২০ নভেম্বর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট ৮ ঘন্টা পূর্বে  
Login   Register        
ADS

চীনের বাজারে শুল্কমুক্ত সুবিধা চান ব্যবসায়ীরা


অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ চীনের বাজারে পণ্য রফতানিতে শুল্কমুক্ত সুবিধা চেয়েছে ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন দ্য ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স এ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (এফবিসিসিআই)। পাশাপাশি বাণিজ্য ঘাটতি কমাতে চীনের প্রতি বিনিয়োগ বাড়ানোর আহ্বান জানায় সংগঠনটি।

সোমবার রাজধানীর মতিঝিলে ফেডারেশন ভবনের কনফারেন্স রুমে চীনের ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদের সঙ্গে এফবিসিসিআইয়ের আলোচনা সভায় এ দাবি জানান বাংলাদেশী ব্যবসায়ীরা। এফবিসিসিআই সভাপতি আবদুল মাতলুব আহমাদের নেতৃত্বে সংগঠনের প্রথম সহ-সভাপতি সফিউল ইসলাম মহিউদ্দিন, সহ-সভাপতি মাহবুবুল আলমসহ পরিচালনা পর্ষদের কয়েকজন সদস্য এ সভায় অংশ নেন। অন্যদিকে চীনের ইয়ুনান প্রদেশের সিনিয়র এ্যাডভাইজার জং মিয়ানের নেতৃত্বে ওই প্রদেশের ছয় সদস্যের এক প্রতিনিধি দল সভায় অংশ নেয়। এ সময় দ্বি-পাক্ষিক বাণিজ্য সম্প্রসারণ প্রসঙ্গে আলোচনা করেন বাংলাদেশ ও চীনের ব্যবসায়ী প্রতিনিধিরা। চীনের আসন্ন কুনমিং ট্রেড ফেয়ারে বাংলাদেশী পণ্য প্রদর্শনীর জন্য কমপক্ষে ২০ স্টল বরাদ্দ চায় এফবিসিসিআই।

সংগঠনের সভাপতি আবদুল মাতলুব আহমাদ বলেন, বাংলাদেশ একটি সম্ভাবনাময় অর্থনৈতিক অঞ্চল। এদেশে অনেক সম্ভাবনাময় খাত রয়েছে। এখানে বিনিয়োগের মাধ্যমে ব্যবসা বাড়াতে পারে চীন। এ সময় বাংলাদেশে বিনিয়োগ বাড়ানোর আগ্রহ প্রকাশ করেন জং মিয়ান। সভা শেষে মাতলুব আহমাদ সাংবাদিকদের জানান, বাংলাদেশের আমদানি পণ্যের অধিকাংশ বাজারই চীনের দখলে। দীর্ঘদিন ধরে দেশটির সঙ্গে ব্যবসা বাণিজ্য চললেও তাদের কাছ থেকে বিশেষ কোন সুবিধা পাচ্ছি না। তাই আগামীতে আমাদের পণ্য চীনের বাজারে সরবরাহের ক্ষেত্রে শুল্কমুক্ত সুবিধা চাওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, আসন্ন কুনমিং ফেয়ারে অংশগ্রহণের বিষয়ে আলোচনা করতে চীনের এ প্রতিনিধি দল বাংলাদেশে এসেছে। দেশটির অন্যতম বৃহৎ এ বাণিজ্য মেলায় স্বতঃফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করি আমরা। সাধারণত ওই মেলায় দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর জন্য একটি বড় প্যাভিলিয়ন দিলেও এবার দুটি প্যাভিলিয়ন দেয়া হবে বলে জানিয়েছেন তারা। ওই প্যাভিলিয়নে এফবিসিসিআই সদস্যদের জন্য কমপক্ষে ২০টি স্টল চেয়েছি। বিষয়টি বিবেচনায় নিয়েছেন তারা।

ওয়েস্টার্ন চীনের সঙ্গে আমাদের ব্যবসা-বাণিজ্যের অনেক ফারাক রয়েছে উল্লেখ করে মাতলুব আহমাদ বলেন, বাংলাদেশে বিনিয়োগ বাড়াতে আগ্রহী ওই অঞ্চলের ব্যবসায়ীরা। ওই অঞ্চলের উদ্যোক্তাদের আমাদের সঙ্গে ব্যবসা বাড়াতে নির্দেশনার পাশাপাশি প্রয়োজনীর সহায়তা দেয়ার কথাও জানিয়েছে চীন সরকার। সুযোগটা কাজে লাগানোর চেষ্টা করছি আমরা।

প্রসঙ্গত, চীনে বাংলাদেশের যেসব পণ্য রফতানি হয় তার মধ্যে রয়েছে- চামড়াজাত পণ্য, তৈরি পোশাক, পাট ও পাটজাত পণ্য, প্লাস্টিক পণ্য, হোম টেক্সটাইল, সিরামিক পণ্য ইত্যাদি।