মেঘলা, তাপমাত্রা ৩১.১ °C
 
২১ সেপ্টেম্বর ২০১৭, ৬ আশ্বিন ১৪২৪, বৃহস্পতিবার, ঢাকা, বাংলাদেশ
সর্বশেষ

ছোটবেলার গুরুই সাকিবকে ভালো বোঝেন

প্রকাশিত : ১৬ মে ২০১৬, ১২:২০ পি. এম.
ছোটবেলার গুরুই সাকিবকে ভালো বোঝেন

অনলাইন ডেস্ক॥ ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের (আইপিএল) নবম আসরেও অংশগ্রহণ করেছেন বাংলাদেশের বিশ্বখ্যাত অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান। ২০১১ সাল থেকেই তিনি এ টুর্নামেন্টে খেলে আসছেন। এ নিয়ে টানা ষষ্ঠবারের মতো খেলছেন তিনি। সাকিব প্রতিবারই শাহরুখ খানের দল কলকাতা নাইট রাইডার্সের (কেকেআর) হয়ে প্রতিনিধিত্ব করেন। কেকেআর এ অবধি দু’বার শিরোপা জয় করেছে। আর সে দু’বারই জয়ের পেছনে সাকিব গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছে।

সাকিব এবার টুর্নামেন্টে প্রথম কয়েকটি ম্যাচে দলের একাদশে সুযোগ পাননি। এরপর মাঠে নামলেও সেভাবে নিজেকে মেলে ধরতে পারেননি। তাই একাদশে আসা যাওয়ার মধ্যেই ছিলেন তিনি। এরই মাঝখানে তিনি ঢাকায় এসে তার ছোটবেলার কোচ সালাউদ্দিনের সঙ্গে দেখা করে যান। পরের ম্যাচেই তাকে নিজের স্বরূপে জ্বলে উঠতে দেখা যায়।

গুরুর সঙ্গে দেখা করেই ফর্মে ফেরাটা অনকে কাছেই রহস্য হয়ে আছে এখনো। কি এমন মন্ত্র তাকে দিয়েছেন সালাউদ্দিন যে ফিরেই সাকিব বাজিমাত করেছেন।

সোমবার আইপিএলে ৪৮তম ম্যাচে কেকেআর মুখোমুখি হবে বিরাট কোহলির দল রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর। তার আগেই সাকিব আনন্দবাজারে একটি সাক্ষাৎকার দিয়েছেন। সেখানে তিনি অনেক কথার মাঝেই জানালেন তার ফর্মে ফেরার রহস্য।

কেকেআর শিবিরে জ্যাক ক্যালিস, সাইমন কাটিচ, ওয়াসিম আকরামের মতো এত অভিজ্ঞ সব কোচ থাকতেও সাকিবকে কেন সালাউদ্দিনের কাছেই যেতে হলো? এমন প্রশ্নের জবাবে সাকিব বলেন, ‘সে রকম কিছু নয়। ওখানে (ঢাকা) গেলে ওর সঙ্গে কথা বললে কিছুটা আত্মবিশ্বাস বাড়বে। বাড়িতে দু’দিন সময় কাটনোর প্রয়োজন ছিল। দুটো কাজই হলো।’

সমস্যার কথা জানাতে গিয়ে সাকিব বলেন, ‘সমস্যা যতটা না টেকনিক, তারচেয়েও বেশি ছিল মানসিক। আসলে আত্মবিশ্বাসটা মাঝে মাঝে কমে যায়। এতদিন খেলার পর তো টেকনিক্যাল সমস্যা হবার কথা নয়। মানসিকতাতেই হয়। এরকম সময় অনেকক্ষণ ধরে ব্যাটিং করার সুযোগ পেলে ব্যাটিংয়ের ফ্লো-টা বাড়ে। কনফিডেন্সও বাড়ে।’

কি এমন বললেন সালাউদ্দিন যে ব্যাটিংটাই খুলে গেল? এর পরিপ্রেক্ষিতে সাকিব জানান, বেশিরভাগই মানসিক শক্তি বাড়ানো নিয়ে কথা হয়েছে। এছাড়া কিছু ছোটখাটো টেকনিক্যাল মেরামতি তো ছিলই। তবে আসল হচ্ছে ওটাই। যার সঙ্গে কথা বললে ভালো লাগে, কমফর্ট অনুভব করি, তার থেকে পরামর্শ নিলে ভালো ফল পাওয়া যায়। এর আগেও ভাল ফল পেয়েছি।

তাই বলে যে সাকিব কেকেআরের কোচদের সঙ্গে কমফোর্ট নন, তা নয়। তিনি এ বিষয়ে বলেন, ‘এর মানে এই নয় যে, আমি এখানে (কেকেআর) কমফোর্ট নই। আসলে আমার ক্রিকেটের শুরু থেকে উনি আমাকে দেখে আসছেন। তাই স্বাভাবিকভাবেই উনি আমাকে আরও ভালো জানবেন। আমার সমস্যাগুলো আরও ভালো বোঝেন। সেজন্যই ওর কাছে যাওয়া। কাটিচ, ক্যালিসরা তো আমাকে ছোটবেলা থেকে চেনেন না। ওদের পক্ষে আমার সমস্যাগুলো স্যারের মতো করে বোঝা সম্ভব নয়।’

প্রকাশিত : ১৬ মে ২০১৬, ১২:২০ পি. এম.

১৬/০৫/২০১৬ তারিখের খবরের জন্য এখানে ক্লিক করুন


শীর্ষ সংবাদ: