মেঘলা, তাপমাত্রা ৩১.১ °C
 
২০ আগস্ট ২০১৭, ৫ ভাদ্র ১৪২৪, রবিবার, ঢাকা, বাংলাদেশ
সর্বশেষ

হিমাদ্রি-শিমুর রবীন্দ্রসঙ্গীতে মুগ্ধ শ্রোতা

প্রকাশিত : ৯ মে ২০১৬
হিমাদ্রি-শিমুর রবীন্দ্রসঙ্গীতে মুগ্ধ শ্রোতা

গৌতম পাণ্ডে ॥ বৈশাখের নির্মল এক সন্ধ্যা। রবীন্দ্র গানের ভক্তদের উপস্থিতিতে গুলশানের ইন্দিরা গান্ধী সাংস্কৃতিক কেন্দ্র কানায় কানায় ভর্তি। সাধারণত বোদ্ধা ও রুচীশীল শ্রোতাদের আগমন ঘটে এখানে। অনেক অনুষ্ঠানে শিল্পীদের বলতে শোনা গেছে, এখানে খুব কাছ থেকে শ্রোতাদের অনুভূতিকে অনুভব করা যায়। শ্রোতারাও মন খুলে শিল্পীর কাছে তাদের পছন্দের গান বা কবিতা পরিবেশনের আবদার রাখতে পারেন। শনিবারও এর ব্যতিক্রম ঘটেনি। নিজেদের পছন্দের গানের সঙ্গে শ্রোতাদের পছন্দকেও ভাগাভাগি করে নিলেন শিল্পী হিমাদ্রি শেখর তালুকদার ও শিমু দে। একের পর এক রবীন্দ্রসঙ্গীত পরিবেশনে অনায়াসেই শ্রোতাদের মন জয় করে নিলেন দেশের জনপ্রিয় এ দুই শিল্পী। শিল্পীদ্বয়ের এ রবীন্দ্রসঙ্গীত সন্ধ্যার আয়োজন করে ঢাকার ইন্দিরা গান্ধী সাংস্কৃতিক কেন্দ্র। শুরুতে মালকোষ রাগে রবীন্দ্রনাথের ‘আনন্দধারা বহিছে ভুবনে’ গানটি দ্বৈতকণ্ঠে পরিবেশন করেন। পরের গানটি ছিল বিহাগ রাগে ‘মহারাজ একি সাজে’। শ্রী রাগের ওপর ‘কার মিলন চাও বিরহী’ গানটির পরিবেশনাও ছিল চমৎকার। শিল্পী হিমাদ্রি শেখর তালুকদার শান্তিনিকেতনের রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে রবীন্দ্রসঙ্গীতে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রী লাভ করেন। তিনি ভারত ও বাংলাদেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ অনুষ্ঠানে রবীন্দ্রসঙ্গীত পরিবেশন করে যথেষ্ট সুনাম অর্জন করেছেন। বাংলাদেশের বিভিন্ন রেডিও ও টেলিভিশনে নিয়মিত রবীন্দ্রসঙ্গীত পরিবেশন করেন। এ পর্যন্ত তার দুটি একক ও দুটি দ্বৈত রবীন্দ্রসঙ্গীতের এ্যালবাম প্রকাশ হয়েছে কলকাতার প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান এইচএমভি থেকে। শান্ত মারিয়াম বিশ্ববিদ্যালয়ের তিনি রবীন্দ্রসঙ্গীতের একজন খ-কালীন শিক্ষক। অপরদিকে শিল্পী শিমু দে বাংলাদেশ বেতার ও টেলিভিশনের একজন নিয়মিত শিল্পী। তিনি রবীন্দ্রসঙ্গীতে স্নাতকোত্তর ডিগ্রী লাভ করেন। রবীন্দ্রসঙ্গীতে স্বর্ণপদকসহ বিভিন্ন পুরস্কার লাভ করেন তিনি। শিল্পীদের চতুর্থ পরিবেশনায় ছিল খাম্বাজ রাগের ওপর ঠুমরী বেজ করে ‘তুমি কোন কাননের ফুল’ গানটি। এর পর রবীন্দ্রনাথের কয়েকটি ভাঙ্গা গান পরিবেশন করেন শিল্পীদ্বয়, যে গানগুলো রবীন্দ্রনাথ বিভিন্ন গানের সুর নিয়ে রচনা করেছেন। এগুলো হলোÑ ‘ঘরেতে ভ্রমর এলো গুনগুনিয়ে (ওই দেখা যায় বাড়ি আমার), ভেঙ্গে মোর ঘরের চাবি নিয়ে যাবি (দেখেছি রূপ সাগরে মনের মানুষ), ফুলে ফুলে ঢলে ঢলে (স্কটিস সং), কালী কালী বলোরে আজ (ইংরেজী গান), ও আমার দেশের মাটি তোমার পরে ঠেকাই মাথা (লালন)। শিল্পীদের যন্ত্রে সহযোগিতা করেন পল্লব সান্যাল (তবলা), বিনোদ রায় দাশ (কী-বোর্ড), এবাদুল হক সৈকত (সেতার) ও মেহেদি ইসলাম অনুপ (অক্টোপ্যাড)।

প্রকাশিত : ৯ মে ২০১৬

০৯/০৫/২০১৬ তারিখের খবরের জন্য এখানে ক্লিক করুন


শীর্ষ সংবাদ: