১৮ অক্টোবর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট এই মাত্র  
Login   Register        
ADS

নন-এমপিও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক কর্মচারীদের ৪ দফা দাবি


জবি সংবাদদাতা ॥ শিক্ষকরা মানুষ গড়ার কারিগর। এই কারিগর যদি ঠিক থাকে তাহলে দেশের সার্বিক উন্নয়ন অব্যাহত থাকবে। তাদের দাবি যৌক্তিক। তবে সবকিছু করতে একটা সময়ের প্রয়োজন হয়। প্রধান অতিথির বক্তব্যে

এসব কথা বলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক।

বুধবার রাজধানীর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার চত্ত্বরে নন-এমপিও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীদের মহাসমাবেশে এ কথা বলেন তিনি।

এসময়, আন্দোলনরতরা নানা ধরনের স্লোগানে মুখরিত করে তুলে। এমপিও না দিলে ঘরে ফিরে যাব না, রাজপথ ছাড়ব না স্লোগানে জমজমাট করে তুলে মহাসমাবেশ। জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে সমাবেশ করার কথা থাকলেও পুলিশের অনুমতি না পাওয়ায় পরে তা শহীদ মিনারে করা হয়।

সমাবেশে স্বাগত বক্তব্যে নন-এমপিও শিক্ষক-কর্মচারী ঐক্যজোটের সভাপতি অধ্যক্ষ ইশারত আলী বলেন, সারাদেশের প্রায় সাড়ে ৭ হাজার নন-এমপিও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তির দাবিতে আমরা দীর্ঘদিন ধরে আন্দোলন করে আসছি। এমপিওভুক্তির দাবি-সম্বলিত স্মারকলিপি নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে যাব। আমাদের বিশ্বাস, প্রধানমন্ত্রী সদয় হবেন।

যশোর হতে মহাসমাবেশে আসা রহেলাপুর দাখিল মাদ্রাসার সুপার মাওলানা কুরবান আলী বলেন, বর্তমান সময়ে বঙ্গবন্ধুর কন্যা শেখ হাসিনা সরকার দেশের অভুতপূর্ব উন্নয়ন ঘটিয়েছে। সেই উন্নয়নের ধারাবাহিকতায় আমাদের মত কষ্টে থাকা শিক্ষক সমাজের দিকে তাকাবেন। দ্রুত এমপিওভুক্তির প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবেন বলে আমাদের প্রত্যাশা।

মহাসমাবেশে বক্তারা ৪ দফা দাবি উত্থাপন করে আদায় না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেন। এর মধ্যে রয়েছে স্বীকৃতিপ্রাপ্ত সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান অবিলম্বে এমপিওভুক্তি করা এবং স্বীকৃতিপ্রাপ্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত না হওয়া পর্যন্ত নতুন করে আর কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান স্বীকৃতি না দেয়া। সমাবেশ থেকে ১ অক্টোবর পর্যন্ত নন-এমপিও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখা, ৫ অক্টোবর সব জেলা শহরে মানববন্ধন শেষে জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি দেয়া এবং ৭ অক্টোবর বেলা ১১টায় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে লাগাতার অবস্থান ধর্মঘটসহ অনশন কর্মসূচি পালনের ঘোষণা দেয়া হয়। উল্লেখ্যা, নন-এমপিও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত করার দাবিতে এক বছরের বেশি সময় ধরে থেমে থেমে কর্মসূচি পালন করে আসছিলেন শিক্ষক-কর্মচারীরা।

সম্পর্কিত:
পাতা থেকে: