১৮ অক্টোবর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট এই মাত্র  
Login   Register        
ADS

সামিট পোর্টের মূলধন বাড়লেও মুনাফা কমছে


অর্খনৈতিক রিপোর্টার ॥ পুুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত সেবা খাতের কোম্পানি সামিট অ্যালায়েন্স পোর্টের ফি-বছর মূলধন বাড়লেও বিনিয়োগকারীদের কোন সুফল নেই। উল্টো মূলধন বাড়ার বিপরীতে কোম্পানিটিতে ধারাবাহিকভাবে মুনাফার পরিমাণ কমছে। এমতাবস্থায় কোম্পানিটি রাইট শেয়ার ছেড়ে আরও মূলধন বাড়াতে যাচ্ছে। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে কোম্পানির রাইট শেয়ার ছাড়ার যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে বাজার সংশ্লিষ্ট মহল।

জানা গেছে, সামিট অ্যালায়েন্স পোর্ট প্রতিটি শেয়ার ১৫ টাকা দরে ৩ কোটি ৪৩ লাখ ৫২ হাজার ৪৬৬টি শেয়ার ছেড়ে মোট ৫১ কোটি ৫৩ লাখ টাকা উত্তোলন করার অনুমোদন পেয়েছে। এই টাকার মধ্যে ৩৪ কোটি ৫৩ লাখ দিয়ে জমি ও ১৭ কোটি টাকা ঋণ পরিশোধ করবে করবে বলে প্রসপ্রেক্টাসে উল্লেখ করা হয়েছে। আর এই টাকা উত্তোলন করার লক্ষ্যে ৩০ মার্চ থেকে ২১ এপ্রিল পর্যন্ত কোম্পানিটির রাইট শেয়ারে আবেদন সংগ্রহ করা হবে।

কোম্পানিটির তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, সামিট অ্যালায়েন্স পোর্র্ট নামের কোম্পানিটি ২০০৮ সালে পুঁজিবাজার থেকে ১০ টাকা দরে শেয়ার ইস্যুর মাধ্যমে ১০ কোটি টাকা সংগ্রহ করে। এর মাধ্যমে কোম্পানিটির পরিশোধিত মূলধন বেড়ে দাড়ায় ৭৩ কোটি টাকায়। এরপরে ধারাবাহিকভাবে বোনাস শেয়ার দিয়ে ৯৯ কোটি টাকা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৭২ কোটি টাকায়। এ ছাড়া ২০১৫ সালের জন্য আরও ১৭ কোটি টাকা বোনাস শেয়ার দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে। কিন্তু কোম্পানিটির ধারাবাহিকভাবে মূলধন বাড়ার সাথে সাথে একইভাবে কমেছে মুনাফার পরিমাণ।

কোম্পানিটিতে ২০০৯ সালের থেকে ২০১০ সালে ৯ কোটি টাকা মূলধন বেড়ে হয় ৯৬ কোটি টাকা। তবে ২০০৯ সালের ৩৫ কোটি মুনাফা বা ৪.০৩ টাকার শেয়ার প্রতি আয় ২০১০ সালে হয়েছে ২০ কোটি ৫১ লাখ টাকা বা শেয়ার প্রতি ২.১২ টাকা আয়। এরপরে ২০১১ সালে মূলধন বাড়ে ২৪ কোটি টাকা, এর বিপরীতে মুনাফা হয় ১৭ কোটি বা ১.৪৪ টাকা।

অর্থনীতিবীদ ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আবু আহমেদ বলেন, মূলধন বৃদ্ধির পরেও যদি কোন কোম্পানির ব্যবসায় সম্প্রসারণ না হয় তাহলে রাইট শেয়ার ভালো না। এমনকি সে কোম্পানির বোনাস শেয়ার ইস্যু করাও ঠিক না। প্রিমিয়াম সংগ্রহের বিষয়ে তিনি বলেন, প্রথম বিষয় হল যে যত টাকা তুলে নিতে পারে।

এই বিষয়ে সামির্ট পোর্ট এলায়েন্সের ম্যানেজার আব্দুল্লাহ ওসমান সাজিদ বলেন, সুদ জনিত ব্যয় ও বড় ধরনের বিনিয়োগ থাকার কারণে টার্নওভার কম হয়েছে। আগামীতে মুনাফা ও টার্নওভার বাড়বে।

সর্বাধিক পঠিত:
পাতা থেকে: