২১ নভেম্বর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট ৫ ঘন্টা পূর্বে  
Login   Register        
ADS

সুইফট টেকনিশিয়ানদের অবহেলায় চুরি॥ পুলিশ


সুইফট টেকনিশিয়ানদের অবহেলায় চুরি॥ পুলিশ

অনলাইন ডেস্ক॥রিজার্ভ চুরির ঘটনার তিন মাস আগে বাংলাদেশ ব্যাংকে সুইফট মেসেজিং প্ল্যাটফরমের সঙ্গে একটি নতুন ট্রানজেকশন সিস্টেম যুক্ত করে যান সুইফটের টেকনিশিয়ানরা; আর তাদের অবহেলার কারণেই বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সার্ভার হ্যাকারদের সামনে অনেক বেশি উন্মুক্ত হয়ে পড়ে বলে মনে করছেন পুলিশের তদন্তকারীরা। বিশ্বজুড়ে আলোড়ন সৃষ্টি করা এই সাইবার চুরির ঘটনা তদন্ত করছে বাংলাদেশ পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ। সিআইডির অতিরিক্ত উপ-মহাপরিদর্শক শাহ আলমকে উদ্ধৃত করে রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সেই টেকনিশিয়ানরা বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো রিয়েল টাইম গ্রস সেটেলমেন্ট সিস্টেম এর সঙ্গে সুইফটকে যুক্ত করে যান। আমরা বেশ কিছু লুপহোল খুঁজে পেয়েছি। ওই সময়ই বাংলাদেশ ব্যাংকের ঝুঁকি অনেক বেশি বেড়ে গেছে, বলেন তিনি।

রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়, সোসাইটি ফর ওয়ার্ল্ডওয়াইড ইন্টারব্যাংক ফাইন্যান্সিয়াল টেলিকমিউনিকেশনের বা সুইফটের প্রধান মুখপাত্র নাতাশা টেরান বাংলাদেশের কর্তৃপক্ষের এ অভিযোগের বিষয়ে কোনো মন্তব্য্য করতে রাজি হননি। বাংলাদেশে সুইফট তাদের বা বাইরে থেকে কোনো টেকনিশিয়ান পাঠিয়েছিল কি না- সে বিষয়েও কিছু বলতে তিনি অস্বীকৃতি জানিয়েছেন। সুইফটের টেকনিশিয়ানদের কাজের বিষয়ে বাংলাদেশের পুলিশ বা কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বক্তব্যের সত্যতা স্বাধীনভাবে তদন্ত করা রয়টার্সের পক্ষে সম্ভব হয়নি।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তাদের অভিযোগ সঠিক হয়ে থাকলে সুইফটের ওপর আস্থায় ফাটল ধরবে, কেননা এই প্ল্যাটফরমই এখন আন্তর্জাতিক আর্থিক লেনদেনের মেরুদণ্ড। যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংক অব নিউ ইয়র্ক ও সুইফট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে বৈঠক করতে রোববার রাতে গভর্নর ড. ফজলে কবিরের নেতৃত্বে বাংলাদেশ ব্যাংকের চার সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল সুইজারল্যাণ্ডের উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছেন। মঙ্গলবার বেসেলে ওই বৈঠকে রিজার্ভ চুরির ঘটনা এবং খোয়া যাওয়া আট কোটি দশ লাখ ডলার আদায়ের বিষয়টি গুরুত্ব পাবে বলে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।

সম্পর্কিত:
পাতা থেকে: