২১ অক্টোবর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট এই মাত্র  
Login   Register        
ADS

কর্ণফুলীর ঐতিহ্য রক্ষায় সামাজিক আন্দোলন


স্টাফ রিপোর্টার, চট্টগ্রাম অফিস ॥ চট্টগ্রাম বন্দর বাঁচাতে হলে রক্ষা করতে হবে কর্ণফুলী নদীকে। কিন্তু গুটিকয় ব্যবসায়ীর চক্রান্তে সদরঘাট ও অভয়মিত্র ঘাট এখন বিলুপ্ত হওয়ার পথে। চট্টগ্রামের ঐতিহ্যের তোয়াক্কা না করে একের পর এক ঘাট বন্ধ করে দেয়া হচ্ছে। কর্ণফুলী রক্ষায় সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলা হবে। চট্টগ্রামবাসী সম্মিলিত আন্দোলনের মাধ্যমে রক্ষা করবে দেশের অর্থনীতির জন্য সবচেয়ে গুরুত্ববহ এই নদী। চট্টগ্রাম আঞ্চলিক সাংস্কৃতিক একাডেমির উদ্যোগে সোমবার সাম্পান শোভাযাত্রায় কথাগুলো বলেন বক্তারা। বেলা ১১টায় অভয়মিত্র ঘাট থেকে ঢাক-ঢোল ও বাজনার মাধ্যমে শুরু হয় এই শোভাযাত্রা। ডায়মন্ড সিমেন্ট সাম্পান খেলা ও চাটগাঁইয়া সংস্কৃতি মেলার প্রথমদিন সোমবার সাম্পান শোভাযাত্রায় অংশ নেন অনেক সাম্পান। শোভাযাত্রাটি প্রায় দেড়ঘণ্টা কর্ণফুলীর বিভিন্ন ঘাট ঘুরে বন্দর মোহনা হয়ে সদরঘাটে এসে সমাপ্ত হয়। শোভাযাত্রার উদ্বোধন করেন ডায়মন্ড সিমেন্ট পরিচালক লায়ন হাকিম আলী। চট্টগ্রাম আঞ্চলিক সাংস্কৃতিক একাডেমির চেয়ারম্যান আলীউর রহমানের সঞ্চালনায় আলোচনা অনুষ্ঠানে কর্ণফুলী গবেষক ইদ্রিচ আলী বলেন, বন্দর মোহনা থেকে দশ মাইল উজানের নদীর উভয় তীর রক্ষার দায়িত্ব চট্টগ্রাম বন্দরের। কিন্তু তারা তা করছে না। সাম্পান খেলা ও চাঁটগাইয়া সংস্কৃতি মেলা ১৪২৩ বাংলার প্রধান সমন্বয়ক চৌধুরী ফরিদ বলেন, বন্দর বাঁচাতে হলে কর্ণফুলী বাঁচতে হবে। কর্ণফুলী সাম্পান মাঝি কল্যাণ সমিতি ফেডারেশন সভাপতি এস এম পেয়ার আলীর সভাপতিত্বে সভায় আরও বক্তব্য রাখেন ওয়ার্ড কাউন্সিলর হাসান মুরাদ বিপ্লব, চট্টগ্রাম সাংবাদিক ইউনিয়নের সাবেক সম্পাদক নাজিম উদ্দিন শ্যামল, মানবাধিকার সংগঠক এম এ মারুফ, আঞ্চলিক সাংস্কৃতিক একাডেমি ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক অধ্যাপক প্রদীপ কুমার দাশ, ফেডারেশন উপদেষ্টা এস এম মাঈনুদ্দিন, চরপাথরঘাটা সাম্পান সমিতির সভাপতি জাফর আহমেদ প্রমুখ।