১৮ অক্টোবর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট এই মাত্র  
Login   Register        
ADS

সমৃদ্ধ দেশ গড়তে বিশ্বকবির মতাদর্শে অনুপ্রাণিত হোন ॥ রাষ্ট্রপতি


রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ একটি সুখী ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের চেতনা ও মতাদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে শোষণ, বঞ্চনা, সংঘাত, জঙ্গীবাদ এবং সাম্প্রদায়িকতার বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার জন্য সকলের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৫৫তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে রবিবার সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় আয়োজিত অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি তাঁর ভাষণে বলেন, ‘রবীন্দ্রনাথ আমাদের গৌরবের নাম। তিনি বাঙালীর অস্তিত্বের এক চিরন্তন প্রতীক। রবীন্দ্রনাথের কাছ থেকে শিক্ষা নেয়ার মানে হচ্ছে প্রকৃতির সঙ্গে মেলবন্ধন এবং সকল ধরনের সংস্কার ও সংকীর্ণতার উর্ধে উঠে শৃঙ্খল থেকে মুক্তি।’ খবর বাসসর।

রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ বলেন, ‘রবীন্দ্রনাথের এই জন্মবার্ষিকীতে আমার প্রার্থনা- সমাজের সর্বত্র শুভচিন্তা ও মানবিক মূল্যবোধের উন্মেষ ঘটুক।’ তিনি বলেন, ‘দারিদ্র্য বিমোচন, গ্রামীণ সমাজ, স্বাস্থ্য এবং পরিবেশ সম্পর্কে তাঁর চিন্তা এখনও আমাদের অনুপ্রাণিত করে। যখন পৃথিবী একটি গ্লোবাল ভিলেজে পরিণত হয়েছে তখনও রবীন্দ্রনাথের চিন্তা ও দর্শন যথেষ্ট গুরুত্ব বহন করে।’

রাষ্ট্রপতি বলেন, গণতান্ত্রিক, অর্থনৈতিক ও সামাজিক ন্যায়বিচার এবং মানবিকতার বিশ্বায়নের স্বপ্ন ছিল যথাক্রমে জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে রবীন্দ্রনাথের দর্শনের ভিত্তি এবং বিশ্ব শান্তির বাণী নিয়ে বিশ্বের বিভিন্ন জায়গায় গিয়েছেন। তাঁর ঔপনিবেশিকতাবাদ এবং ফ্যাসিবাদ বিরোধী অবস্থান এখনও মানুষকে অনুপ্রাণিত করে।

সুন্দর প্রকৃতি ও সম্পদের জন্য রবীন্দ্রনাথ এই দেশকে ‘সোনার বাংলা’ হিসেবে কল্পনা করেছেনÑ এ কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘শান্তি, ঐক্য ও সম্প্রীতি- হচ্ছে রবীন্দ্রনাথের গানের মর্মবাণী। বিশ্বের এ অঞ্চলের মানুষ ও মাটি তাঁর কবিতা-গল্প-গানে খুব সহজভাবে ফুটে উঠেছে’।

রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘আমাদের মহান নেতা, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জীবনের আকাক্সক্ষা ও সংগ্রাম ছিল বাঙালী জাতির আত্মনিয়ন্ত্রণ অধিকার প্রতিষ্ঠা এবং বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বেই আমরা রবীন্দ্রনাথের স্বপ্নের ‘সোনার বাংলা’ প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম হয়েছি।’

সম্পর্কিত:
পাতা থেকে: