২২ নভেম্বর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট ৮ ঘন্টা পূর্বে  
Login   Register        
ADS

বন্ধু হারাচ্ছেন শারাপোভা!


স্পোর্টস রিপোর্টার ॥ রাশিয়ান টেনিস সুন্দরী মারিয়া শারাপোভা কেমন আছেন? খবরটা এখন আর নেয়ার আগ্রহ নেই কারও। টেনিস কোর্ট থেকে দূরে থাকতে হচ্ছে, সঙ্গে সঙ্গে অনেক পরিচিতজনদের কাছ থেকেও। শুধু টেনিস নয়, বিশ্ব বাণিজ্যেও অন্যতম আকর্ষণ তিনি নানাবিধ পণ্যের মডেল হিসেবে। কিন্তু এখন আর কিছুই নেই। সবকিছু থেকে বিচ্ছিন্ন তিনি। কারণ গত মার্চে সংবাদ সম্মেলনে অস্ট্রেলিয়ান ওপেনের আগে ড্রাগ টেস্টে পজিটিভ হওয়ার কথা স্বীকার করেছেন এবং সে কারণে এখন সাময়িক নিষেধাজ্ঞার খড়গ ঝুলছে তার ওপর। এ কারণে সব হারিয়েছেন এবং টেনিস জগতের খুব কম মানুষই তার পক্ষ নিয়েছে, অধিকাংশই বিরুদ্ধাচরণ করে শাস্তি দাবি করেছেন। এ কারণে সাবেক টেনিস তারকা ও কিংবদন্তি ক্রিস এভার্ট মনে করছেন নিজের সবচেয়ে ভাল বন্ধুটিকেও হারাবেন শারাপোভা। কারণ অন্য সময়গুলোতেও টেনিস জগতে সমসাময়িক খেলোয়াড়দের সঙ্গে দূরত্ব বজায় রেখে চলতেন এ রুশ স্বর্ণকেশী। আর এখন এ পরিস্থিতিতে পড়ে সবচেয়ে সেরা বন্ধুটিকে হারিয়ে ফেলাও অসম্ভব নয় বলে মনে করছেন এভার্ট।

বিশ্ব বিখ্যাত ক্রীড়াসামগ্রী নির্মাতা প্রতিষ্ঠান, গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ও আরও অন্য অনেক বিশ্বসেরা বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান বিপণনে প্রসারের জন্য বিশ্বের সাবেক এক নম্বরই শারাপোভাকে ব্র্যান্ড এ্যাম্বাসেডরের মর্যাদা পর্যন্ত দিয়েছিল। কিন্তু সংবাদ সম্মেলনে নিজে যখন নিষিদ্ধ ড্রাগ নেয়ার কথা স্বীকার করলেন তখন থেকে সবকিছু হারাতে শুরু করলেন মাশা। বিশ্ব ডোপবিরোধী প্রতিষ্ঠান (ডব্লিউএডিএ) তার সরবরাহকৃত রক্তের নমুনায় নিষিদ্ধ মেলডোনিয়াম শনাক্ত করে। এ বছর ২৬ জানুয়ারি নিজের রক্তের সেই নমুনা দিয়েছিলেন মাশা। ওই মাসেরই ১ তারিখে মেলডোনিয়ামকে নিষিদ্ধ ড্রাগের তালিকায় যুক্ত করে ডব্লিউএডিএ। কিন্তু নিজের শারীরিক সমস্যার কারণে ২০০৬ থেকেই মেলডোনিয়াম নিতে হয়েছে শারাপোভাকে। মেলডোনিয়াম নেয়ার স্বীকারোক্তিটা দিয়েও তিনি সমালোচনা ও ভর্ৎসনার স্বীকার হয়েছেন।

অনেকেই দাবি করেছেন নৈপুণ্য বর্ধন করে ও রক্তে উদ্দীপনা জাগায় সেটা জেনেশুনেই দারুণ চালাকি করে মেলডোনিয়াম সেবন করেছেন শারাপোভা। ব্র্যান্ড এ্যাম্বাসেডরের মর্যাদাগুলো হারান তিনি। অধিকাংশই শাস্তি দাবি করেন। এসব কারণে এখন অন্তরালে চলে গেছেন শারাপোভা। সাময়িক নিষেধাজ্ঞাটাও ১ বছরের জন্য কার্যকর হয়েছে গত ১২ মার্চ থেকে। সেটি করেছে ইন্টারন্যাশনাল টেনিস ফেডারেশন (আইটিএফ)। অনেকেই শারাপোভার ওপর ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেছেন রাশিয়ান সুন্দরী সব সময়ই ছিলেন উদ্ধত, অহঙ্কারী এবং সবার কাছ থেকে দূরে। এবার সেটা এভার্ট নিজেও দাবি করলেন।

তিনি মনে করছেন কোর্টে থাকতে অন্য খেলোয়াড়দের সঙ্গে বন্ধুত্ব হয়নি এবং দূরে থেকেছেন শারাপোভা। আর এখন নিকটতম বন্ধুদের কাছ থেকেও সরে থাকার কারণে ক্রমেই তাদেরও হারাতে চলেছেন এ রাশিয়ান

টেনিস

সেনসেশন।

সর্বাধিক পঠিত:
পাতা থেকে: