১৩ ডিসেম্বর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট পূর্বের ঘন্টায়  
Login   Register        
ADS

সাম্প্রদায়িকতা, জঙ্গীবাদ ও সন্ত্রাস মোকাবেলায় আওয়ামী লীগ


(২৩ মার্চের পর)

২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বিএনপি-জামায়াত জোটের ঐ নির্বাচন বর্জন ও তা প্রতিহত করতে তাদের হরতাল-অবরোধ, চলন্ত বাসে আগুন ও পেট্রোলবোমা নিক্ষেপ করে সাধারণ মানুষ, পুলিশ ও অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের হত্যাসহ নানা চরম সন্ত্রাসী কর্মকা- এবং এক বছর পূর্তিতে ২০১৫ সালের জানুয়ারি থেকে মার্চ পর্যন্ত একটানা ৯২ দিন অনুরূপ সন্ত্রাসী কর্মকা-ের কারণে সারাদেশে এক চরম অস্থিতিশীল ও নৈরাজ্যকর পরিস্থিতির উদ্ভব হয়েছিল। প্রধানমন্ত্রীকে স্বপদে রেখে মন্ত্রিসভার আসন ভাগাভাগি করে গঠিত অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের অধীনে নির্বাচনে অংশগ্রহণেও বিএনপি কোনমতেই সম্মত হয়নি। সঙ্কট এমন রূপ পরিগ্রহ করে যে, রাজনীতির প-িতরাও কিংকর্তব্যবিমূঢ় হয়ে পড়েন। চতুর্দিকে আশঙ্কাÑ এই বুঝি সেনাশাসন এলো। এমনি একটি সন্ধিক্ষণে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যে সাহস, দৃঢ়তা, ধৈর্য ও বিচক্ষণতার সঙ্গে পরিস্থিতি মোকাবেলা করে ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি জাতীয় সংসদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত করেছেন তা বোধ করি তিনি ভিন্ন দ্বিতীয় আর কারো পক্ষে সম্ভব ছিল না। এটি স্বীকার্য, ঐ নির্বাচন প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ছিল না। অর্ধেকেরও বেশি আসনে (১৫৩টি) বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় প্রার্থীরা নির্বাচিত হন। প্রধান বিরোধী দল বা জোটের নির্বাচন বর্জন ও তা প্রতিহত করতে পূর্বে উল্লিখিত সর্বপ্রকার সন্ত্রাসী-ধ্বংসাত্মক কর্মসূচীর মুখে নির্বাচনের চিত্র এমনটি হওয়া কিছুতেই অস্বাভাবিক ছিল না। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে এর বিকল্প কী ছিল? একমাত্র বিকল্প ছিল সেনাশাসন, যা কিছুতেই দেশবাসীর কাম্য ছিল না। সেনাশাসনের তিক্ত ও বিরূপ অভিজ্ঞতা জাতির রয়েছে। শেখ হাসিনার দৃঢ় ও সাহসী নেতৃত্বের কারণেই দেশ আজ সেনা শাসনমুক্ত এবং বেসামরিক শাসন ব্যবস্থা অব্যাহত আছে।

সামগ্রিকভাবে সাম্প্রদায়িকতা, জঙ্গীবাদ ও সন্ত্রাস দমন বা মোকাবেলায় তিন দফায় শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকারের গৃহীত পদক্ষেপসমূহ হচ্ছে এরূপ :

১.সর্বপ্রকার সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স ঘোষণা;

২.সন্ত্রাসী ও জঙ্গীবাদী গোষ্ঠীর প্রতি রাষ্ট্রীয় ও সরকারী পৃষ্ঠপোষকতা সম্পূর্ণ বন্ধ করা;

৩.আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হাতে নিয়মিত সন্ত্রাসী ও জঙ্গীগোষ্ঠীর সদস্যদের অস্ত্র ও গোলাবারুদসহ গ্রেফতার হওয়া;

৪.সন্ত্রাস-জঙ্গীবাদ দমনে বিশেষ এলিট ফোর্স গঠনের উদ্যোগ;

৫.মাদ্রাসা শিক্ষার আধুনিকায়ন ও জাতীয় শিক্ষানীতি ২০১০ প্রণয়ন;

৬. প্রতিবেশী ভারতের উত্তর-পূর্ব অঞ্চলের রাজ্যসমূহের সন্ত্রাসী ও বিচ্ছিন্নতাবাদী গ্রুপসমূহের অস্ত্র চোরাচালানের করিডর হিসেবে বাংলাদেশের ভূখ- ব্যবহার বন্ধ করা;

৭. দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক ফোরাম ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে শান্তির পক্ষে ও সব ধরনের সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে সুস্পষ্ট ও সুদৃঢ় অবস্থান গ্রহণ।

