১৯ অক্টোবর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট এই মাত্র  
Login   Register        
ADS

কারা বিদ্রোহসহ বড় নাশকতা ঘটানোর আশঙ্কা


শংকর কুমার দে ॥ দেশের কারাগারগুলোতে যে কোন সময় বন্দী বিদ্রোহ, বন্দী হত্যা, বন্দী পলায়নসহ বড় ধরনের নাশকতামূলক ঘটনা ঘটাতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছে গোয়েন্দা সংস্থা। এ ধরনের ঘটনা ঘটাতে পারে কারাগারে সাজাপ্রাপ্ত বিজিবি সদস্য, যুদ্ধাপরাধী, জেএমবি, হুজি, হিযবুত তাহরীর, আনসারুল্লাহ বাংলা টিম, মৃত্যদ-াদেশপ্রাপ্ত বন্দী কিংবা শীর্ষ সন্ত্রাসীরা। গোয়েন্দা সংস্থার পক্ষ থেকে এই ধরনের প্রতিবেদন দেয়া হয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে। গোয়েন্দা সংস্থার এই প্রতিবেদন পাওয়ার পর দেশের সব কারাগারে জারি করা হয়েছে রেড এলার্ট।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, গোয়েন্দা সংস্থা ও কারাগার সূত্রে জানা গেছে, দেশের ৬৮ কারাগারে ৭০ সহস্রাধিক বন্দী রয়েছে। এর মধ্যে ১ হাজার ৪৮ জন ফাঁসির দ-াদেশপ্রাপ্ত। জঙ্গী বন্দীর সংখ্যা ৬৬৫, এদের ২১ জন ফাঁসির দ-াদেশপ্রাপ্ত জঙ্গী। কারাগারগুলোর মধ্যে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার ও কাশিমপুর কারাগারে সাজাপ্রাপ্ত বিজিবি সদস্য, যুদ্ধাপরাধী, জেএমবি, হুজি, হিজবুত তাহরীর, আনসারুল্লাহ বাংলা টিম, শ্রেণীপ্রাপ্ত হাজতি, মৃত্যু দ-াদেশপ্রাপ্ত বন্দী, শীর্ষ সন্ত্রাসী হাজতিসহ দুর্ধর্ষ বন্দী রয়েছে ৭ সহস্রাধিক। কারাবন্দীরা কারা অভ্যন্তরে অসন্তোষ ও নাশকতামূলক ঘটনা ঘটানোর চেষ্টা করছে এবং বন্দী জঙ্গী, দুর্ধর্ষ সন্ত্রাসী ও গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের আদালতে আনানেয়ার ক্ষেত্রে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটাতে পারে। এ জন্যই দেশের কারাগারগুলোতে সর্বোচ্চ সতর্কতা জারি করা হয়েছে।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, ক্রমাগত বাড়ছে দেশের সব কারাগারে বন্দীও ফাঁসির আসামির সংখ্যা। এর মধ্যে দেশব্যাপী সাঁড়াশি অভিযানে বন্দীর সংখ্যা বেড়ে গিয়ে ধারণ ক্ষমতার তিনগুণ হয়েছে। এ ছাড়াও ফাঁসির দ-াদেশ আসামি বাড়লেও কার্যকর হচ্ছে না ফাঁসির রায়। মূলত আদালতে ডেথ রেফারেন্স মামলার জট থাকায় ঝুলে আছে মৃত্যুদ- রায় কার্যকরের আদেশ। কবে নাগাদ এসব মামলার জট খুলবে তাও কেউ বলতে পারছে না। ফলে বিপুলসংখ্যক ফাঁসির আসামি নিয়ে বিপাকে কারা কর্তৃপক্ষ। এসব আসামির মধ্যে জঙ্গীরাও রয়েছে। আশঙ্কা করা হচ্ছে, সাধারণ বন্দীদের সঙ্গে মিলে ফাঁসির দ-প্রাপ্ত আসামিরা কারাগারের ভেতরে বড় ধরনের নাশকতা চালাতে পারে। সম্প্রতি একটি গোয়েন্দা সংস্থার পক্ষ থেকে এ আশঙ্কার কথা জানানো হয়েছে।

