২৫ নভেম্বর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট ৪ ঘন্টা পূর্বে  
Login   Register        
ADS

নিজামীর ফাঁসিতে দূর হলো লজ্জা


নিজস্ব সংবাদদাতা, সান্তাহার, ১১ মে ॥ যুদ্ধাপরাধী মতিউর রহমান নিজামীর ফাঁসি কার্যকরের মধ্য দিয়ে দূর হলো লজ্জার বাবা আসলাম সিকদারের লজ্জা।

লজ্জার ২০০৪ সালের কথা। খালেদা জিয়ার সরকার আমলে মহান সংসদে দাঁড়িয়ে আল বদর কমান্ডার যুদ্ধাপরাধী জামায়াত আমির মতিউর রহমান নিজামী জোর গলায় বলেছিল, এ দেশে এমন কারও জন্ম হয়নি যে, তার বা তাদের বিচার করতে পারে। ৩০ লাখ শহীদের রক্ত আর লাখ লাখ মা-বোনের ইজ্জতের বিনিময়ে অর্জিত স্বাধীন বাংলাদেশের সংসদে দাঁড়িয়ে এমন ঔদ্ধত্যপূর্ণ বক্তব্য শুনে আমি যারপরনাই লজ্জা পেয়েছিলাম। অনেক কেঁদেছিলাম। এর কিছু দিন পর জন্ম নিল আমার মেয়ে। মেয়ের নাম রাখলাম লজ্জা। পুরো নাম আবিদা সুলতানা লজ্জা। লজ্জা এখন ৬ষ্ঠ শ্রেণীর ছাত্রী। লজ্জার জন্মের ১২ বছরের মাথায় বিচার শেষে আদালতের রায়ে নিজামীর ফাঁসি কার্যকরের মধ্য দিয়ে মধ্য দিয়ে আমার সেই লজ্জা দূর হলো। এবার আমি আমার মেয়ের নামটি পরিবর্তন করব। বুধবার সকালে মিষ্টির প্যাকেট হাতে সান্তাহার প্রেসক্লাবে এসে অভিব্যক্তি ব্যক্ত করছিলেন সান্তাহার পৌর যুবলীগের সাবেক সভাপতি ও পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর আমিনুল ইসলাম সিকদার ওরফে আসলাম সিকদার। খুশির অশ্রুসজল কণ্ঠে তিনি বললেন, আজ আমি আনন্দিত। সকাল থেকে স্বজন ও পরিচিতদের মধ্যে ২০ কেজি মিষ্টি বিতরণ করেছি। এক পর্যায়ে আসলাম সিকদার বললেন, নিজামীর ফাঁসি কার্যকরের মাধ্যমে হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালী স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি বঙ্গবন্ধুকন্যা আওয়ামী লীগ সভানেত্রী, প্রধানমনন্ত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশের পাশাপাশি আমাকে লজ্জা থেকে মুক্ত করার জন্য আমি তাঁর কাছে কৃতজ্ঞ।

শ্রমিক আকালে মুছে গেছে কৃষকের হাসি

স্টাফ রিপোর্টার, চাঁপাইনবাবগঞ্জ ॥ মাঠের বোরো ধান নিয়ে বিপাকে পড়েছেন ২১ হাজার কৃষক। বাম্পার ফলনে কৃষকের মুখে হাসি থাকার কথা থাকলেও তা মুছে গেছে। পাকা ধান নুয়ে পড়লেও তা কাটার শ্রমিক পাওয়া যাচ্ছে না। জেলায় বোরো আবাদ হয়েছে ৪৭ হাজার হেক্টর। এবার সেচ নিয়ে কিছুটা সঙ্কট থাকলেও দীর্ঘ সময় ধরে প্রাকৃতিক দুর্যোগ কালবৈশাখী ঝড় ও শিলাবৃষ্টি না থাকায় মাঠ ভরে সোনালী ধান থাকলেও শ্রমিক পাওয়া যাচ্ছে না। ফলে অনেক মাঠে পাকা ধান ঝরে পড়ছে। বরেন্দ্র নাচোলসহ গোমস্তাপুর, সদর, গোদাগাড়ী, নিয়ামতপুরসহ ১৭ উপজেলায় কৃষকের মাথায় হাত। পাকা ধান মাঠ থেকে উঠাতে পারছেন না। যেখানে বিঘাপ্রতি ধান কাটা মজুরি তিন মণ করে ধান দেয়ার কথা, সেখানে কৃষি শ্রমিকরা হাঁকছে বিঘাপ্রতি দুই হাজার টাকা। গৃহস্থ সেই চুক্তিতেই শ্রমিক নিয়োগ করতে বাধ্য হচ্ছেন।