২২ নভেম্বর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট ৬ ঘন্টা পূর্বে  
Login   Register        
ADS

স্বাস্থ্যমন্ত্রীর সঙ্গে মালি ও নাইজারের মন্ত্রীর বৈঠক


বিশেষ প্রতিনিধি ॥ স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বর্তমান সরকারের সময়ে বাংলাদেশ স্বাস্থ্য খাতে ব্যাপক অগ্রগতি অর্জন করেছে। জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেয়ার সাফল্যের কারণে দেশে মা ও শিশু মৃত্যু হার উল্লেখযোগ্য হারে কমেছে। এই অর্জনের জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে জাতিসংঘ থেকে দুইবার পুরস্কৃত করা হয়েছে। দেশের পরিবার পরিকল্পনা কার্যক্রমে গতিশীলতা আসলেও দুই তিনটি অঞ্চলের পিছিয়ে পড়াকে ভবিষ্যতে বিশেষভাবে মূল্যায়ন করা হবে বলে তিনি জানান।

মঙ্গলবার সচিবালয়ে বাংলাদেশ সফররত মালি ও নাইজার-এর মন্ত্রীসহ আফ্রিকা মহাদেশের সাহেল দেশসমূহের প্রতিনিধিবৃন্দের সঙ্গে বৈঠককালে স্বাস্থ্যমন্ত্রী এ কথা বলেন। বৈঠকে বাংলাদেশের স্বাস্থ্য, শিক্ষাসহ বিভিন্ন খাতের অর্জনকে বিশ্বের অনেক দেশের জন্য শিক্ষণীয় বলে মন্তব্য করেন মালি ও নাইজার-এর মন্ত্রীসহ আফ্রিকা মহাদেশের সাহেল দেশসমূহের প্রতিনিধিবৃন্দ।

আফ্রিকার দেশসমূহের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক অত্যন্ত বন্ধুত্বপূর্ণ ও সহযোগিতামূলক বলে জানিয়ে মোহাম্মদ নাসিম বলেন, বাংলাদেশের শান্তিরক্ষা কার্যক্রমের সদস্যবৃন্দ আফ্রিকার অনেক দেশে শান্তিরক্ষা ছাড়াও দেশ পুনর্গঠনে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখায় বাংলাদেশকে সেই সব দেশে যথেষ্ট মর্যাদাবান রাষ্ট্র হিসেবে সম্মানিত করা হয়। বাংলাদেশ ও সাহেল দেশসমূহের স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়নে দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা বাড়ানোর ওপর তিনি এ সময় গুরুত্বারোপ করেন।

মালি ও নাইজার-এর মন্ত্রীসহ আফ্রিকা মহাদেশের সাহেল দেশসমূহের প্রতিনিধিগণ বাংলাদেশের পরিবার পরিকল্পনা কার্যক্রমের বিভিন্ন হাসপাতাল ও কেন্দ্র পরিদর্শন করেন এবং তৃণমূল পর্যায়ে সেবা প্রত্যক্ষ করেন।

মালির জনসংখ্যা ও আঞ্চলিক পরিবারমন্ত্রী সামবেই বানা এবং নাইজার-এর জনসংখ্যা মন্ত্রী রাকিয়াতু ক্রিস্টিল কাফা জাকু এই প্রতিনিধি দলে নেতৃত্ব দিচ্ছেন।

নার্স নেতৃবৃন্দের সঙ্গে বৈঠক ॥ পরে মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে বাংলাদেশ গ্রাজুয়েট বেকার নার্স সোসাইটি (বিজিবিএনএস) এবং বাংলাদেশ ডিপ্লোমা বেকার নার্সেস এ্যাসোসিয়েশন (বিডিবিএনএ) প্রতিনিধিদের সঙ্গে স্বাস্থ্যমন্ত্রী মতবিনিময় করেন। এ সময় তিনি নার্স নেতৃবৃন্দের দাবি মনোযোগ দিয়ে শোনেন। পরে তিনি বলেন, সরকার নার্সদের প্রতি সহানুভূতিশীল। জ্যৈষ্ঠতার ভিত্তিতে সরকারী চাকরিতে নার্সদের নিয়োগের দাবি সরকার সহানুভূতিশীলতার সঙ্গে বিবেচনা করছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে আলোচনা করে তাদের দাবির বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়ার আশ্বাস দেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। এ সময় তিনি নার্সিং পেশাকে দ্বিতীয় শ্রেণীর মর্যাদায় উন্নীতকরণে প্রধানমন্ত্রীর আন্তরিক আগ্রহের কথা স্মরণ করে বলেন, নার্সদের মর্যাদা বাড়ানোর পাশাপাশি দ্রুত ১০ হাজার নার্স নিয়োগ দিয়ে বেকার নার্সদের কর্মসংস্থানের উদ্যোগও নিয়েছে বর্তমান সরকার। তিনি বলেন, ৩ হাজার ৬০০ নার্স নিয়োগ ত্বরান্বিত করতে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অনুরোধের প্রেক্ষিতে পাবলিক সার্ভিস কমিশন শুধু বহুনির্বাচনী প্রশ্ন ও মৌখিক পরীক্ষার মাধ্যমে নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে সম্মতি প্রদান করেছে।

সম্পর্কিত:
পাতা থেকে: