২৩ নভেম্বর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট এই ঘন্টায়  
Login   Register        
ADS

কাঁচাপাট রফতানির নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার


কাঁচাপাট রফতানির নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার

বিশেষ প্রতিনিধি ॥ সকল প্রকার কাঁচাপাট রফতানির ওপর নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করা হয়েছে। সোমবার বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনে একথা জানানো হয়। আগামী ৩ এপ্রিল থেকে এই প্রত্যাহার আদেশ কার্যকর হবে।

প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়, ‘পাট অধ্যাদশে ১৯৬২ এর ৪ ও ১৩ ধারা মোতাবকে ২ ডিসেম্বর ২০১৫ তারিখের ২৪.০০.০০০০.১১৯.১৮.০৬৩.১২-৪৫১ নম্বর প্রজ্ঞাপনমূলে সকল প্রকার কাঁচাপাট রফতানির ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমোদনক্রমে ৩ এপ্রিল ২০১৬ তারিখ হতে প্রত্যাহার করা হলো।’

জানা যায়, গত বছরের ডিসেম্বর মাসে এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে প্রথমে কাঁচাপাট রফতানি এক মাসের জন্য বন্ধ রাখা হয়। পরবর্তীতে অনির্দিষ্টকালের জন্য কাঁচাপাট রফতানি বন্ধ করে দেয়া হয়। গত ২ ডিসেম্বর জারি করা প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়, ‘পণ্যে পাটজাত মোড়কের বাধ্যতামূলক ব্যবহার আইন-২০১০’ এর সঠিক বাস্তবায়নের নিমিত্তে পাট অধ্যাদেশ ১৯৬২-এর ৪ ও ১৩ ধারা মোতাবেক যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমোদনক্রমে পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত সকল প্রকার কাঁচাপাট রফতানি বন্ধ রাখা হলো।’

তবে অনির্দিষ্টকালের জন্য কাঁচাপাট রফতানি বন্ধ ঘোষণার পর জার্মান দূতাবাস বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়কে তা শিথিলের জন্য চিঠি দিয়ে অনুরোধ জানায়। ওই অনুরোধের পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৫ ডিসেম্বর বিশেষ চারটি প্রক্রিয়ায় প্রক্রিয়াজাত করা কাঁচাপাটের ওপর রফতানির নিষেধাজ্ঞা শিথিল করে বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়। অবশ্য মন্ত্রিসভা বৈঠক থেকেও সকল প্রকার কাঁচাপাট রফতানি বন্ধ করার আদেশ শিথিল করার পরামর্শ দেয়া হয়।

পরবর্তী সময়ে গত ৫ জানুয়ারি ৪১টি প্রতিষ্ঠানকে ২ লাখ ৭৭ হাজার বেল কাঁচাপাট রফতানির অনুমোদন দেয় বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়। এর ফলে গত বছরের ৩ নবেম্বরের আগে ইস্যু করা ২৫১টি এলসির (লেটার অব ক্রেডিট) বিপরীতে প্রতিষ্ঠানগুলো এ সুবিধা পায়।

সব ধরনের কাঁচাপাট রফতানি বন্ধের নির্দেশ দেয়া হলেও চার প্রকার পাট এই নির্দেশের বাইরে রাখা হয়েছিল। এগুলো হলো, স্বয়ংক্রিয় স্ক্যানিং, মেশিন কাট ১০-১২০ মিলিমিটারের জুট, জুট সিলভার ও জুট টো।

মূলত পণ্যে পাটজাত মোড়কের বাধ্যতামূলক ব্যবহার আইনের সঠিক বাস্তবায়নের লক্ষ্যে পাট অধ্যাদেশ ১৯৬২ মোতাবেক কাঁচাপাট রফতানি বন্ধ রাখার নির্দেশ দেয়া হয়। ইতোমধ্যে আইনের প্রায় শতভাগ সফল হয়েছে। ঢাকার কোথাও নতুন করে প্লাস্টিকের বস্তায় ধান, চাল, গম, ভুট্টা, সার ও চিনি সংরক্ষণ ও পরিবহন হচ্ছে না।