মেঘলা, তাপমাত্রা ৩১.১ °C
 
২১ আগস্ট ২০১৭, ৬ ভাদ্র ১৪২৪, সোমবার, ঢাকা, বাংলাদেশ

ধসে পড়ল পক্ষিয়াপাড়া স্কুল ভবনটির সামনের অংশ ॥ প্রাণে রক্ষা ৩২ শিশু শিক্ষার্থী

প্রকাশিত : ৯ মে ২০১৬, ০৪:৫৩ পি. এম.
ধসে পড়ল পক্ষিয়াপাড়া স্কুল ভবনটির সামনের অংশ ॥ প্রাণে রক্ষা ৩২ শিশু শিক্ষার্থী

নিজস্ব সংবাদদাতা, কলাপাড়া ॥ তখনও পঞ্চম শ্রেণির ৩২ শিশু শিক্ষার্থী ভেতরে ক্লাশ করছিল। হঠাৎ বিকট শব্দে বাইরের সামনের বারান্দার পাঁচটি পিলারসহ স্কুলভবনটির কার্ণিশ বিকট শব্দে ধসে পড়ে ফ্লোরের সঙ্গে মিশে গেল। রবিবার দুপুরে এ দুর্ঘটনাটি ঘটে। হুড়োহুড়ি, ডাকচিৎকার করে দৌড়ে শিক্ষার্থীসহ শিক্ষক কোনমতে বাইরে বের হয়ে পড়েন। প্রাণ বেচে যায় সকলের। ভবনটির ছাদটি সম্পুর্ণ ধসে পড়লে যে কী অবস্থা হতো তা এখনও ভাবতে পারছেন না ওই শিক্ষকসহ শিক্ষার্থীরা। মোট কথা বড় ধরনের হতাহতের কবল থেকে রক্ষা পেল সবাই। প্রাণ নিয়ে সবাই বেচে গেলেও এখন কোথায় লেখাপড়া করবে তা নিয়ে দেখা দিয়েছে বড় ধরনের সমস্যা।

এ স্কুলভবনটি অনেক আগেই পরিত্যক্ত ঘোষণা করেন কর্তৃপক্ষ। স্কুল ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি রাখাইন ট্যানথান বাবু এবং প্রধান শিক্ষক আব্দুর রাজ্জাক জানান, ভবন সমস্যার কারনে বেড়িবাঁধের বাইরে কারিতাসের নিচতলার ওপেন এক ফ্লোরে কোনমতে তাদের অনুমতি নিয়ে চারটি শ্রেণির ক্লাশ চলছিল। আর পঞ্চম শ্রেণির ক্লাশ চলছিল ঝুকিপুর্ণ ভবনটির পুবদিকের একটি কক্ষে। কিন্তু এখন আর তা সম্ভব হচ্ছে না। এখন ভবনটি যে ভাবে দাড়িয়ে আছে তাতে যে কোন সময় সম্পুর্ণভাবে বিধ্বস্ত হওয়ার প্রবল শঙ্কা রয়েছে। বর্তমানে এ বিদ্যালয়টির ১৭৪ জন শিশু-শিক্ষার্থী তাদের লেখাপড়ার সমস্যা নিয়ে চরম বিপাকে পড়েছে। প্রধান শিক্ষকসহ ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি জানান, দ্রুত একটি ভবন নির্মাণ করা কিংবা জরুরি ভিত্তিতে একটি টিনশেড ভবন নির্মাণ করা হোক। উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) মো. আরিফুজ্জামান জানান, দ্রুত একটি নতুন ভবন নির্মাণের জন্য উর্ধতন কর্তৃপক্ষের পরিকল্পনা রয়েছে। স্থানীয়রা জানান, ১৯৯৫ সালে এ স্কুল ভবনটি নির্মাণ করা হয়েছিল।

প্রকাশিত : ৯ মে ২০১৬, ০৪:৫৩ পি. এম.

০৯/০৫/২০১৬ তারিখের খবরের জন্য এখানে ক্লিক করুন

দেশের খবর



শীর্ষ সংবাদ: