২৩ অক্টোবর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট এই মাত্র  
Login   Register        
ADS

যৌতুক না পেয়ে গৃহবধূকে নির্যাতন ॥ স্বামী গ্রেফতার


নিজস্ব সংবাদদাতা, নওগাঁ, ১৬ মে ॥ রাণীনগরে যৌতুকের দাবিতে স্বামী ও স্বজনরা মিলে গৃহবধূ জেমি আক্তারকে মারপিট করে মাথার চুল কেটে দিয়েছে। এ ঘটনায় সোমবার সকালে স্বামীসহ তিন জনকে আসামি করে থানায় মামলা দায়ের করলে পুলিশ স্বামী টিটুকে গ্রেফতার করে আদালতে পাঠিয়েছে। জানা গেছে, পশ্চিম বালুভরা গ্রামের জিন্নাহ আলীর মেয়ে জেমি আক্তারের সঙ্গে একই গ্রামের সায়ের আলীর ছেলে টিটুর ৬ বছর আগে বিয়ে হয়। সেই সময় যৌতুক হিসেবে কিছু টাকা নিলেও আরও যৌতুকের দাবিতে জেমিকে চাপ দিতে থাকে। এরই মধ্যে তাদের সংসারে সানিয়া ও মরিয়ম নামে দুটি কন্যা সন্তান জন্ম নেয়। জেমির বাবা তার মেয়ের সংসারে সুখ-শান্তির জন্য কিছু টাকা জামাই টিটুকে দেয়। কিন্তু এর পরও মেয়ের ওপর নির্যাতন দিনদিন বেড়েই চলে। এরই ধারাবাহিকতায় চলতি মাসের ২ তারিখ রাতে জেমির স্বামী ও তার বোন রঙ্গিলা বেগম বেধড়ক মারপিট করে বাবার বাড়ি থেকে টাকা নিয়ে আসার কথা বলে বাড়ি থেকে বের করে দেয় জেমিকে। আহত জেমি বাবার বাড়িতে একটু সুস্থ হলে খবর পেয়ে টিটু ও তার আত্মীয়রা শনিবার সন্ধ্যায় শ্বশুর বাড়িতে গিয়ে আপোস-মীমাংসার কথা বলে কৌশলে জেমিকে নিয়ে আসে। রাতেই স্বামী ও তার স্বজনরা মিলে জেমিকে মারপিট করে মাথার চুল কাঁচি দিয়ে কেটে দেয়। এ ব্যাপারে গৃহবধূ জেমি আক্তার বাদী হয়ে স্বামী টিটু, শ্বশুর ও ননদকে আসামি করে সোমবার সকালে থানায় মামলা দায়ের করে।

শিক্ষকের নির্যাতন

স্টাফ রিপোর্টার, কুড়িগ্রাম থেকে জানান, মাদ্রাসা শিক্ষককের অমানুষিক নির্যাতনের শিকার হয়ে হেফজ শাখার শিশু শিক্ষার্থী এখন হাসপাতালে। নির্মম এ ঘটনাটি ঘটেছে সোমবার উলিপুর উপজেলার তবকপুর ইউনিয়নের কাটাখালিপাড় আনারুল সুন্নাহ হাফিজিয়া মাদ্রাসায়।

জানা গেছে, হেফজ শাখার আবাসিক শিক্ষার্থী ওজায়ের রবিবার বিকেলে বাড়ি থেকে আসার সময় ভুলে তার বাবার মোবাইল সেটটি নিয়ে আসে। বিষয়টি শিক্ষক হাফেজ নূর মোহাম্মদ জানতে পেরে তাকে ডেকে নেয়। মোবাইল ব্যবহার নিষিদ্ধ বলে ক্ষিপ্ত হয়ে ওই শিক্ষক উপর্যুপরি তাকে নির্দয়ভাবে বেত্রাঘাত করে। বেত্রাঘাতে তার দুই পা, হাত ও পিঠে মারাত্মক জখম হয়।