২৩ নভেম্বর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট ৪ ঘন্টা পূর্বে  
Login   Register        
ADS

ভেনিজুয়েলায় জরুরী অবস্থা জারি মাদুরোর


ভেনিজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো শুক্রবার রাতে রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে দেয়া এক ভাষণে দেশজুড়ে ৬০ দিনের জরুরী অবস্থা জারি করেন। ওপেকভুক্ত কয়েকটি দেশ ও যুক্তরাষ্ট্র তার বামপন্থী সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করার ষড়যন্ত্র করছে বলে অভিযোগ করে এ ঘোষণা দেন। জরুরী অবস্থা ঘোষণা করা হলেও এর আওতায় নেয়া পদক্ষেপ সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু জানাননি মাদুরো। গত বছর কলম্বিয়ার সীমান্তবর্তী রাজ্যগুলোতে জরুরী অবস্থা ঘোষণা করেছিলেন তিনি। সে সময় ওই এলাকাগুলোর জন্য সংবিধানের মানবাধিকার সংক্রান্ত ঘোষণাগুলো বাদে অন্যান্য প্রতিশ্রুতি স্থগিত করা হয়েছিল। শুক্রবার সকালে মার্কিন গোয়েন্দা কর্মকর্তারা সাংবাদিকদের জানিয়েছিলেন, তারা ভেনিজুয়েলার অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিকভাবে ভেঙ্গে পড়া নিয়ে উদ্বিগ্ন হয়ে উঠছেন এবং মাদুরো তার মেয়াদ সম্পূর্ণ করতে পারবেন না বলে ধারণা করছেন। ভেনিজুয়েলার বিরোধীদল দেশে বিরাজমান গভীর সঙ্কটকে সামনে রেখে মাদুরোর বিরুদ্ধে অনাস্থা ভোটের ডাক দেয়ার চেষ্টা করছে। দেশটিতে খাদ্য ও ওষুধের অভাব দেখা দিয়েছে, বিদ্যুত ব্যবস্থা বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে, ব্যাপক মুদ্রাস্ফীতির মধ্যে লুটপাটের মতো ঘটনা ছড়িয়ে পড়ছে। কিন্তু সাবেক শ্রমিক নেতা ও বাসচালক ৫৩ বছর বয়সী প্রেসিডেন্ট মাদুরো নিজের মেয়াদ পুরো করার বিষয়ে অনড় রয়েছেন। তার বিরুদ্ধে অভ্যুত্থান করার গোপন চেষ্টার জন্য তিনি যুক্তরাষ্ট্রকে অভিযুক্ত করেছেন। ব্রাজিলের বামপন্থী প্রেসিডেন্ট দিলামা রুসেফের অভিশংসনের বিষয়টিকে ‘নমুনা’ বলে উল্লেখ করে এরপর তার পালা বলে মন্তব্য করেন মাদুরো। টেলিভিশন ভাষণে মাদুরো বলেন, ভেনিজুয়েলার ফ্যাসিস্ট ডানপন্থীদের অনুরোধে যুক্তরাষ্ট্র বিভিন্ন পদক্ষেপ বাস্তবায়নের চেষ্টা করছে। তারা ব্রাজিলের অভ্যুত্থানের সাফল্যে অনুপ্রাণিত হয়েছে। ভেনিজুয়েলার প্রয়াত সাবেক প্রেসিডেন্ট হুগো শ্যাভেজের সময় থেকে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে দেশটির সম্পর্ক তিক্ত হয়ে আছে। বিশেষ করে ২০০২ সালে শ্যাভেজের বিরুদ্ধে একটি অভ্যুত্থানে যুক্তরাষ্ট্র সরাসরি সমর্থন দেয়ার পর থেকে সম্পর্ক আরও নাজুক হয়ে পড়ে। ওই অভ্যুত্থানে স্বল্প সময়ের জন্য ক্ষমতা হারিয়েছিলেন প্রেসিডেন্ট শ্যাভেজ। -টেলিগ্রাফ