২১ অক্টোবর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট এই মাত্র  
Login   Register        
ADS

গ্যাসের বাজার দুই বছরের মধ্যে ব্যবসায়ীদের জন্য খুলে দেয়া হবে ॥ মুহিত


অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ আগামী দুই বছরের মধ্যে গ্যাসের বাজার ব্যবসায়ীদের জন্য খুলে দেয়া হবে বলে মন্তব্য করেছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। ব্যবসায়ীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, আপনারা এখন থেকেই এ ব্যাপারে পরিকল্পনা শুরু করতে পারেন। এছাড়া বিদ্যুতকেন্দ্রের জন্য উন্মুক্ত পদ্ধতিতে কয়লা উৎপাদনকে ডিফিকাল্ট চয়েস বলে মন্তব্য করেছেন অর্থমন্ত্রী।

সোমবার সচিবালয়ে ঢাকা চেম্বার অব কমার্স এ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (ডিসিসিআই) সঙ্গে এক প্রাক-বাজেট আলোচনায় তিনি এসব কথা বলেন।

প্রাক-বাজেট আলোচনায় ডিসিসিআই নেতারা বিদ্যুত খাতের উন্নয়নে গুরুত্বারোপ করলে এর জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেন, বিদ্যুতের ট্রান্সমিশন ও ডিস্ট্রিবিউশন ব্যবস্থা এখনও দুর্বল। কিন্তু কয়লার ক্ষেত্রে আমাদের চ্যালেঞ্জটা কী? এ সময় ডিসিসিআই নেতারা বিদ্যুতকেন্দ্রে আমদানিকৃত কয়লার পরিবর্তে দেশীয় কয়লা ব্যবহারের সুপারিশ করেন। জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেন, ফুলবাড়িতে মাইনিং করে কয়লা উৎপাদনের জন্য আমরা অনেক চেষ্টা করেছি। কিন্তু এটা ভেরি ডিফিকাল্ট চয়েস। আর কিছু না হোক, এখান থেকে বহু লোক স্থানান্তরিত করতে হবে। তার চেয়ে প্রধানমন্ত্রী কয়লা আমদানির যে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন সেটাই ভাল।

বাজেট প্রসঙ্গে অর্থমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকারের সবচেয়ে প্রধান কর্তব্য হচ্ছে দারিদ্র্য দূরীকরণ। ১৯৭২-৭৩ সালে দেশের ৭০ শতাংশ মানুষ দারিদ্র্যসীমার নিচে বাস করত। ৪০ বছরে এটা ২২ দশমিক ৪ শতাংশে নেমে এসেছে। কিন্তু এখনও দেশের এক-পঞ্চমাংশ লোক দরিদ্র। দেশ মধ্যম আয়ের দেশে উন্নীত হলে অনেক সময় এদিকে নজর দেয়া হয় না। কিন্তু দারিদ্র্য বিমোচনের দিকে আমাদের নজর রাখতে হবে। প্রাক-বাজেট আলোচনায় ডিসিসিআইয়ের পক্ষ থেকে সংগঠনের প্রস্তাবসমূহ তুলে ধরেন সংগঠনের সভাপতি হোসেন খালেদ। সংগঠনের উর্ধতন সহ-সভাপতি হুমায়ুন রশিদ, সহ-সভাপতি খ. আতিক-ই-রাব্বানী, এফসিএ, পরিচালক এ কে ডি খায়ের মোহাম্মদ খান, কামরুল ইসলাম, এফসিএ, মামুন আকবর, মোক্তার হোসেন চৌধুরী, ওসমান গনি, রিয়াদ হোসেন, সেলিম আকতার খান, ডিসিসিআই মহাসচিব এ এইচ এম রেজাউল কবির প্রমুখ এ সময় উপস্থিত ছিলেন। ডিসিসিআইয়ের বাজেট প্রস্তাবে আয়কর আইন ও বিধি সংক্রান্ত ১৫টি, আয়কর হার পরিবর্তন সংক্রান্ত ১৫টি, আমদানি ও সম্পূরক শুল্ক নীতি আইন বিধি সংক্রান্ত ৮টি, আমাদনি ও সম্পূরক শুল্ক হার পরিবর্তন সংকান্ত ৪৮টি, মূল্য সংযোজন কর নীতি, আইন ও বিধি সংক্রান্ত ৩টি এবং মূল্য সংযোজন কর হার পরিবর্তন সংক্রান্ত ৩টি প্রস্তাব রয়েছে।

সম্পর্কিত:
পাতা থেকে: