২০ নভেম্বর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট এই মাত্র  
Login   Register        
ADS

অসাম্প্রদায়িক দেশ গড়ার প্রত্যয়


জনকণ্ঠ ডেস্ক ॥ রাজাকার, জামায়াত-শিবির ও জঙ্গীমুক্ত এবং অসাম্প্রদায়িক চেতনায় বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ের মধ্য দিয়ে শনিবার দিনব্যাপী কর্মসূচীর আয়োজনে উদযাপিত হয় স্বাধীনতা দিবস। স্টাফ রিপোর্টার, নিজস্ব সংবাদদাতা ও সংবাদদাতাদের পাঠানো খবর :

চট্টগ্রাম

শহীদ বেদীতে পুষ্পমাল্য অর্পণের পাশাপাশি বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের উদ্যোগে মিলাদ মাহফিল ও আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। ভূমি প্রতিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদের পুষ্পস্তবক অর্পণের মধ্য দিয়ে মহান স্বাধীনতা দিবসের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়। পরে একে একে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দিন, চট্টগ্রাম মহানগর সভাপতি এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরীর নেতৃত্বে মহানগর আওয়ামী লীগ, বিভাগীয় কমিশনার মোঃ রুহুল আমীন, অতিরিক্ত কমিশনার একেএম শহিদুর রহমানের নেতৃত্বে নগর পুলিশ, পুলিশের ডিআইজি শফিকুল ইসলাম, জেলা প্রশাসক মেজবাহ উদ্দিন আহমেদ, পুলিশ সুপার একেএম হাফিজ আক্তার, মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, জেলা পরিষদের প্রশাসক এম এ সালাম, সিডিএ চেয়ারম্যান আবদুচ ছালাম শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। রাজনৈতিক সংগঠনের মধ্যে সভাপতি নূরুল আলম ও সাধারণ সম্পাদক এম এ সালামের নেতৃত্বে উত্তর জেলা আওয়ামী লীগ, সাধারণ সম্পাদক ডাঃ শাহাদাত হোসেনের নেতৃত্বে নগর বিএনপি, আহ্বায়ক মহিউদ্দিন বাচ্চু ও যুগ্ম আহ্বায়ক ফরিদ মাহমুদের নেতৃত্বে নগর যুবলীগ, সভাপতি বখতিয়ার সাইদ ইরান ও সাধারণ সম্পাদক আবু তৈয়বের নেতৃত্বে উত্তর জেলা ছাত্রলীগ, নগর স্বেচ্ছাসেবক লীগ, উত্তর জেলা যুবলীগ, জাতীয় ছাত্র সমাজ, জাতীয় পার্টি নগর শাখা, জাতীয় যুব সংহতি নগর শাখা, উদীচী শিল্পীগোষ্ঠী, খেলাঘর আসর, ছাত্র মৈত্রী, সমাজতান্ত্রিক ছাত্রফ্রন্ট, ছাত্র ফেডারেশন, প্রমা, বোধন, প্রজন্ম একাত্তর, ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটিসহ বিভিন্ন সংগঠনের পক্ষ থেকে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়।

খুলনা

স্মৃতিসৌধে পুষ্পমাল্য অর্পণ, র‌্যালি, আলোচনা সভা, মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনাসহ বিভিন্ন কর্মসূচীর মধ্য দিয়ে শনিবার খুলনায় মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস পালিত হয়েছে। মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, প্রশাসন, বিএনপি, খুলনা প্রেসক্লাব, খুলনা সিটি কর্পোরেশন, সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক সংগঠন ও প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে গল্লামারী শহীদ স্মৃতিসৌধে পুষ্পমাল্য অর্পণ করা হয়। খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে ক্যাম্পাসের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে এবং খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে ক্যাম্পাসে মুক্তিযুদ্ধের ভাস্কর্য ‘দুর্বার বাংলা’র পাদদেশে শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ করা হয়।

কুড়িগ্রাম

শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে মিলাদ মাহফিলে জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা আমিনুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক, সাবেক এমপি জাফর আলী, সহ-সভাপতি চাষী করিম, সাংগঠনিক সম্পাদক সাঈদ হাসান লোবান, ছাত্রলীগের সভাপতি ওয়াহেদুন্নবী সাগর, সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলাম সাকিবসহ দলের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। অপরদিকে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে স্টেডিয়াম মাঠে বিভিন্ন সরকারী-বেসরকারী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্যারেড ও শারীরিক কসরত অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় জেলা প্রশাসক খান মোঃ নুরুল আমিন স্বাধীনতা দিবস ও জাতীয় দিবসের বাণী পাঠ করেন।

সিলেট

শহীদ মিনার বাস্তবায়ন পরিষদ নেতৃবৃন্দের পক্ষ থেকে পুষ্পস্তবক অর্পণের মধ্য দিয়ে শুরু হয় শ্রদ্ধা নিবেদন। এরপর পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সিলেট জেলা ও মহানগর ইউনিটের নেতৃবৃন্দ। মুক্তিযোদ্ধা সংসদের পর অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতের পক্ষে আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দ শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। এরপর সিলেট সিটি কর্পোরেশনের কর্মকর্তা ও কাউন্সিলরবৃন্দ, সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, বিভাগীয় কমিশনার, সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার, ডিআইজি সিলেট রেঞ্জ, জেলা প্রশাসক, জেলা পরিষদের নির্বাহী কর্মকর্তা, জেলা পুলিশ সুপার, র‌্যাব-৯ এর অধিনায়ক, সিলেট শিক্ষা বোর্ড চেয়ারম্যান, আরআরএফ কমান্ড্যান্ট, আর্মড ব্যাটালিয়ন পুলিশ, আনসার ভিডিপি, বন কর্মকর্তা, সিলেট চেম্বার অব কমার্স এ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজ, সদর উপজেলা চেয়ারম্যান, সিলেট জেলা প্রেসক্লাব, জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগ, জেলা ও মহানগর বিএনপি, যুবলীগ জেলা ও মহানগর, ছাত্রলীগ, জেলা ও মহানগর যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল, জেলা ও মহানগর ছাত্রদল, জাসদ, বাসদ, গণতন্ত্রী পার্টি, জনতা পার্টি, মহিলা আওয়ামী লীগ, জেলা ও মহানগর ছাত্রলীগ, ছাত্রফ্রন্ট, ছাত্র ইউনিয়ন, যুব ইউনিয়ন, সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন শহীদ বেদিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে।

বগুড়া

শহীদ মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতিফলক ও কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করে সকল পেশাজীবী ও সাংস্কৃতিক সংগঠনসহ সর্বস্তরের মানুষ। সরকারী-বেসরকারী সকল ভবনে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়। সকালে শহীদ চান্দু স্টেডিয়ামে শিশু কিশোর সমাবেশ ও কুচকাওয়াজে অভিবাদন গ্রহণ করেন জেলা প্রশাসক। শিশু কিশোরদের মনোজ্ঞ ডিসপ্লে দর্শকদের মুগ্ধ করে। জেলা পরিষদ মিলনায়তনে শিশুদের চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা এবং দুপুরে মুক্তিযোদ্ধা আমিনুল হক দুলাল অডিটরিয়ামে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা দেয়া হয়। সকালে কেন্দ্রস্থল সাতমাথায় মেডিক্যাল স্টুডেন্টস ফোরাম বিনামূল্যে স্বাস্থ্যসেবা ও রক্তের গ্রুপ নির্ণয় করে। বিকেলে স্টেডিয়ামে মহিলাদের ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও জেলা স্কুল মাঠে প্রীতি ফুটবল প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়।

মুন্সীগঞ্জ

সংসদ সদস্য, প্রশাসন, মুক্তিযোদ্ধা, সাংবাদিক, শিক্ষকসহ বিভিন্ন সংগঠন শ্রদ্ধা জানায়। পরে স্টেডিয়ামে ডিসপ্লে ও কুচকাওয়াজে সালাম গ্রহণ করেন জেলা প্রশাসক সাইফুল হাসান বাদল ও জেলা পুলিশ সুপার বিপ্লব বিজয় তালুকদার। এরপর মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা, ক্রীড়া, সাঁতার প্রতিযোগিতা, মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক চলচিত্র প্রদর্শনী, সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা, আলোচনাসভা ও মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানসহ নানা কর্মসূচী পালিত হয়। দিনভর স্বাধীনতা দিবসে আয়োজিত এসব অনুষ্ঠানে বঙ্গবন্ধুর ঘনিষ্ঠ সহচর মহিউদ্দিন, স্থানীয় সাংসদ সাগুফতা ইয়াসমিন এমিলি, বাবু সুকুমার রঞ্জন ঘোষ, এ্যাডভোকেট মৃণাল কান্তি দাস অংশ নেন।

লক্ষ্মীপুর

শহীদ স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে মহান মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা নিবেদন করেন, স্থানীয় সংসদ সদস্য একেএম শাহজাহান কামাল, জেলা প্রশাসক জিল্লুর রহমান চৌধুরী, পুলিশ সুপার আ স ম মাহতাব উদ্দিন, জেলা পরিষদ প্রশাসক সাবেক অতিরিক্ত সচিব শামছুল ইসলাম, জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি গোলাম ফারুক পিংকু, সাধারণ সম্পাদক এ্যাডভোকেট নূরউদ্দিন চৌধুরী নয়ন, জেলা মুক্তিযোদ্ধা ইউনিট কমান্ডার আনোয়ারুল হক মাস্টার, ডেপুটি কমান্ডার নূরজ্জামান মাস্টার।

ঝিনাইদহ

শহীদ মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতিসৌধে শহীদদের স্মরণে পুষ্পমাল্য অর্পণ করা হয়। প্রথমে জেলা প্রশাসক মাহবুব আলম তালুকদার, পুলিশ সুপার আলতাফ হোসেন পুষ্পমাল্য অর্পণ করেন। পরে র‌্যালি শেষে জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আব্দুল হাই এমপি, জেলা বিএনপির সভাপতি মসিউর রহমান, জেলা জাতীয় পার্টির সভাপতি ড. এম হারুন অর রশীদ, জেলা মুক্তিযোদ্ধা ইউনিট কমান্ডার মকবুল হোসেন, সরকারী-বেসরকারী বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান, সাংস্কৃতিক ও সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দসহ সর্বস্তরের মানুষ পুষ্পমাল্য অর্পণ করেন।

ভোলা

সরকারী স্কুলের মাঠে জেলা প্রশাসনের আয়োজনে অনুষ্ঠিত ও ডিসপ্লের উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক সেলিম উদ্দিন। পরে পুলিশ আনসার সদস্যদের পাশাপাশি বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা কুচকাওয়াজ অংশ নেয়। এ সময় সরকারী-বেসরকারী বিভিন্ন কর্মকর্তাও কর্মচারী ও বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে আগত শিক্ষার্থীরা উপভোগ করেন।

রাঙ্গামাটি

শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন জেলা প্রশাসক শামসুল আরেফিন, পুলিশ সুপার সাঈদ তারেকুল হাসান, জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান বৃষকেতু চাকমা, উন্নয়ন বোর্ড ভাইস চেয়ারম্যান তরুর কান্তি ঘোষ। এরপর মুক্তিযোদ্ধা ইউনিট পুষ্পস্তবক অর্পণ করে। পরে জেলা আওয়ামী লীগ, বিএনপি ও তাদের অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দসহ বিভিন্ন সংগঠনের পক্ষ থেকে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়। বীরশ্রেষ্ঠ মুন্সি আবদুর রইফের স্মৃতিস্তম্ভেও পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়। সকালে রাঙ্গামাটি স্টেডিয়ামে জাতীয় পতাকা উত্তোলন ও পুলিশ আনসার ভিডিপি এবং ছাত্রছাত্রীদের কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠিত হয়।

পাবনা

জেলা প্রশাসক রেখা রানী বালোর নেতৃত্বে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিস্তম্ভ দুর্জয় পাবনায় শহীদ স্মরণে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করা হয়। এরপর মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, জেলা আওয়ামী লীগ, বিএনপি, জাসদ, ওয়ার্কার্স পার্টি, পাবনা প্রেসক্লাব, পাবনা রিপোর্টার্স ইউনিটি, অন্নদা গোবিন্দ পাবলিক লাইব্রেরি, গণশিল্পী সংস্থা, উদীচী, ড্রামা সার্কেল, পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, সরকারী এডওয়ার্ড কলেজসহ বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করে।

নাটোর

স্বাধীনতা স্মৃতিস্তম্ভে সদর আসনের সংসদ সদস্য শফিকুল ইসলাম শিমুলের নেতৃত্বে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়। শঙ্কর গোবিন্দ চৌধুরী স্টেডিয়ামে জেলা প্রশাসনের আয়োজনে আনুষ্ঠানিকভাবে জাতীয় পতাকা উত্তোলন ও কুচকাওয়াজে অভিবাদন গ্রহণ করেন জেলা প্রশাসক খলিলুর রহমান। বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছাত্রছাত্রীরা ডিসপ্লে প্রদর্শন করে। এছাড়াও দিবসটি উপলক্ষে জেলা আওয়ামী লীগ শহরের কাঁদিভিটাস্থ দলীয় কার্যালয়ে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন এবং বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পমাল্য অর্পণসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক প্রতিষ্ঠান ভিন্ন ভিন্ন কর্মসূচী পালন করে।

কিশোরগঞ্জ

গুরুদয়াল সরকারী কলেজ চত্বরে মুক্তিযুদ্ধে শহীদের স্মরণে নির্মিত স্মৃতিসৌধে সর্বস্তরের মানুষ শ্রদ্ধার্ঘ্য অর্পণ করে। পরে শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম স্টেডিয়ামে জেলা প্রশাসনের ব্যবস্থাপনায় মুক্তিযোদ্ধা, সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠনসহ বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছাত্রছাত্রীদের কুচকাওয়াজ ও শরীরচর্চা প্রদর্শনীতে জেলা প্রশাসক মোঃ আজিমুদ্দিন বিশ্বাস ও পুলিশ সুপার আনোয়ার হোসেন খান পতাকা উত্তোলন ও অভিবাদন গ্রহণ করেন।

ঝালকাঠি

পুরাতন স্টেডিয়ামে জেলা প্রশাসক মিজানুল হক চৌধুরী আনুষ্ঠানিকভাবে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন ও কুচকাওয়াজে সালাম গ্রহণ করেন। এ সময় পুলিশ সুপার সুভাষ চন্দ্র সাহা উপস্থিত ছিলেন। কুচকাওয়াজ শেষে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছাত্রছাত্রীরা ডিসপ্লে প্রদর্শন করেন।

ফরিদপুর

শ্রদ্ধা নিবেদন করেন জেলা প্রশাসক সরদার সরাফত আলী, পুলিশ সুপার জামিল হাসান ও সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান খন্দকার মোহতেশাম হোসেন বাবর। পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করে জেলা প্রশাসন, পুলিশ বিভাগসহ বিভিন্ন সরকারী-বেসরকারী প্রতিষ্ঠান, সরকারী রাজেন্দ্র কলেজ, সারদা সুন্দরী মহিলা কলেজসহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, মুক্তিযোদ্ধারা, আওয়ামী লীগ, বিএনপি, সিপিবিসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, ফরিদপুর সাহিত্য ও সংস্কৃতিক সংস্থাসহ বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনসহ সর্বস্তরের ব্যক্তিবর্গ।

কুমিল্লা

কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে শনিবার প্রত্যুষে শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন করেন স্থানীয় সংসদ সদস্য হাজী আ ক ম বাহাউদ্দিন বাহার, জেলা প্রশাসক হাসানুজ্জামান কল্লোল, পুলিশ সুপার শাহ আবিদ হোসেন, জেলা প্রশাসক ওমর ফারুক, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট গোলামুর রহমান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক আবদুল মতিনসহ বিভিন্ন সরকারী-বেসরকারী প্রতিষ্ঠান, রাজনৈতিক, সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