২০০৫ সালের ১৭ আগস্ট সারাদেশে জেএমবির সিরিজ বোমা হামলার পর ওই জঙ্গী সংগঠনের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে সাড়ে ৩শ’ মামলা হয়। এর মধ্যে দু’শতাধিক মামলার রায় দিয়েছেন আদালত। এসব রায়ে সারাদেশে ৫৪ জেএমবি জঙ্গী মৃত্যুদ-াদেশপ্রাপ্ত। তার মধ্যে মাত্র ৬ জঙ্গীর ফাঁসি কার্যকর হয়েছে। এছাড়া ২০০১ সালে ২২৩, ২০০০ সালে ১৬৭, ১৯৯৯ সালে ১৫৪ এবং ১৯৯৮ সালে ১২৪ জনের ফাঁসির রায় কার্যকর হয়। এর পর আর কোন ফাঁসির রায় কার্যকর করা হয়নি। ফলে এ পরিস্থিতিতে কারাগারগুলোতে ফাঁসির আসামির সংখ্যা বেড়েই চলেছে। শুধু তাই নয়,

মৃত্যুদ-প্রাপ্ত আসামির রায় কার্যকর না হওয়ায় তারা সাধারণ বন্দীদের সঙ্গে অবাধে মেলামেশা করার সুযোগ পাবে। বিশেষ করে বিপুলসংখ্যক মৃত্যুদ-াদেশপ্রাপ্ত জঙ্গী সাধারণ বন্দীদের সাথে মিলে কারা অভ্যন্তরে যে কোন সময় বড় ধরনের নাশকতা ঘটানোর আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। জঙ্গীরা কারা অভ্যন্তরে নিজেদের মধ্যে শলাপরামর্শ করে থাকে। তাছাড়া প্রতিনিয়ত তাদের স্বজনরাও কারাগারে দেখা করতে আসছেন। বিশেষ করে হুজির শীর্ষ নেতা মুফতি হান্নান ও আইডিপি চেয়ারম্যান আবদুস সালামের সাথে তা অনুসারীরা দেখা করে বিভিন্ন দিকনির্দেশনা নিয়ে আসছে বলেও গোয়েন্দাদের কাছে তথ্য রয়েছে। এ পরিস্থিতিতে কারাকর্তৃপক্ষ কারাগারে ফাঁসির দ-প্রাপ্ত আসামিদের নিয়ে বেশ বিপাকে রয়েছে।

কারাগার সূত্র মতে, উচ্চ আদালতে মৃত্যুদ-প্রাপ্ত আসামিদের করা আপীল ঝুলে আছে বছরের পর বছর। কবে নাগাদ এসব আপিল নিষ্পত্তি হবে তা কেউ নিশ্চিত করে বলতে পারছেন না। তাছাড়া নিম্ন আদালত থেকে কোন আসামিকে ফাঁসির আদেশ দেয়ার পর ওই আসামির মৃত্যুদ- সঠিকভাবে যাচাই করার জন্য উচ্চ আদালতে ডেথ রেফারেন্স হিসেবে পাঠানো হয়। কিন্তু ডেথ রেফারেন্স উচ্চ আদালতে আসার পর অধিকাংশ ক্ষেত্রেই দেখা যায় ডেথ রেফারেন্স মামলার পেপার বুক তৈরিতে বিলম্ব হচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় সংখ্যক বেঞ্চ না থাকায় এসব মামলা দীর্ঘসূত্রতায় পড়ছে এবং আদালতে মামলার স্তূপ জমছে। মূলত এসব কারণেই আসামিদের ডেথ রেফারেন্স আপীলের শুনানি করা সম্ভব হচ্ছে না। এ ছাড়াও সাধারণ বন্দীদের সঙ্গে রাখলে জঙ্গীরা তাদের প্রভাবিত করার চেষ্টা করে। নিজেদের আদর্শের কথা প্রচার করে মগজ ধোলাই করে ওরা অন্যদেরও দলে ভেড়াতে চায়। এমনকি এক কক্ষে থেকে এসব জঙ্গী নিজেদের মধ্যে বৈঠক করে বাইরের জঙ্গীদের সঙ্গে যোগাযোগের মাধ্যমে নানা কৌশল আঁটে। বিষয়টি কারা কর্তৃপক্ষ জানে। এর ভয়াবহতাও বোঝে। কিন্তু পর্যাপ্ত জায়গার অভাবে কারাগারে এসব জঙ্গীকে আলাদা কক্ষে রাখা সম্ভব হচ্ছে না।

