২৫ নভেম্বর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট ৮ ঘন্টা পূর্বে  
Login   Register        
ADS

আইএসকে চ্যালেঞ্জের পরিকল্পনা, সিরিয়ার পথে আল কায়েদা


পাকিস্তানে আল কায়েদার শীর্ষ নেতৃত্ব সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে, সিরিয়াতেই সন্ত্রাসী সংগঠনটির ভবিষ্যত অন্তর্নিহিত রয়েছে এবং এজন্য সংগঠনটি গোপনে দলের সবচেয়ে দক্ষ এক ডজনেরও বেশি নেতাকে সিরিয়ায় পাঠানো হয়েছে। সিনিয়র মার্কিন ও ইউরোপীয় গোয়েন্দা ও সন্ত্রাসদমন কর্মকর্তারা এ কথা জানিয়েছেন। পাকিস্তানে এক দশক ধরে সিআইএ’র ড্রোন হামলায় আল কায়েদা অত্যন্ত দুর্বল হয়ে পড়েছে।

সিনিয়র কায়েদা নেতাদের এমন পদক্ষেপে সন্ত্রাসী সংগঠনটির জন্য সিরিয়ার প্রতি ক্রমবর্ধমান গুরুত্বই প্রতিফলিত হয়েছে এবং সম্ভবত মধ্যপ্রাচ্য ভিত্তিক জঙ্গী সংগঠন ইসলামিক স্টেটের (আইএস) সঙ্গে আল কায়েদার রক্তাক্ত দ্বন্দ্বের তীব্রতাবৃদ্ধির পূর্বাভাসও এটি। সিরিয়ায় বিকল্প সদরদফতর তৈরির প্রক্রিয়া শুরু করতে এবং আল কায়েদার সিরীয় শাখা নুসরা ফ্রন্টের সহায়তায় একটি সম্ভাব্য আমিরাত প্রতিষ্ঠায় ভিত্তি স্থাপন করতে বলেছে সংগঠনটির নেতারা। এটি হবে আল কায়েদা ও তার শাখার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন। এমন পরিবর্তন যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের জন্য সন্ত্রাসী হুমকির ঝুঁকিও বাড়িয়ে দিতে পারে। আল কায়েদা কর্মীরা বছরের পর বছর ধরেই সিরিয়ায় আসা-যাওয়া করছে। সংগঠনটির শীর্ষ নেতা আয়মান আল- জাওয়াহিরি নুসরা ফ্রন্টকে সহায়তার জন্য ২০১৩ সালে কয়েকজন সিনিয়র জিহাদীকে সিরিয়ায় প্রেরণ করেন। এর এক বছর পরে জাওয়াহিরি খোরাসান নামে আল কায়েদার একটি ছায়া সেলকে সিরিয়ায় পাঠান। মার্কিন কর্মকর্তারা বলেছেন, এই সেলটি পশ্চিমা দেশগুলোতে হামলার পরিকল্পনা করেছে। তবে ২০১৪ সালের সেপ্টেম্বরে সিরিয়ার উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে আট দফা মার্কিন বিমান হামলায় খোরাসান নেতা মোহসিন আল ফাদলিসহ কয়েকজন কর্মী নিহত হয়। আল কায়েদা যদি সিরিয়ায় তাদের অবস্থান আরও পোক্ত করতে পারে তাহলে তাদের জন্য অমূল্য সুযোগ অপেক্ষা করছে বলে পশ্চিমা বিশ্লেষকরা জানিয়েছেন। -ইন্টারন্যাশনাল নিউইয়র্ক টাইমস