চুয়াডাঙ্গা

কুচকাওয়াজে সালাম গ্রহণ করেন জেলা প্রশাসক সায়মা ইউনুস ও পুলিশ সুপার রশীদুল হাসান। মার্চপাস্টে ৭৭টি প্রতিষ্ঠান অংশগ্রহণ করে। হাজার হাজার দর্শক মাঠে ছোট ছোট ছেলে-মেয়েদের শারীরিক কসরত দেখে মুগ্ধ হয়। জেলা শিল্পকলা একাডেমি মুক্তমঞ্চে মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সদস্যদের সংর্বধনা দেয়া হয়।

গাইবান্ধা

কর্মসূচীর মধ্যে ছিল বিজয়স্তম্ভে পুষ্পমাল্য অর্পণ, ৩১ বার তোপধ্বনির মাধ্যমে দিবসের কর্মসূচীর সূচনা, শাহ আব্দুল হামিদ স্টেডিয়ামে আনুষ্ঠানিকভাবে পতাকা উত্তোলন, কুচকাওয়াজ, শারীরিক কসরত প্রদর্শন, শিশু-কিশোরদের রচনা ও চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা, মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা, পৌরসভা একাদশ ও জেলা প্রশাসন একাদশের মধ্যে স্টেডিয়াম মাঠে প্রীতি ফুটবল, মহিলাদের ক্রীড়ানুষ্ঠান, সন্ধ্যায় জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে ‘সুখী সমৃদ্ধ ক্ষুধা ও দারিদ্র্যমুক্ত বাংলাদেশ গঠনের লক্ষ্যে ডিজিটাল প্রযুক্তির সার্বজনীন ব্যবহার’ শীর্ষক আলোচনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।

মাগুরা

নোমানী ময়দানে শহীদ মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়। জেলা প্রশাসক মাহবুবুর রহমান ও পুলিশ সুপার একেএম এহসানউল্লাহসহ বিভিন্ন সংগঠনের পক্ষ থেকে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়।

ঠাকুরগাঁও

কেন্দ্রীয় স্মৃতিসৌধ অপরাজেয় ’৭১-এর পাদদেশে পুষ্পস্তবক অর্পণের মধ্য দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেনÑ জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি দবিরুল ইসলাম এমপি ও রমেশ চন্দ্র সেন এমপি, জেলা প্রশাসক মূকেশ চন্দ্র বিশ্বাস, পুলিশ সুপার ফারহাত আহমেদ জেলা প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসনের পক্ষে এবং একে একে মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, উদীচীসহ সরকারী, বেসরকারী, সামাজিক, সাংস্কৃতিক সংগঠনসহ সব শ্রেণী-পেশার মানুষ। শ্রদ্ধা জানাতে আসেনি জেলা বিএনপির নেতাকর্মীরা।

নেত্রকোনা

জেলা প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন, জেলা পরিষদ, পৌরসভা, আওয়ামী লীগ, বিএনপি, মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, উদীচী, স্বাবলম্বী, রেডক্রিসেন্ট সোসাইটিসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক সংগঠন ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান জেলা স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে। সকালে মোক্তারপাড়া মাঠে অনুষ্ঠিত হয় কুচকাওয়াজ। এতে অভিবাদন গ্রহণ করেন জেলা প্রশাসক ড. মুশফিকুর রহমান।

খাগড়াছড়ি

ভোরে চেঙ্গী স্কোয়ার সংলগ্ন স্মৃতিসৌধে শরণার্থী পুনর্বাসন বিষয়ক টাস্কফোর্স চেয়ারম্যান যতিন্দ্র লাল ত্রিপুরা, স্থানীয় সংসদ সদস্য কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা, জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান কংজরী চৌধুরী, জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, আওয়ামী লীগ-বিএনপিসহ রাজনৈতিক দল এবং প্রেসক্লাবসহ বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন পুষ্পার্ঘ অর্পণ করে।

বাগেরহাট

স্মৃতিস্তম্ভে জেলা প্রশাসন ও বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক এবং সাংস্কৃতিক সংগঠন পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধা নিবেদন করে। স্টেডিয়ামে মনোজ্ঞ কুচকাওয়াজ ও ডিসপ্লে অনুষ্ঠিত হয়। শিক্ষার্থী, পুলিশ, আনসার, বিএনসিসি ও রোভার স্কাউট দলের সদস্যরা মার্চপাস্টের মাধ্যমে জাতীয় পতাকার প্রতি সম্মান প্রদর্শন করেন। বক্তব্য দেনÑ ডাঃ মোজাম্মেল হোসেন এমপি, এ্যাডভোকেট মীর শওকাত আলী বাদশা এমপি, হেপী বড়াল এমপি, জেলা প্রশাসক জাহাংগীর আলম ও ভারপ্রাপ্ত পুলিশ সুপার গৌতম কুমার বিশ্বাস।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া

স্মৃতিসৌধে সূর্যোদয়ের সঙ্গে সঙ্গে জেলা প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসনসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ এবং শ্রেণী-পেশার মানুষ পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। জেলা প্রশাসক ড. মোশাররফ হোসেন, পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান পিপিএমসহ প্রশাসনের উর্ধতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। এছাড়াও অন্যান্য কর্মসূচীর মধ্যে ছিলÑ সকল সরকারী, আধাসরকারী, স্বায়ত্তশাসিত ভবনে জাতীয় পতাকা উত্তোলন, সকালে নিয়াজ মুহাম্মদ স্টেডিয়ামে আনুষ্ঠানিক জাতীয় পতাকা উত্তোলনসহ কুচকাওয়াজ, অভিবাদন গ্রহণ, ডিসপ্লে ও শরীরচর্চা প্রদর্শনী।

রংপুর

কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে সিটি কর্পোরেশনের মেয়র মুক্তিযোদ্ধা সরফুদ্দিন আহমেদ ঝন্টু পুষ্পার্ঘ্য অর্পণের মধ্য দিয়ে দিবসের সূচনা করেন।

পঞ্চগড়

শনিবার সকালে বিলুপ্ত ছিটমহলে অস্থায়ীভাবে নির্মিত স্বাধীনতা স্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণ ও জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে দিবসের সূচনা করা হয়। কুজকাওয়াজ, ক্রীড়া প্রতিযোগিতা, আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। বোদা উপজেলার বিলুপ্ত ৫৯নং পুটিমারী ছিটমহলের বীর মুক্তিযোদ্ধা সিরাজুল ইসলাম বেসরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন ও জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশিত হয়। আলোচনা সভায় বিলুপ্ত ছিটমহলের সাবেক নাগরিক কমিটির চেয়ারম্যান তসলিম উদ্দীন ও স্কুলের প্রধান শিক্ষক কামরুজ্জামান বক্তব্য রাখেন।

রাজশাহী

সকালে মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতি স্টেডিয়ামে রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার হেলালুদ্দীন আহমদ আনুষ্ঠানিক সূচনা ও জাতীয় পতাকা উত্তোলন শেষে প্যারেড পরিদর্শন করেন। সকালে জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা প্রদান করা হয়। এছাড়া নগর ওয়ার্কার্স পার্র্টির উদ্যোগে নগরীতে পতাকা সমাবেশ হয়। নগর আওয়ামী লীগ বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের করে। নেতৃত্ব দেন নগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ডাবলু সরকার। বিকেলে রিভারভিউ কালেক্টরেট স্কুলে মহিলাদের ক্রীড়া ও আলোচনা এবং মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতি স্টেডিয়ামে জেলা প্রশাসক একাদশ বনাম মুক্তিযোদ্ধা একাদশ ও মেয়র একাদশ বনাম বিভাগীয় কমিশনার একাদশের মধ্যে প্রীতি ফুটবল প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়।

ময়মনসিংহ

ফুল দিয়ে এই শ্রদ্ধা নিবেদন চলে শনিবার দুপুর পর্যন্ত। এদিকে রফিক উদ্দিন ভূঁইয়া স্টেডিয়ামে সকালে দিনব্যাপী নানা আয়োজনের উদ্বোধন করেন ধর্মমন্ত্রী অধ্যক্ষ মতিউর রহমান। বিভাগীয় কমিশনার জিএম সালেহ উদ্দিন আহমদসহ উর্ধতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