গোয়েন্দা সূত্র জানায়, কারাগারে বসে জঙ্গীরা বৈঠক করে থাকে এবং বাইরের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করে যার প্রমাণ পেয়েছে গোয়েন্দা সংস্থা। সম্প্রতি হরকত-উল-জিহাদ আল ইসলামী বাংলাদেশের (হুজিবি) শীর্ষ নেতা মাঈন উদ্দিন ওরফে আবু জান্দাল ওরফে মাসুম বিল্লাহ ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার থেকেই তাঁর অনুসারী মাওলানা মাইনুল ইসলাম ওরফে মাহিম ওরফে নানা ওরফে বদিউলকে একটি চিঠি পাঠান। চিঠিটি উদ্ধার করেছিল র‌্যাব। চিঠিতে উল্লেখ রয়েছে, ‘আমি বিশ্বস্ত সূত্রে জানতে পেরেছি, জেলখানা থেকে আমরা মোবাইলে যত কথা বলে থাকি, সব গোয়েন্দা সংস্থার লোকজন শুনে থাকে। জিহাদী ও সাথীদের কোন বিষয় মোবাইলে আলাপ করবা না। আমরা জেল থেকে বের হওয়ার ইচ্ছা করছি। আর এ কাজে আপনাকে ও হাবিবকে কাজে লাগাব বলে ভাবছি। আপনারা রাজি থাকলে কী করতে হবে পরে চিঠি দিয়ে জানাব। ব্যাপারটি আপনারা দু’জন ছাড়া আর কেউ যেন না জানে। এমনকি লেলিন ভাইও নয়। তাকে যদি বলতে হয়, আমি বলব। কারণ তাকে মোবাইলে বলতে গেলে খুবই ক্ষতিকর হবে। আপনারা রাজি কি না, তা জানতে আমি শুধু আপনাকে জিজ্ঞাসা করব। হাবিবের সঙ্গে কখন মোবাইলে কথা বলবেন না। যত দেরি হোক, দেখা করে সরাসরি কথা বলবেন। গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো আমার সঙ্গে চিঠি দিয়ে শেয়ার করবেন। একটি কাগজের ব্যাগের নিচে আঠা দিয়ে চিঠি রাখবেন। পরে ব্যাগে কিছু একটা দিয়ে কোন উকিল বা ড্রাইভারের কাছে দেবেন। যেমন আজ আমি দিয়েছি। আমাদের এই কোর্টে বিভিন্ন বিভাগের গোয়েন্দা থাকে। তাই ওই দিনের মতো ইশারা বা সরাসরি কথা না বলা চাই।’

এ বিষয়ে র‌্যাবের এক কর্মকর্তার দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে তিনি জানান, জান্দালের চিঠি পাওয়ার পর তদন্ত করা হয়েছিল। জঙ্গীরা কোথায় কী করছে, সে বিষয়ে আমরা খোঁজখবর রাখছি।’ এক কারা কর্মকর্তা জানান, জঙ্গীদের আদালতে নিয়ে যাওয়ার সময় এ ধরনের চিঠি দিয়ে থাকতে পারে। কারাগার থেকে দেয়ার সুযোগ নেই। তবে স্বাভাবিকভাবেই বন্দীদের সঙ্গে ১৫ দিন পর পর স্বজনদের সাক্ষাতের সুযোগ রয়েছে। সেটি জঙ্গীদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য। তবে সম্প্রতিক জঙ্গীবাদের বিস্তােেরর ঘটনায় আটক জঙ্গীদের সঙ্গে স্বজনদের সাক্ষাতের বিষয়ে কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছে। মা-বাবা ও ভাইবোন ছাড়া অন্য কাউকে সাক্ষাতের সুযোগ দেয়া হচ্ছে না। আর পরিবারের সদস্য পরিচয়ে সাক্ষাতপ্রার্থীদেরও জাতীয় পরিচয়পত্র দেখে নিশ্চিত হয়ে সাক্ষাতের সুযোগ দেয়া হচ্ছে।

এ ছাড়াও কাশিমপুর কারগার থেকে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করে বাইরের জঙ্গীদের সঙ্গে যোগাযোগ করে জেএমবির জঙ্গীরা। তারপর ২০১৪ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি সকাল দশটার দিকে ঢাকা-ময়মনসিংহ রোডের ত্রিশালের সাইনবোর্ড এলাকায় প্রকাশ্যে দিবালোকে প্রিজনভ্যানে গুলি চালিয়ে ও বোমা মেরে জঙ্গী মামলার তিন আসামিকে ছিনিয়ে নেয়ার ঘটনা ঘটায়। বাইরের জঙ্গীরা ছিনিয়ে নেয় জেএমবির ৩ জঙ্গী হচ্ছে রাকিব হাসান ওরফে হাফেজ মাহমুদ ওরফে রাসেল, সালাউদ্দিন ওরফে সজীব ওরফে তৌহিদ ও মিজান ওরফে বোমা মিজান ওরফে জাহিদুল হাসান সুমন। ছিনিয়ে নেয়া এই তিন আসামিই নিষিদ্ধঘোষিত জঙ্গী সংগঠন জেএমবির সদস্য। এর মধ্যে দিনের বেলা ছিনতাই করে নেয়ার পর রাতের বেলায় বন্দুকযুদ্ধে নিহত হয়েছে রাকিব হাসান ওরফে হাফেজ মাহমুদ ওরফে রাসেল। ছিনতাই করে নেয়া অপর দুই জঙ্গী এখনও পলাতক। জঙ্গী ছিনিয়ে নেয়ার ঘটনার সময়ে প্রিজনভ্যানের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা এক পুলিশ কর্মকর্তাকে হত্যা ও অপর পুলিশ কর্মকর্তাদের আহত করা হয়।

