১৯ নভেম্বর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট এই মাত্র  
Login   Register        
ADS

ঈশ্বরদীতে প্রশাসনের সহায়তায় মাদক আমদানী ॥ বাড়িতে বাড়িতে অশান্তি


স্টাফ রিপোর্টার, ঈশ্বরদী ॥ ঈশ্বরদী অঞ্চলে আবারও হেরোইন ও ইয়াবাসহ নানা প্রকার মাদক দ্রব্য আমদানী হচ্ছে । সড়ক, রেল ও নৌপথে এসব মাদক দ্রব্য আমদানী হচ্ছে । দায়িত্ব পালনের চেয়ে টাকা আয়ের মোহ বেশী প্রশাসনের এমন কতিপয় সদস্য এবং শুধুমাত্র মাদক ব্যবসা ও বিভিন্ন প্রকার অপরাধমুলক কাজে জরিয়ে টাকা আয়ের জন্য যারা বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের আশ্রয়ে থাকে তারাই এসব মাদক দ্রব্য আমদানী করছে । বাঘা,চারঘাট, লালপুর ও ভেড়ামারা এই চারটি থানা পাকশী পদ্মানদী বেষ্টিত এলাকায় অবস্থিত । প্রত্যেকটি থানা এলাকা হলো মাদক আমদানীর প্রধান রুট । আবার এসব এলাকা থেকে ঈশ্বরদীর সাথে সড়ক, রেল ও নৌপথের যোগাযোগও খুব সহজ । একারণে আমদানী কারকরা সংশ্লিষ্ট থানার কতিপয় লোভী সদস্য, সংশ্লিষ্ট মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কতিপয় সদস্য এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সুবিধাবাদি সদস্যদের ম্যানেজ করে মাদকদ্রব্য আমদানী করছে । ঐসব এলাকার মাদক ব্যবসায়ী ও ঈশ্বরদী এলাকার ব্যবসায়ীরা যৌথভাবে মাদক আমদানীর পর একটা অংশ ঈশ্বরদীর অন্ততঃ ৪০ পয়েন্টে প্রকাশ্যে এবং গোপনে বিক্রি করছে । অবশিষ্ঠ অংশ আবার সড়ক ও রেলপথে পাবনা, সিরাজগঞ্জ, টাঙ্গাইল ও ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় পাচার করছে । ঈশ্বরদী থেকে মাদক পাচার করতে গিয়ে ঐসমস্ত রুটেও একইভাবে ম্যানেজ করতে হয় । মাঝে মধ্যে র‌্যাব, পুলিশ ও মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সদস্যরা দু’একটি চালান আটক করলেও চোখে ধরার মত না । বেশীরভাগ ক্ষেত্রেই সেবন কারী ও চুনোপুঁটিদের আইনের বেড়াজালে আটক হতে হয় ।

পাবনা জেলার বর্তমান এসপি আলমগীর কবীর সম্প্রতি যোগদানের পর ঈশ্বরদীর বিভিন্ন অঞ্চলের প্রায় ৫৫ মাদক ব্যবসায়ীর গডফাদার ও সদস্যদের সারেণ্ডার অনুষ্ঠানের মাধ্যমে ব্যবসা থেকে বিরত রাখেন । কিন্তু ঐসব ব্যবসায়ীদের বেশীদিন বিরত থাকা সম্ভব হয়নি । সারেণ্ডরের মাত্র কয়দিনের মাথায় আবার ঐসব ব্যবসায়ীরা আগের অবস্থানে ফিরে যায়। এক্ষেত্রেও প্রশাসনের ঐসব লোভী সদস্যদের সহযোগিতার অভিযোগ রয়েছে । অভিভাবক ও সুশীল সমাজের অভিযোগ, শুধুমাত্র মাদক আমদানী ও বিক্রির কারণে যুব সমাজ দিনদিন বিপদগামী হয়ে পড়ছে । বাড়িতে বাড়িতে অশান্তি সৃষ্টি হচ্ছে

সম্পর্কিত:
পাতা থেকে: