মেঘলা, তাপমাত্রা ৩১.১ °C
 
২৭ জুন ২০১৭, ১৩ আষাঢ় ১৪২৪, মঙ্গলবার, ঢাকা, বাংলাদেশ
সর্বশেষ

চীনা ভাষায় প্রথম রবীন্দ্র সমগ্র প্রকাশিত

প্রকাশিত : ৯ মে ২০১৬

১৫৫তম জন্মদিন উপলক্ষে প্রথমবার চীনা ভাষায় রবীন্দ্র রচনাবলী বৃহস্পতিবার প্রকাশ করে বিশ্ব কবিকে সম্মান জানাল চীন। রবীন্দ্রনাথ চীনে অত্যন্ত জনপ্রিয়। তার বহু লেখাই চীনা ভাষায় অনূদিত হয়েছে। কিন্তু তা হয়েছে ইংরেজী অনুবাদ থেকে। এই প্রথম গান বাদ দিয়ে অন্য সব রচনা সরাসরি বাংলা থেকে চীনা ভাষায় অনুবাদ করা হয়েছে। ৩৩ খণ্ডে প্রকাশিত রবীন্দ্র সমগ্রে স্থান পেয়েছে কবিতা, প্রবন্ধ, উপন্যাস, নাটক।

চায়না রেডিও ইন্টারন্যাশনাল বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ও ভারতীয় ভাষার পাশাপাশি বাংলা ভাষাতেও অনুষ্ঠান সম্প্রচার করে। রবীন্দ্র রচনাবলী প্রকাশ উপলক্ষে বৃহস্পতিবার একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছিল এই রেডিও স্টেশন। এই অনুষ্ঠানে ভারত ও বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূতরা হাজির ছিলেন। চীনা ভাষায় রবীন্দ্র রচনাবলীর প্রধান অনুবাদক দং ইউ চেন বলেছেন, ১৮ বাঙালী সাহিত্যিক, চীনের সরকারী সংবাদমাধ্যম সিনহুয়া, চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, সেনাবাহিনী ও সেন্ট্রাল কমিউনিস্ট পার্টি স্কুল যৌথভাবে এ অনুবাদের কাজ করেছে। পুরো কাজ শেষ করতে পাঁচ বছর সময় লেগেছে। চীনের বৃহৎ প্রকাশনা সংস্থা পিপলস পাবলিশিং হাউস রবীন্দ্র সমগ্র চীনা ভাষায় প্রকাশ করে। দং ষাটের দশকে রাশিয়ার লেনিনগ্রাদ বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলা নিয়ে পড়াশোনা করার সময়ই প্রথম রবীন্দ্রনাথের লেখার সঙ্গে পরিচিত হন। দং বলেন, শুধু ভারতই নয়, চীনসহ সারা বিশ্বের জন্য কবির মানবিকতাবোধে মুগ্ধ চীনের মানুষ। এই অনুবাদের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন তরুণী কাও ইয়ানহুয়া। তিনি বাংলাদেশে বাংলা নিয়ে পড়াশোনা করে সেখানে কিছুদিন চীনা দূতাবাসে কাজও করেছেন। এখন চায়না রেডিও ইন্টারন্যাশনালে কাজ করেন কাও। তার মতে, রবীন্দ্রনাথের রচনা রোমান্টিক। এ কারণেই তিনি তরুণ প্রজন্মের মধ্যে অত্যন্ত জনপ্রিয়। কাও বলেন, বাংলা থেকে সরাসরি চীনা ভাষায় রবীন্দ্রনাথের লেখা অনুবাদ করতে গিয়ে বেশ বেগ পেতে হয়েছে তার দলকে। তিনি বলেন, এর আগে তার কাজ ইংরেজী থেকে চীনা ভাষায় অনুবাদ করা হয়েছে। কিন্তু এবার প্রথমই সরাসরি বাংলা থেকে চীনা ভাষায় অনুবাদ করা হয়েছে। বাংলার পাশাপাশি রবীন্দ্রনাথ বেশকিছু সংস্কৃত শব্দও ব্যবহার করেছিলেন। অভিধানের অভাবে সেগুলো চীনা ভাষায় অনুবাদ করাও খুব কঠিন ছিল। কাও আরও বলেন, এই কাজের বিনিময়ে পারিশ্রমিকও মিলেছে সামান্য। তবে যেহেতু সবাই আবেগের বশে কাজটা করেছেন, তাই কোন বাধাই দমাতে পারেনি। বাংলাদেশের সাহিত্যিকরা অনুবাদের কাজে সাহায্য করেছেন। তবে ভারতের কারও সাহায্য নেয়া হয়নি।-পিটিআই ও এবিপি আনন্দ

প্রকাশিত : ৯ মে ২০১৬

০৯/০৫/২০১৬ তারিখের খবরের জন্য এখানে ক্লিক করুন


শীর্ষ সংবাদ: