১৮ অক্টোবর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট এই মাত্র  
Login   Register        
ADS

একনেকে পাঁচ হাজার ৭শ’ ২৭ কোটি টাকার সাত প্রকল্প অনুমোদন


একনেকে পাঁচ হাজার ৭শ’ ২৭ কোটি টাকার সাত প্রকল্প অনুমোদন

জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) বৈঠকে পাঁচ হাজার ৭২৭ কোটি ৪০ লাখ টাকা ব্যয়ে মোট সাতটি প্রকল্পের চূড়ান্ত অনুমোদন দেয়া হয়েছে। মঙ্গলবার রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের এনইসি সম্মেলনকক্ষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত একনেক বৈঠকে এ অনুমোদন দেয়া হয়।

অনুমোদিত সাতটি প্রকল্পের মধ্যে ছয়টি নতুন ও একটি সংশোধিত। এসব প্রকল্পের মোট প্রাক্কলিত ব্যয়ের মধ্যে সরকারী অর্থায়ন দুই হাজার ৭৬৯ কোটি ৩৫ লাখ টাকা ও প্রকল্প সাহায্য দুই হাজার ৯৪৮ কোটি ছয় লাখ টাকা এবং সংস্থার নিজস্ব তহবিল থেকে ব্যয় হবে নয় কোটি ৯৯ লাখ টাকা। খবর বাসস’র।

বৈঠক শেষে পরিকল্পনামন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল সংবাদ সম্মেলনে অনুমোদিত প্রকল্পের বিষয়ে বিস্তারিত তুলে ধরেন। তিনি জানান, এসব প্রকল্পের মোট ব্যয়ের মধ্যে দুই হাজার ৭৬৯ কোটি ৩৫ লাখ টাকা সরকার দেবে। সংস্থার নিজস্ব তহবিল নয় কোটি ৯৯ লাখ এবং প্রকল্প সাহায্য পাওয়া যাবে দুই হাজার ৯৪৮ কোটি ছয় লাখ টাকা।

সিলেট বিভাগের পল্লী এলাকায় নির্ভরযোগ্য বিদ্যুত সরবরাহের মাধ্যমে দারিদ্র্য বিমোচন এবং উন্নয়নের লক্ষ্যে এক হাজার ৪১৭ কোটি ১০ লাখ টাকা ব্যয়ে একটি প্রকল্পের অনুমোদন দেয়া হয়। ‘সিলেট বিভাগের পল্লী বিদ্যুতায়ন কার্যক্রম সম্প্রসারণ ও আরইবির সদর দফতরে ভৌত সুবিধাদির উন্নয়ন প্রকল্প’র আওতায় এ উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। বৈঠকে ৩০২ কোটি ২৫ লাখ টাকা ব্যয়ে ‘প্রো-পুওর সøাম ইন্টিগ্রেশন প্রজেক্ট (পিপিএসআইপি)’ প্রকল্পের অনুমোদন দেয়া হয়েছে। প্রকল্পের আওতায় পৌরসভা ও মহানগর এলাকায় নিম্ন আয়ের মানুষের জীবনমান ও অনানুষ্ঠানিক সেটেলমেন্টের মানোন্নয়ন করা হবে। একই সঙ্গে ‘মংলা বন্দর থেকে রামপাল পর্যন্ত পশুর চ্যানেল ক্যাপিটাল ড্রেজিং’ প্রকল্পের অনুমোদন দিয়েছে একনেক কমিটি। ১৬৬ কোটি টাকা ব্যয়ে বাংলাদেশ-ভারত ফ্রেন্ডশিপ পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেডের রামপাল বিদ্যুত কেন্দ্রে নৌপথে কয়লা পরিবহনের সুবিধার জন্য প্রকল্পটি বিশেষ অবদান রাখবে। এটি বাস্তবায়ন হলে মংলা বন্দরের ৯ নম্বর জেটি থেকে উজানে ১৩ কিলোমিটার পর্যন্ত পশুর নদীর পর্যাপ্ত নাব্য সৃষ্টি হবে।

এদিকে, দেশের বিভিন্ন এলাকায় ১৭টি আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস নির্মাণের জন্য ১০৭ কোটি ৬১ লাখ টাকা ব্যয়ে একটি প্রকল্পের অনুমোদন দেয়া হয়েছে।

এছাড়া ১২২ কোটি ১০ লাখ টাকা ব্যয়ে ‘বাংলাদেশ স্কাউটিং সম্প্রসারণ ও স্কাউট শতাব্দী ভবন নির্মাণ প্রকল্প’, ‘নদীর ভাঙ্গন থেকে ভোলা জেলার চরফ্যাশন পৌর শহর সংরক্ষণ প্রকল্প’ (ব্যয় ২০৯ কোটি ৪ লাখ টাকা) এবং তিন হাজার ৪০০ কোটি ৮০ লাখ টাকা ব্যয়ে ‘সেকেন্ডারি এডুকেশন কোয়ালিটি এ্যান্ড এ্যাকসেস এনহ্যান্সমেন্ট’ প্রকল্পের অনুমোদন দেয়া হয়েছে। বৈঠকে মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রীসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সচিব ও কর্মকর্তারা যোগ দেন।