পরিশেষে, আওয়ামী লীগ শুধু দেশের পুরনো ও সর্ববৃহৎ রাজনৈতিক দলই নয়, এটি হচ্ছে গণতন্ত্র ও অসাম্প্রদায়িক ভাবাদর্শের মূলধারাও। প্রতিষ্ঠা থেকে শুরু করে গত ৬৭ বছর ধরে নানা

আন্দোলন-সংগ্রামের মধ্য দিয়ে আওয়ামী লীগ আমাদের সমাজ-রাজনীতির এ ধারাকে নিরবচ্ছিন্নভাবে এগিয়ে নিচ্ছে। আওয়ামী লীগ দুর্বল হলে সমাজ-রাজনীতির এ ধারা দুর্বল হয়, আওয়ামী লীগ সবল হলে এটিও সবল হয়, এতে গতি সঞ্চারিত হয়। এক কথায়, বাংলাদেশের সমাজ-রাজনীতির উন্নয়ন-অগ্রগতি ও এর প্রগতিশীল রূপান্তরের সঙ্গে আওয়ামী লীগের অবস্থান অবিচ্ছেদ্য।

১৯৭৪ সালের ১৮ জানুয়ারি আওয়ামী লীগের দ্বিবার্ষিক কাউন্সিল অধিবেশনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তাঁর উদ্বোধনী ভাষণে দলের নেতাকর্মীদের উদ্দেশে সাম্প্রদায়িকতা মোকাবেলায় যে নির্দেশনামূলক বক্তব্য রেখেছিলেন, তা আজ শুধু আওয়ামী লীগের জন্যই নয়, স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের অসাম্প্রদায়িক চেতনা ও আদর্শে বিশ্বাসী সকলের জন্যই প্রণিধানযোগ্য:

রাজনীতিতে যারা সাম্প্রদায়িকতা সৃষ্টি করে, যারা সাম্প্রদায়িক তারা হীন, নীচ, তাদের অন্তর ছোট। যে মানুষকে ভালোবাসে সে কোনদিন সাম্প্রদায়িক হতে পারে না। আপনারা যাঁরা এখানে মুসলমান আছেন তাঁরা জানেন যে, খোদা যিনি আছেন তিনি রাব্বুল আলামীনÑরাব্বুল মুসলেমিন নন। হিন্দু হোক, খ্রিস্টান হোক, মুসলমান হোক, বৌদ্ধ হোকÑসমস্ত মানুষ তার কাছে সমান।... যারা এই বাংলার মাটিতে সাম্প্রদায়িকতা করতে চায় তাদের সম্পর্কে সাবধান হয়ে যেও। আওয়ামী লীগের কর্মীরা, তোমরা কোন দিন সাম্প্রদায়িকতাকে পছন্দ করনি। তোমরা জীবনভর তার বিরুদ্ধে সংগ্রাম করেছ। তোমাদের জীবনে [অঙ্গীকার] থাকতে হবে যেন বাংলার মাটিতে আর কেউ সাম্প্রদায়িকতার বীজ বপন করতে না পারে।

তথ্যনির্দেশ

১. দ্রষ্টব্য ড. হারুন-অর-রশিদ, বাংলাদেশ : রাজনীতি, সরকার ও শাসনতান্ত্রিক উন্নয়ন ১৭৫৭-২০০০, ঢাকা ২০০১, পৃ. ১৭০-১৭৩; সিরাজুল ইসলাম (সম্পাদিত), বাংলাপিডিয়া (প্রথম খ-), এশিয়াটিক সোসাইটি অব বাংলাদেশ, ঢাকা ২০০৩, পৃ. ৩৩৬-৩৩৮

২. দ্রষ্টব্য ড. হারুন-অর-রশিদ, বাঙালীর জাতীয় মুক্তির সংগ্রাম ও জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, বাংলাদেশ ইতিহাস সম্মিলনী, ঢাকা ২০১৪, পৃ. ড. হারুন-অর-রশিদ, আমাদের বাঁচার দাবি : ৬ দফার ৫০ বছর, বাংলা একাডেমি, ঢাকা ২০১৬, পৃ. ৬৮-৭৫; গ.জ. ঞধৎধভফধৎ, ঐঁংধরহ ঝযধযর ইবহমধষ : অ ঝড়পরড়-চড়ষরঃরপধষ ঝঃঁফু, উযধশধ ১৯৬৫, চধংংরস; আরো নূহ-উল-আলম লেনিন, বাঙালি সমাজ ও সাহিত্যে সাম্প্রদায়িকতা এবং মৌলবাদ, বাংলা একাডেমি, ঢাকা ২০১৫