গোয়েন্দা সূত্র মতে, জঙ্গী গোষ্ঠীর ধারাবাহিক অপতৎপরতা কারাকর্তৃপক্ষকে দুশ্চিন্তায় ফেলে। কারাগারের বাইরে টার্গেট কিলিং বা গুপ্তহত্যার শিকারে পরিণত হয়েছে অর্ধ শতাধিক লেখক, প্রকাশক, ব্লগার, শিক্ষক, ধর্মযাজক, পুরোহিত, হিন্দু, খ্রীস্টান, বিদেশী, ভিন্নমতাবলম্বী। এর আগে বিশিষ্ট ব্যক্তিকে হত্যার হুমকি দিয়েছে জঙ্গীরা। জঙ্গীদের হত্যার হুমকির তালিকায় রয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা এইচ টি ইমাম, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি অধ্যাপক ড. আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিকী, ডাক ও টেলিযোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম, অসীম কুমার উকিল, গণজাগরণ মঞ্চের মুখপাত্র ডা. ইমরান এইচ সরকার, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক কাবেরী গাইন, বিকাশ সাহা, ইকবালুর রহিম, পল্টন সুতার, অধ্যাপক ড. জাফর ইকবাল, অধ্যাপক ড. এ কে আজাদ চৌধুরী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান, ভোরের কাগজ সম্পাদক শ্যামল দত্ত, ড. আবু এমডি দেলোয়ার হোসেন, শমী কায়সার, আবু মুছা এম মাসুদুজ্জামান, জাকারিয়া মাসুদ, ড. এ এম আমজাদ, ড. এমডি আকতারুজ্জামান, আবেদ খান, সৈয়দ আনোয়ার হোসেন, শাহরিয়ার কবির, মফিদুল হক, তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু, নাসির উদ্দিন বাচ্চু, রামেন্দু মজুমদার, নবনীতা চৌধুরী, কামাল পাশা চৌধুরী, শাহীন রেজা নূর, গণজাগরণ মঞ্চের সংগঠক মাহমুদুর হক মুন্সী বাঁধন, নাজমুল আলম সিদ্দিকী, বাপ্পাদিত্য বসু, সৈয়দ হাসান ইমাম, কানিজ আকলিমা সুলতানা, এফ এম শাহীন, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক আরাফাত, ব্লগার আরিফ জেবতিক, সুশান্ত দাশগুপ্ত, ভাস্কর ফেরদৌসী প্রিয়ভাষিণী, আবদুর রহমান, উদীচী শিল্পীগোষ্ঠীর মকবুল হোসেন, ব্লগার আরিফুর রহমান, অমি রহমান পিয়াল, হুমায়ুন আজাদের ছেলে অনন্য আজাদ, মারুফ রাসেল, ব্লগার নির্ঝর মজুমদার, ড. আতিক, আশফাক আনুফ, নুরনবী দুলাল, মোকতেল হোসেন মুক্তি, শাহীন রাকিব, রাকিবুল বাশার রাকিব, আবদুল লতিফ সিদ্দিকী, আবদুল গাফফার চৌধুরী, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউটর এ্যাডভোকেট রানা দাশগুপ্ত, প্রিমিয়ার ইউনিভার্সিটির ভিসি অনুপম সেন প্রমুখ।

গোয়েন্দা সংস্থার এক কর্মকর্তা বলেন, বর্তমানে দেশের মধ্যে ঘটে যাওয়া টার্গেট কিলিং বা গুপ্তহত্যা, জঙ্গী গোষ্ঠীর খুন, হুমকি প্রদান, ভয়াবহ অপতৎপরতা, যুদ্ধাপরাধীদের বিচার ও রায় কার্যকর, বিএনপি ও জামায়াত-শিবিরের দেশ-বিদেশে ষড়যন্ত্রসহ নানা ধরনের ঘটনায় কারাভ্যন্তরের বন্দীদের কাজে লাগানো হতে পারে বলে আশংকার কথা জানিয়েছে গোয়েন্দা সংস্থা। গোয়েন্দা সংস্থার প্রতিবেদন দেয়ার পর দেশের কারাগারগুলোতে রেড এলার্ট জারি করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

সর্বাধিক পঠিত:
পাতা থেকে: