২১ নভেম্বর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট এই মাত্র  
Login   Register        
ADS

জাতীয় ফুটবল দলের ক্যাম্পে ইনজুরির মিছিল


স্পোর্টস রিপোর্টার ॥ এএফসি এশিয়ান কাপের প্লে-অফ রাউন্ডে খেলবে বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দল। আগামী ২ ও ৭ জুন তাদের খেলতে হবে প্রতিপক্ষ তাজিকিস্তানের বিরুদ্ধে। এই ম্যাচকে কেন্দ্র করেই এখন চলছে জাতীয় দলের অনুশীলন ক্যাম্প। ইতোমধ্যেই পুরনো ডাচ কোচ লোডভিক ডি ক্রুইফকে আবারও হেড কোচ হিসেবে ফিরিয়ে আনার সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত করে ফেলেছে ন্যাশনাল টিমস ম্যানেজমেন্ট কমিটি। বাফুফের ভাষ্যমতে ক্রুইফ আসছেন আগামী ১৬ মে। তবে ক্রুইফ জানিয়েছেন তার আসতে ২-১ দিন দেরি হবে।

শনিবার বিকেলে জাতীয় ফুটবল দলের অনুশীলন করার কথা ছিল বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে। কিন্তু দুপুরে প্রবল বর্ষণ হলে মাঠ অনুশীলনের অনুপযোগী হয়ে পড়ে। ফলে জাতীয় ফুটবল দলের অনুশীলনের ব্যবস্থা করা হয় বাফুফে আর্টিফিসিয়াল টার্ফে। ৩৬ জনের প্রাথমিক স্কোয়াডের ৩৩ ফুটবলার ছিলেন টার্ফে। রুবেল মিয়া, মোনায়েম খান রাজু এবং আতিকুর রহমান মিশু পায়ের চোটের কারণে অনুশীলন করতে পারেননি। বাকিদের অনুশীলন করান দলের সহকারী কোচ সাইফুল বারী টিটু।

শনিবার দলের সঙ্গে অনুশীলনে যোগ দেন মাজহারুল ইসলাম হিমেল, কেষ্ট কুমার বোস, মোহাম্মদ লিংকন। জামাল ভুঁইয়া এখনও ফেরেননি ডেনমার্ক থেকে। ফরোয়ার্ড রুবেল মিয়া বলেন, শুক্রবার অনুশীলন করতে গিয়ে হ্যামস্ট্রিংয়ে চোট পাই। ডাক্তার বলেছেন দুই তিন দিন লাগবে সেরে উঠতে।

ডিফেন্সিভ মিডফিল্ডার মোনায়েম খান রাজু : শেখ জামালের হয়ে এএফসি কাপের ম্যাচ খেলতে গিয়ে ফিলিপিন্সির সেরেসের সঙ্গে হ্যামস্ট্রিংয়ে চোট পান। সে চোট এখনও সারেনি। ডিফেন্ডার আতিকুর রহমান মিশু বলেন, ‘পুরনো চোট আবারও নতুন করে পেয়েছি। বুট পরলে গোড়ালিতে প্রচ- ব্যথা অনুভূত হয়। এজন্য ডাক্তার বলেছেন, একটু বড় আকারের বুট পরতে। সেটাই চেষ্টা করছি। চোট না সারলে জাতীয় দল তো বটেই, ক্লাব পর্যায়েই খেলা কঠিন হয়ে যাবে। ক্যারিয়ারই পড়ে যাবে হুমকির মুখে। এই চোট নিয়েও ইচ্ছে করলে খেলতে পারি। কিন্তু তাতে করে মাঠে শতভাগ দেয়া মুশকিল। আমি জাতীয় দলের সঙ্গে কোন প্রতারণা করতে চাই না।’

এদিকে শাস্তি মওকুফের আবেদন করে জাতীয় দলে মামুনুল ইসলাম এবং সোহেল রানা অনুশীলনে ফিরলেও এখন ক্ষমা চেয়ে বাফুফের কাছে আবেদন করেননি ডিফেন্ডার ইয়াসিন খান এবং উইঙ্গার জাহিদ হোসেন। জানা গেছেÑ ইয়াসিন খান আর জাতীয় দলে খেলতে চান না। কারণ তিনি নিজেকে নির্দোষ মনে করেন। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘আমি কোন অপরাধ করিনি যে আমাকে ক্ষমা চাইতে হবে। আমি ক্ষমা চাইবো না।’ এদিকে জাহিদের বাবা অসুস্থ থাকায় তাকে নিয়ে ব্যস্ত জাহিদ এখনও আবেদন করার সময় পাননি। তবে তিনি জানিয়েছেন খুব শীঘ্রই তিনি বাফুফের কাছে ক্ষমা চেয়ে লিখিত আবেদন জানাবেন।

শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগে মাস তিনেক আগে চার ফুটবলারকে নিষিদ্ধ করেছিল তারা। বৃহস্পতিবার তাদের মধ্যে দুজনের ওপর আরোপিত সেই নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করে দেশীয় ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা। এরা হলেন: মামুনুল ইসলাম এবং সোহেল রানা। শৃঙ্খলাভঙ্গের জন্য তারা নিষেধাজ্ঞার কবলে পড়েছিলেন এক বছরের জন্য।

সম্পর্কিত:
পাতা থেকে: