২১ ফেব্রুয়ারী ২০১৮, ৯ ফাল্গুন ১৪২৪, বুধবার, ঢাকা, বাংলাদেশ
 
সর্বশেষ

সারাদেশে সুপারশপে ধর্মঘট

প্রকাশিত : ১৬ মে ২০১৬

অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে জেল-জরিমানার প্রতিবাদে সুপারশপগুলোতে পণ্য বিক্রি বন্ধ রেখেছেন মালিকরা। বাংলাদেশ সুপার মার্কেট ওনার্স এ্যাসোসিয়েশনের ডাকে রবিবার সকাল থেকে চেইন সুপারশপগুলো বন্ধ রয়েছে।

সকালে ঢাকার গুলশান, মগবাজার, ধানম-ি, মিরপুরসহ বিভিন্ন এলাকা ঘুরে স্বপ্ন, মীনাবাজার, আগোরা, প্রিন্স বাজারসহ অন্যান্য সুপারশপের আউটলেটগুলো বন্ধ পাওয়া যায়। রামপুরার বনশ্রীতে ১ ও ৬ নম্বর সড়কে স্বপ্ন’র দুটি শাখা বন্ধ রয়েছে। একটি বাইরে থেকে তালাবন্ধ থাকলেও অপরটিতে তালা লাগিয়ে ভেতরে অবস্থান করছিলেন কর্মচারীরা। মগবাজারে আগোরা, পাশের ওয়্যারলেস গেটে স্বপ্ন এবং দিলু রোডে মীনাবাজারের আউটলেটগুলো তালাবন্ধ। বাইরে বড় ব্যানারে ধর্মঘট ও এর জন্য দুঃখপ্রকাশের নোটিস টাঙ্গানো দেখা গেছে। সুপার মার্কেট ওনার্স এ্যাসোসিয়েশনের মহাসচিব জাকির হোসেন শনিবার রাতে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই কর্মসূচীর কথা জানিয়েছিলেন। ধর্মঘটের কারণ হিসেবে ওই বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সুপার মার্কেটগুলো নিরাপদ খাদ্যের ব্যাপারে ‘দৃশ্যমান ভূমিকা’ রাখলেও ভ্রাম্যমাণ আদালতের পাশাপাশি পুলিশ- র‌্যাব গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে নিয়মিত অভিযান চালিয়ে ‘অবৈজ্ঞানিক’ পদ্ধতিতে খাদ্য পরীক্ষার প্রেক্ষিতে তাদের জরিমানা করছে।

হঠাৎ করে বিক্রি বন্ধ রাখার কর্মসূচীতে যাওয়ার কারণ জানতে চাইলে চেইন শপ স্বপ্ন’র নির্বাহী পরিচালক সাব্বির হাসান নাসির বলেন, ‘আমরা দীর্ঘদিন ধরে অহেতুক হয়রানি বন্ধের জন্য সরকারের সংশ্লিষ্টদের অনুরোধ জানিয়ে আসছি। তারপরও এটা বন্ধ না হওয়ায় আমরা এ সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হয়েছি।’ তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই ধর্মঘটের পর সুপারশপগুলোতে আরও বেশি করে অভিযান চালানো উচিত। অন্যথায় তাদের মেয়াদ উত্তীর্ণ ও পচা খাবার বিক্রির পরিমাণ আরও বেড়ে যাবে। ধর্মঘট করলেই তারা জবাবদিহিতার উর্ধে চলে যেতে পারে না।

প্রকাশিত : ১৬ মে ২০১৬

১৬/০৫/২০১৬ তারিখের খবরের জন্য এখানে ক্লিক করুন


শীর্ষ সংবাদ: