১৯ অক্টোবর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট এই মাত্র  
Login   Register        
ADS

আদিবাসী শব্দের বিতর্ক রাজনৈতিক ইস্যু ॥ খুশী কবির


বিশ্ববিদ্যালয় রিপোর্টার ॥ আদিবাসী শব্দের বিতর্ককে রাজনৈতিক ইস্যু হিসেবে অভিহিত করে মানবাধিকার নেত্রী খুশী কবির বলেছেন, সেনাবাহিনীর নিয়ন্ত্রণের কারণেই এ বিতর্কের সৃষ্টি করা হয়েছে। শুক্রবার বিকেলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি ক্যাফেটেরিয়ায় মানবাধিকার কর্মী প্রিসিলা রাজের লেখা ‘চাকমা জাতির ইতিহাস বিচার এবং অশোক কুমার দেওয়ান’ বইয়ের মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন। এ সময় তিনি প্রিসিলার বইয়ে অশোক কুমার দেওয়ানের লেখা ‘চাকমা জাতির ইতিহাস’ বইকে বর্তমান সময়ের সঙ্গে প্রাসঙ্গিক হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে বলেও মন্তব্য করেন।

অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন নৃ-বিজ্ঞানী প্রশান্ত ত্রিপুরা, সাংবাদিক সোহরাব হাসান, উন্নয়ন সংগঠক তন্দ্রা চাকমা, এ্যাডভোকেট প্রতিকার চাকমা প্রমুখ।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে খুশী কবির আরও বলেন, আদিবাসী শব্দটাকে অস্বীকার করা একটি রাজনৈতিক বিষয়। অন্য কিছু না। আওয়ামী লীগের ২০০৮ সালের নির্বাচনী ইশতেহারে আদিবাসী শব্দটি আছে। আদিবাসীদের জন্য কি কি করা হবে সেটাও আছে। ক্ষমতায় এসে ‘আদিবাসী নাই’ বলা তার সঙ্গে মিলছে না।

রাষ্ট্রের সীমানা পরিবর্তন হলেও কে কোথা থেকে এল তার আলোচনা হওয়া উচিত নয় মন্তব্য করে খুশী কবির বলেন, আদিবাসী ইস্যুতে এখন অধিকারের বিষয়টি চলে আসছে। এখানে নিয়ন্ত্রণের বিষয়টা সম্পদের। পার্বত্য চট্টগ্রামে বাঙালীরা না থেকে আধিপত্য ছিল আদিবাসীদের। সেখানে যে ১১টি কিংবা ১৩টি জাতিগোষ্ঠীর মধ্যে আলাদা সত্তা ও ভাষা আছে। সেখানে তাদের মধ্যে কি মিল-অমিল সেটার চেয়ে উৎপাদন ব্যবস্থা ও দখলের অধিকার তাদের প্রয়োজন।

অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে গবেষক-কলামিস্ট সৈয়দ আবুল মকসুদ বলেন, পৃথিবীর ইতিহাস অসংখ্য জাতি, গোষ্ঠী, সমাজ ও মানুষের ইতিহাস। এর মধ্য থেকে যারা এগিয়ে গেছে তারা তাদের ইতিহাস লেখার সময় নিজেদের গৌররোজ্জ্বল করে রাখে। আর কেউ যখন অন্য জাতির ইতিহাস লেখে তখন তাদের ছোট করতে চায়। ইংরেজরাও এই অঞ্চলের মানুষের ইতিহাস লেখার সময় অনেক বিকৃত করেছে এবং মানুষের খারাপ দিকই তুলে ধরতে চেয়েছে।

সম্পর্কিত:
পাতা থেকে: