২৩ অক্টোবর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট এই মাত্র  
Login   Register        
ADS

ঝুঁকিতে আব্দুর রব সেরনিয়াবাত সেতু


স্টাফ রিপোর্টার, বরিশাল ॥ আব্দুর রব সেরনিয়াবাত সেতু ঝুঁকির মুখে পড়েছে। সেতুর মূল পিলারের সেভ গার্ড ভেঙ্গে গেছে। এমনকি সেতুর নিচে কোন সঙ্কেত বাতিও নেই। ফলে ঝুঁকি নিয়ে চলছে নৌযান। প্রায় এক বছর আগের এ ঘটনা ক’দিন আগে দৃশ্যমান হওয়ায় তোলপাড় শুরু হয়েছে। এ অবস্থায় যে কোন সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা করেছে সংশ্লিষ্টরা। ইতোমধ্যে জেলা প্রশাসক ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে বিভাগীয় উন্নয়ন সমন্বয় সভায় সেতুটির সংস্কারের জন্য জরুরীভিত্তিতে ব্যবস্থা নেয়ার জন্য সওজকে তাগিদ দিয়েছেন।

এ সেতুর ওপর দিয়ে প্রতিদিন ঢাকা-বরিশাল-কুয়াকাটা মহাসড়কে শত শত ভারি যানবাহন চলাচল করছে। আর সেতুর নিচ দিয়ে প্রতিদিন বৃহৎ জাহাজ ও লঞ্চ চলাচল করে। এ অঞ্চলের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ এ সেতুটির দেখভালে শুরু থেকেই গাফিলতি দেখা দেয়। স্থানীয়দের তথ্যমতে, প্রায়ই সেতুর উপরের বাতি থাকে না। নিচের সঙ্কেত বাতি কয়েক বছর ধরে নেই। এক বছর আগে কার্গোর ধাক্কায় একটি সেভ গার্ড ভেঙ্গে যায়। এতদিন তা পানির নিচে থাকায় ধরা পড়েনি। চলতি সপ্তাহে এটি নজরে আসায় সর্বত্র হৈচৈ পড়ে যায়। জেলা প্রশাসক ড. গাজী মোঃ সাইফুজ্জামান গত রবিবার সেতুর নিচ পরিদর্শন করেন। এ বিষয়ে জেলা প্রশাসক ড. গাজী মোঃ সাইফুজ্জামান বলেন, সেতুর নিচ পরিদর্শন করে বিষয়টি সোমবারের বিভাগীয় উন্নয়ন সমন্বয় সভায় উপস্থাপন করা হয়েছে। এর প্রেক্ষিতে সভার সভাপতি বিভাগীয় কমিশনার মোঃ গাউস তাৎক্ষণিক সড়ক ও জনপথের কর্মকর্তাদের সেতুর নিরাপত্তা নিশ্চিতে নির্দেশ দিয়েছেন। বরিশাল সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী অধিদফতর সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন আগে একটি কার্গোর ধাক্কায় গার্ডারটি ভেঙ্গে যায়। তবে তা দৃশ্যমান ছিল না। হঠাৎ করেই এখন দেখা যাচ্ছে। সূত্রটি আরও জানিয়েছে, সেতুর নিচে সঙ্কেত বাতিও নেই। এগুলো সংস্কারের জন্য শীঘ্রই ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

রাজবাড়ীতে দু’জনের ফাঁসি একজনের যাবজ্জীবন

স্কুলছাত্র হত্যা

নিজস্ব সংবাদদাতা, রাজবাড়ী, ১৮ মে ॥ স্কুলছাত্র রিফাতকে অপহরণের পর মুক্তিপণ না পেয়ে হত্যার দায়ে দুইজনকে ফাঁসি ও একজনের যাবজ্জীবন কারাদ- দিয়েছে আদালত। বুধবার দুপুরে রাজবাড়ীর অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ ওসমান হায়দার এ রায় ঘোষণা করেন। ফাঁসির দ-প্রাপ্তরা হলো রাজবাড়ী শহরের সজ্জনকান্দা গ্রামের রণজিৎ সরকারের ছেলে রঞ্জন ও একই গ্রামের রাসেল। মামলার অপর আসামি চরনারায়ণপুর গ্রামের আব্দুল মালেক শেখের ছেলে রনিকে যাবজ্জীবন কারাদ- প্রদান করে। নিহত রিফাত রাজবাড়ী সদর উপজেলার মিজানপুর ইউনিয়নের চরনারায়ণপুর গ্রামের মোক্তার আলীর ছেলে ও রাজবাড়ী কিন্ডার গার্টেনের পঞ্চম শ্রেণীর ছাত্র ছিল। মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০১৩ সালের ৬ নবেম্বর রঞ্জন, রনি ও ফয়সাল স্কুলছাত্র রিফাতকে কৌশলে স্কুল থেকে বাড়ি ফেরার পথে অপহরণ করে নিয়ে যায়। এরপর ১৫ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে। মুক্তিপণ না পেয়ে রিফাতকে হত্যা করে সজ্জনকান্দা গ্রামের ভৈরব শীলের ল্যাট্রিনের সেপটিক ট্যাংকিতে লুকিয়ে রাখে।