৩. বিস্তারিত দ্রষ্টব্য ঐধৎঁহ-ড়ৎ-জধংযরফ, ঞযব ঋড়ৎবংযধফড়রিহম ড়ভ ইধহমষধফবংয : ইবহমধষ গঁংষরস খবধমঁব ধহফ গঁংষরস চড়ষরঃরপং, ১৯০৬-১৯৪৭, টচখ, ঞযরৎফ ওসঢ়ৎবংংরড়হ, উযধশধ ২০১৫, চধংংরস; আরো ১৯৫৫ সালে আওয়ামী লীগের কাউন্সিল অধিবেশনে বঙ্গবন্ধুর সাধারণ সম্পাদকের রিপোর্ট, নূহ-উল-আলম লেনিন (রচনা, গ্রন্থনা ও সম্পাদনা), বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ : সংক্ষিপ্ত ইতিহাস ও নির্বাচিত দলিল, সময় প্রকাশন, ঢাকা ২০১৫, পৃ. ১৮৯

৪. দ্রষ্টব্য ১৯৫৫ সালে আওয়ামী লীগের কাউন্সিল অধিবেশনে বঙ্গবন্ধুর সাধারণ সম্পাদকের রিপোর্ট, প্রাগুক্ত; পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার পর কমিউনিস্ট ভাবাপন্ন বামপন্থী কর্মীদের সঙ্গে গণতান্ত্রিক যুবলীগের কর্মসূচী প্রণয়ন নিয়ে বঙ্গবন্ধুর মতবিরোধ এবং পরে এর সঙ্গে সম্পর্কচ্ছেদের ব্যাপারে বঙ্গবন্ধু তাঁর আত্মজীবনীতে যে কথা বলেছেন, তাও এখানে প্রণিধানযোগ্য: ‘দুই মাস হলো দেশ স্বাধীন হয়েছে। এখন [অন্য] কোন দাবি করা উচিত হবে না। মিছামিছি আমরা জনগণ থেকে দূরে সরে যাব... আমাদের দেশের কমিউনিস্ট ভাবাপন্ন সহকর্মীরা... এই সকল কর্মসূচী (‘স্বাধীনতা আসে নাই, সংগ্রাম করে স্বাধীনতা আনতে হবে’) নিয়ে এখনই জনগণের কাছে গেলে আমাদের ওপর থেকে আস্থা হারিয়ে ফেলবে এবং যে কাজ এখন বিশেষ প্রয়োজন, সাম্প্রদায়িক মিলনের কথা বললেও লোকে আমাদের কথা শুনতে চাইবে না।’ অসমাপ্ত আত্মজীবনী, ইউপিএল, ঢাকা ২০১২, পৃ. ৮৫

৫. শেখ মুজিবুর রহমান, অসমাপ্ত আত্মজীবনী, পৃ. ১২১; ১৯৪৮ সালের ৪ জানুয়ারি প্রতিষ্ঠিত পূর্ব পাকিস্তান মুসলিম ছাত্রলীগের নামের সঙ্গে ‘মুসলিম’ শব্দটি থাকায় কেউ-কেউ (যেমন অলি আহাদ) এর সঙ্গে যুক্ত হতে অস্বীকৃতি জ্ঞাপন করলে বঙ্গবন্ধু সে ব্যাপারে তাঁর অভিব্যক্তি এভাবে প্রকাশ করেন : “এখনও সময় আসে নাই। রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও দেশের আবহাওয়া চিন্তা করতে হবে। নামে কিছুই আসে যায় না। আদর্শ যদি ঠিক থাকে, তবে নাম পরিবর্তন করতে বেশি সময় লাগবে না। কয়েক মাস হলো পাকিস্তান পেয়েছি। যে আদর্শের মাধ্যমে পাকিস্তান পেয়েছি, সেই মানসিক অবস্থা থেকে জনগণ ও শিক্ষিত সমাজের মতো পরিবর্তন করতে সময় লাগবে”, শেখ মুজিবুর রহমান, অসমাপ্ত আত্মজীবনী, পৃ. ৮৯

৬. নূহ-উল-আলম লেনিন, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ, পৃ. ১৯৯

৭. শেখ মুজিবুর রহমান, অসমাপ্ত আত্মজীবনী, পৃ. ২৩৫-২৩৬; ঐধৎঁহ-ড়ৎ-জধংযরফ, ঞযব ঋড়ৎবংযধফড়রিহম ড়ভ ইধহমষধফবংয, ঢ়ঢ়. ১৪৯-১৮০; হারুন-অর-রশিদ, বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত আত্মজীবনী পুনর্পাঠ, তৃতীয় মুদ্রণ, ইউপিএল, ঢাকা ২০১৫, পৃ. ৪৫-৫২; হারুন-অর-রশিদ, ৬ দফার ৫০ বছর, পৃ. ১৫-২০