চাঁপাইনবাবগঞ্জ

সকাল ৬টা ৪ মিনিটে কালেক্টরিয়েট সংলগ্ন মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করে মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান সদর আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল ওদুদ, জেলা প্রশাসক মোঃ জাহিদুল ইসলাম, পুলিশ সুপার বশীর আহমেদ পিপিএম এবং আওয়ামী লীগ, জাসদ, সিপিবি, বিএনপি, মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, জেলা আইনজীবী সমিতিসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনসহ সর্বস্তরের মানুষ।

মাদারীপুর

শহীদ মিনারে জেলা প্রশাসন, জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, জেলা পরিষদ, পুলিশ প্রশাসন, মাদারীপুর প্রেসক্লাব, উপজেলা পরিষদ, পৌরসভা, বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও সর্বস্তরের সাধারণের শ্রদ্ধা নিবেদনের মধ্য দিয়ে শনিবার সকালে পালিত হয়েছে বাঙালীর আত্মত্যাগ অহঙ্কার স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস। এর পূর্বে জাতির পিতার প্রতিকৃতিতে ও শহীদ মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে শুরু হয় মূল আনুষ্ঠানিকতা।

নীলফামারী

পুষ্পমাল্য অর্পণ করেন জেলা প্রশাসক জাকীর হোসেন, পুলিশ সুপার জাকির হোসেন খান, জেলা পরিষদের প্রশাসক এ্যাড মমতাজুল হক, পৌরসভা মেয়র দেওয়ান কামাল আহমেদ, মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, বিচার বিভাগ, স্বাস্থ্য বিভাগ, আওয়ামী লীগ, জাতীয় পার্টি, বিএনপিসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, সংগঠন ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। পুষ্পমাল্য অর্পণ শেষে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।

জয়পুরহাট

শহীদ মিনারে জেলা প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসনের পর বিভিন্ন সংগঠন পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করে। সকালে স্টেডিয়ামে স্বাধীনতা দিবসের কুচকাওয়াজে সালাম গ্রহণ করেন জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপার। বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা কুচকাওয়াজ করে।

নওগাঁ

শহীদ স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়। জেলা প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসনের পুষ্পস্তবক অর্পণ করার পর জেলা আওয়ামী লীগ, জেলা পরিষদ, পৌরসভা, জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, সিভিল সার্জন, জেলা প্রেস ক্লাবসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠানের পক্ষ হতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়। কুচকাওয়াজে সালাম গ্রহণ করেন, জেলা প্রশাসক ড. আমিনুর রহমান ও পুলিশ সুপার মোজাম্মেল হক বিপিএম।

শেরপুর

শেরপুরে বিভিন্ন কর্মসূচীর মধ্য দিয়ে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস পালিত হয়েছে। ২৬ মার্চ শনিবার সূর্যোদয়ের সঙ্গে সঙ্গে শহীদ মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতিস্তম্ভে শহীদদের স্মরণে হুইপ আতিউর রহমান আতিক পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। এ ছাড়া জেলা প্রশাসন, পুলিশ, মুক্তিযোদ্ধা সংসদ এবং বিভিন্ন সংস্থা ও সংগঠনের পক্ষ থেকে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়।

নড়াইল

মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতিস্তম্ভ, জজকোর্ট সংলগ্ন বধ্যভূমি ও রূপগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ড চত্বরে গণকবরে শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন করেন নড়াইল জেলা প্রশাসন, জেলা পরিষদ, পুলিশ প্রশাসন, মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, আওয়ামী লীগ, নড়াইল পৌরসভা, নড়াইল প্রেসক্লাবসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন। এছাড়া দৌলতপুর, টঙ্গী, দাউদকান্দি ভালুকা, মামুড়হুদা, রায়পুর, ভৈরব, দুর্গাপুর, কেশবপুর, মির্জাপুর, নবীনগর, কেরানীগঞ্জ, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ও ইসলামিক বিশ্ববিদ্যালয়ে স্বাধীনতা দিবসে নানা আয়োজন ছিল।