১২ ডিসেম্বর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট এই মাত্র  
Login   Register        
ADS

মাহমুদুল্লাহ-মার্শালের জোড়া শতক


মাহমুদুল্লাহ-মার্শালের জোড়া শতক

স্পোর্টস রিপোর্টার ॥ তিন দুর্বল দলের সঙ্গে তিন শক্তিশালী দলের লড়াই হয়েছে। তাতে অনুমিতই ছিল, শক্তিশালী দলগুলোই জিতবে। তাই হয়েছে। ক্রিকেট কোচিং স্কুলকে (সিসিএসকে) সহজেই ৯০ রানের বড় ব্যবধানে হারিয়েছে শেখ জামাল ধানমন্ডি ক্লাব। কলাবাগান ক্রীড়া চক্রের (কেসি) বিপক্ষে ৬ উইকেটের জয় তুলে নিয়েছে গাজী গ্রুপ ক্রিকেটার্স। আর কলাবাগান ক্রিকেট একাডেমিকে (সিএ) বৃষ্টি আইনে ৪ উইকেটে হারিয়ে পয়েন্ট তালিকার শীর্ষেই উঠে গেছে মোহামেডান।

মোহামেডানের জয়

থারাঙ্গার ব্যাটে

কলাবাগান সিএ আগে ব্যাটিং করে মজবুত ভিতই গড়ে। ভারতের জাতিন সাকসেনার ৯৬ রান ও মেহেদী হাসান মিরাজের ৫০ রানে ৪৯.২ ওভারে ২৩১ রান করতেই অলআউট হয়ে যায়। ফতুল্লার খান সাহেব ওসমান আলী স্টেডিয়ামে বৃষ্টির জন্য পুরো খেলা হতে পারেনি। মোহামেডান যখন ব্যাট হাতে নামবে, এর আগে ৭ ওভার কমিয়ে দেয়া হয়। টার্গেট দেয়া হয় ২০৭ রান। শ্রীলঙ্কান উপুল থারাঙ্গার অপরাজিত ৯০ রানের সঙ্গে এজাজ আহমেদের ৬০ রানে ৩ বল বাকি থাকতে জয়ের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে যায় মোহামেডান। সেই সঙ্গে ৫ ম্যাচে ৪ জয় পেয়ে পয়েন্ট তালিকার শীর্ষেও উঠে যায় মোহামেডান। প্রাইম দোলেশ্বরও ৫ ম্যাচে ৪ জয় পেয়েছে।

জয়ে ফিরল শেখ জামাল

বিকেএসপিতে ৩৪ রানেই ২ উইকেট হারিয়ে বসে শেখ জামাল। এ মুহূর্ত থেকেই যেন শেখ জামালের ওড়া শুরু হয়ে যায়। মার্শাল আইয়ুব ও মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ মিলে শুধু দলের হালই ধরলেন না, তৃতীয় উইকেটে ২০৩ রানের জুটিও গড়লেন। তাতেই শেখ জামালের স্কোর ২৩৭ হয়ে যায়। এর আগেই মার্শাল এবারের ঢাকা লীগে প্রথম শতকটি করে ফেলেন। ২৩৭ রানে সাজঘরে ফেরার আগে ১১৫ বলে ১২ চারে ১০৩ রান করেন। মার্শাল আউটের পর মাহমুদুল্লাহর ব্যাট থেকে আসে শতক। ২৮১ রানে গিয়ে মুক্তার আলী আউট হতেই মাহমুদুল্লাহও সাজঘরে ফেরেন। তবে এর আগে ২০০তম লিস্ট এ ম্যাচে খেলতে নেমে ১৩৯ বলে ৮ চার ও ৫ ছক্কায় ১৩০ রান করেন। শেষে দলের স্কোর ৫ উইকেটে ৫০ ওভারে ২৯০ হয়ে যায়। এ রান কি আর অতিক্রম করতে পারবে সিসিএস। পারেওনি। টানা ৫ ম্যাচেই হার হলো সিসিএসের। চেষ্টা করেছিলেন রাজিন সালেহ (৫১) ও সাইফ হাসান (৪৭)। কিন্তু শেখ জামালের ২ উইকেট করে নেয়া শফিউল ইসলাম, মুক্তার আলী ও শ্রীলঙ্কান জীবন মেন্ডিসের বোলিংয়ের সামনে ৪৮.৩ ওভারে ২০০ রানের বেশি করা যায়নি। সিসিএসের হারও হয় তাই বড়। দুই ম্যাচ পর আবার শেখ জামাল জয়ের ধারায় ফিরে। ৫ ম্যাচে তৃতীয় জয় পায়।

সর্বাধিক পঠিত:
পাতা থেকে: