১৯ অক্টোবর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট ৩ ঘন্টা পূর্বে  
Login   Register        
ADS

ঠাকুরগাঁও বড়মাঠের সীমানা প্রাচীরের নির্মাণ কাজ এক বছরেও শেষ না হওয়ায় ক্ষোভ


নিজস্ব সংবাদদাতা, ঠাকুরগাঁও ॥ শহরের সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়ের বড়মাঠের সীমানা প্রাচীর নির্মাণ কাজ এক বছরেও শেষ না হওয়ায় জনমনে ক্ষোভ বিরাজ করছে।

ঠাকুরগাঁও শহরের কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত এই বড়মাঠ সর্বস্থরের মানুষের অঘোষিত বিনোদন কেন্দ্র। ভোর থেকে গভীর রাত পর্যন্ত নানান বয়সের অসংখ্য নারী-পুরুষ এ মাঠে আসেন খেলাধূলা, ব্যয়াম, আড্ডাসহ মুক্ত হওয়া গ্রহণের আশায়। সম্প্রতি এ মাঠে অবৈধ দখলদারের দৌরাত্ব বৃদ্ধি পাওয়ায় এর ঐতিহ্য রক্ষার জন্য মাঠের চারিদিকে সৌন্দর্য বর্ধনকারী সীমানা প্রাচীর নির্মানের জন্য পৌরসভা কর্তৃপক্ষ ৮৪ লাখ টাকা বরাদ্দ অনুমোদন দেয়। বাংলাদেশ মিউনিসিপাল ডেভেলপমেন্ট ফান্ড থেকে বরাদ্দকৃত অর্থে ৭৩৫ মিটার দীর্ঘ সীমানা প্রাচীর নির্মাণের কথা। শহরের বাজারপাড়ার মুরাদ হোসেন এই কাজের ঠিকাদার। ২০১৫ সালের ২৩ জুন থেকে কাজ শুরু হয়ে ২০১৬ সালের ২২ জুনের মধ্যে সমস্ত কাজ শেষ হওয়ার কথা। আনুষ্ঠানিক ভাবে নির্মাণ কাজ করা হয়েছিল। নক্সা অনুযায়ী সীমানা প্রাচীরে সাড়ে ৮ ফুট পরপর আরসিসি পিলার ও বড় আকারের দুটি গেট থাকার কথা ছিল। কিন্তু নির্দিষ্ট সময়ে কাজ শেষ না হওয়ার আশংকা দেখা দিয়েছে।

মাঠের সৌন্দর্য যাতে ঢেকে না পড়ে সেজন্য সীমানা প্রাচীরটি মাটি থেকে দেড় ফুট ইটের গাথুনীর উপর সাড়ে ৩ ফুট গ্রিল নির্মাণের কথা। কিন্তু দেড় ফুট ইটের গাথুনী তাড়াতাড়ি নষ্ট হয়ে যেতে পারে বলে কাজ শুরুর পর কর্তৃপক্ষের টনক নড়ে। তাছাড়া মাত্র দুটি গেট পর্যাপ্ত নয় বলেও মনে করা হয়। ফলে কাজ বন্ধ করে দেওয়া হয়। নতুন করে আবার নক্সা সংশোধন করে পাঠানো হয়েছে সংশ্লিষ্ট বিভাগে।

ঠাকুরগাঁও পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী বেলাল হোসেন ও উপসহকারী প্রকৌশলী মাসুদ রানা জানান, গত মাসের প্রথম সপ্তাহে নক্সা সংশোধনের জন্য পাঠানো হয়েছে। আগামী সপ্তাহেই অনুমোদন আসবে বলে তাঁরা আশা প্রকাশ করেছেন। তাঁরা জানান, মাটির লেবেল থেকে দেড় ফুট ইটের গাথুনীর পরিবর্তে গ্রেটবিম নির্মাণ করা হবে। এতে তাড়াতাড়ি নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা থাকবেনা।

তাছাড়া এখন মাঠের উত্তর, দক্ষিণ ও পূর্ব দিকে ৩টি বড় গেট থাকবে। তাছাড়া মাঠের চারদিকে ছোট ছোট রিভলভিং গেট থাকবে ৮টি। ভিতরে সীমানা প্রাচীর ঘেঁষে চারদিকে ৫ ফুট চওড়া ফুটপাত থাকবে। যাঁরা নিয়মিত হাটেন, তাঁরা এই ফুটপাত দিয়ে নিরাপদে হাটতে পারবেন। নতুন নক্সা অনুযায়ী আর্থিক বরাদ্দের হেরফের হবেনা বলে জানান তারা।

সম্পর্কিত:
পাতা থেকে: