১৫ ডিসেম্বর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট এই ঘন্টায়  
Login   Register        
ADS

জিজ্ঞাসাবাদ শেষে ৮ জনকে ঢাকায় প্রেরণ


স্টাফ রিপোর্টার, চট্টগ্রাম অফিস ॥ চট্টগ্রামে এসপি বাবুল আক্তার পতœী মাহমুদা খানম মিতুর চাঞ্চল্যকর হত্যাকাণ্ডে অংশগ্রহণকারী ও পরিকল্পনাকারী সকলেই আটক হয়েছে। সিএমপির দামপাড়া পুলিশ লাইনে কঠোর নিরাপত্তাধীনে এদের সকলকে একে একে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে কাউন্টার টেররিজম ইউনিট, পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন, তদন্ত সংস্থা ডিবি, র‌্যাব, সিআইডি ও আইজির নির্দেশে গঠিত আলাদা ৫টি কমিটির সদস্যরা। গত প্রায় এক .

সপ্তাহ ধরে এদের জিজ্ঞাসাবাদ করে ইতোমধ্যে ঢাকায় ডিবিতে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে কিলিং মিশনে অংশগ্রহণকারী তিনজনসহ ৮ জন রয়েছে। কিলিং মিশনে অংশগ্রহণকারী তিনজন হচ্ছে মুসা, নবী ও ওয়াসিম। এদের মধ্যে মুসা মোটরসাইকেল চালিয়েছে। নবী মিতুকে উপর্যুপরি ছুরিকাঘাত করেছে। ওয়াসিম গুলি করে মিতুর মৃত্যু নিশ্চিত করেছে। গত ৫ জুন নগরীর জিইসি মোড় এলাকায় এ নৃসংশ হত্যাকা-ের ঘটনা ঘটে।

কেন এ হত্যাকাণ্ড ॥ মিতুর হত্যাকা-ের তদন্ত নিয়ে জড়িত কর্মকর্তারা মুখ খুলছেন না। অসমর্থিত সূত্রে বহু তথ্য পাওয়া যাচ্ছে। কিন্তু পুলিশ কর্মকর্তাদের কেউ এসব ঘটনা নিয়ে বক্তব্য দিতে নারাজ। সিএমপি কমিশনার ইকবাল বাহার গত বৃহস্পতিবার থেকে ঢাকায় রয়েছেন। হত্যাকা-ের তদন্ত কর্মকাণ্ড মনিটরিংয়ের দায়িত্বে নিয়োজিত ডিআইজি (ক্রাইম) মোঃ জহিরুল ইসলাম ও পিবিআইয়ের ডিআইজি বনজ কুমার মজুমদার আটককৃতদের বক্তব্য ও তথ্য উপাত্ত নিয়ে ঢাকায় ফিরে গেছেন। আটককৃতদের বক্তব্য ভিডিওতে ধারণ করা হয়েছে। তাদের বক্তব্য নিয়ে যেসব তথ্য পাওয়া গেছে তা সরকারীভাবে নিশ্চিত না করা পর্যন্ত সঠিক বলে গ্রহণ করা যায় না। বক্তব্য এসেছে এটা টার্গেট কিলিং এতে কোন সন্দেহ নেই। তবে কেন করা হলো তা স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দী ছাড়া গ্রহণযোগ্য নয়।

অপরদিকে, শুক্রবার রাতে বাবুল আক্তারকে বাসা থেকে ডিবি অফিসে নিয়ে যাওয়া হয়। এরপর চাউর হয়ে যায় তাকে স্ত্রী হত্যায় গ্রেফতার করা হয়েছে। কিন্তু বিকেল ৪টায় ছেড়ে দেয়ার পর তিনি নিজেই বক্তব্য দিয়েছেন, ‘কে বলেছে তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে।’ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল সাংবাদিকদের বলেছেন, এ হত্যাকা-ের তদন্তের সুবিধার্থে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাকে ডিবিতে নেয়া হয়েছে। এ অবস্থায় হত্যাকা-ের ২০ দিন সময় অতিবাহিত হওয়ার পরও মিতু হত্যাকা- রহস্যাবৃত রয়ে গেছে।