্টিসের পরিচালক মুক্তিযুদ্ধ গবেষক মফিদুল হক। এ বছর যুদ্ধাপরাধীদের বিচার এবং মুক্তিযুদ্ধের চেতনা প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের জন্য প্রতি বছরের মতো এ বছরও বরেণ্য ব্যক্তিত্ব ও সংগঠনকে ‘জাহানারা ইমাম স্মৃতিপদক’ প্রদান করা হবে। এ বছর ব্যক্তি হিসেবে সব্যসাচী লেখক সৈয়দ শামসুল হক ও মুক্তিযুদ্ধ গবেষক মফিদুল হককে এবং সংগঠন হিসেবে ‘জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়’কে জাহানারা ইমাম স্মৃতিপদক প্রদান করা হবে।

বিকেলের অনুষ্ঠানে সূচনা বক্তব্য রাখবেন একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি সাংবাদিক শাহরিয়ার কবির। নির্মূল কমিটির অন্যতম উপদেষ্টা বিচারপতি সৈয়দ আমিরুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখবেনÑ উদীচী শিল্পীগোষ্ঠীর সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা সাংবাদিক কামাল লোহানী, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক হারুন-অর-রশিদ, বাংলাদেশ ইতিহাস সম্মিলনীর সভাপতি অধ্যাপক মুনতাসীর মামুন ও নির্মূল কমিটির সহসভাপতি শহীদজায়া শ্যামলী নাসরিন চৌধুরী।