৮.শেখ মুজিবুর রহমান, অসমাপ্ত আত্মজীবনী, পৃ. ১৯৬-১৯৭; হারুন-অর-রশিদ, বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত আত্মজীবনী পুনর্পাঠ, পৃ. ৩৯-৪৪

৯.ঐধৎঁহ-ড়ৎ-জধংযরফ, ঞযব ঋড়ৎবংযধফড়রিহম ড়ভ ইধহমষধফবংয, ঢ়ঢ়.৩২-৪০; হারুন-অর-রশিদ, বাংলাদেশ : রাজনীতি সরকার ও শাসনতান্ত্রিক উন্নয়ন, পৃ. ৯১-৯৩

১০. ঈড়হংঃরঃঁবহঃ অংংবসনষু ড়ভ চধশরংঃধহ উবনধঃবং, ২১ ঔধহঁধৎু ১৯৫৬, ঢ়ঢ়. ১৯০৩-১৯০৭; ওনরফ., ২১ ঋবনৎঁধৎু ১৯৫৬, ঢ়ঢ়. ৩৩৭৬-৩৩৭৭; ঊধংঃ চধশরংঃধহ অংংবসনষু উবনধঃবং, ১ ঙপঃড়নবৎ ১৯৫৬, ঢ়ঢ়. ১৯১-১৯৩; আরো বঙ্গবন্ধু পরিষদ, বাঙালীর কণ্ঠ, ঢাকা ১৯৯৯, পৃ. ২৭-৫০

১১. ঈড়হংঃরঃঁবহঃ অংংবসনষু ড়ভ চধশরংঃধহ উবনধঃবং, ২১ ঔধহঁধৎু ১৯৫৬

১২. দ্রষ্টব্য বঙ্গবন্ধু পরিষদ, মৃত্যুঞ্জয়ী মুজিব, ঢাকা ১৯৯৫, পরিশিষ্ট-২, পৃ. ১৩০-১৩৩; আবদুল ওয়াহাব (সম্পাদিত), বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ : ইতিহাস ও তত্ত্ব, মাওলা ব্রাদার্স, ঢাকা ২০১৪, পরিশিষ্ট-গ, পৃ. ৫২৪-৫২৭

১৩.১৯৭২-১৯৭৫ এ-সময়ে আওয়ামী লীগের ৫ জন সংসদ সদস্য যথা-সওগাতুল আলম ছগীর (পিরোজপুর), নূরুল হক (শরীয়তপুর), মোতাহার উদ্দিন আহমেদ (ভোলা), মইনুদ্দিন নিয়াজী (যশোর) ও গোলাম কিবরিয়া (কুষ্টিয়া) এদের হাতে নিহত হন। আরো দ্রষ্টব্য নূহ-উল-আলম লেনিন, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ, পৃ. ৭০

১৪.ঝবব ঐধৎঁহ-ড়ৎ-জধংযরফ, “উবংবপঁষধৎরংধঃরড়হ ধহফ জরংব ড়ভ চড়ষরঃরপধষ ওংষধস রহ ইধহমষধফবংয,” ঔড়ঁৎহধষ ড়ভ ঃযব অংরধঃরপ ঝড়পরবঃু ড়ভ ইধহমষধফবংয (ঐঁস), ঠড়ষ. ৫৭(১), ২০১২, ঢ়ঢ়. ২৯-৪০

১৫.ঝবব ঐধৎঁহ-ড়ৎ-জধংযরফ, “জবষরমরড়হ ওংষধস রহ ঝড়পরধষ ধহফ চড়ষরঃরপধষ ঞৎধহংভড়ৎসধঃরড়হ : ঞযব ঈধংব ড়ভ ইধহমষধফবংয”, জওঘউঅ ওহঃবৎহধঃরড়হধষ ঝুসঢ়ড়ংরঁস ঝবৎরবং ১(২০১০), জুঁশড়শঁ টহরাবৎংরঃু, কুড়ঃড়, ঔধঢ়ধহ, ঢ়ঢ়. ৭৫-৮৭

১৬. এক পরিসংখ্যানে দেখা যায় ২০১২ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশে এ ধরনের সংগঠনের সংখ্যা ছিল ১১৪টি। আবুল বারকাত, বাংলাদেশে মৌলবাদের রাজনৈতিক-অর্থনীতি, একাত্তরের ঘাতক-দালাল নির্মূল কমিটি, ঢাকা ২০১২ পৃ. ২২; আরো শাহরিয়ার কবির, বাংলাদেশে জঙ্গী মৌলবাদ, অনন্যা, ঢাকা ২০০৬, পরিশিষ্ট-২, পৃ. ১১০-১১২

১৭. হারুন-অর-রশিদ, বাংলাদেশের রাজনৈতিক উন্নয়ন : বঙ্গবন্ধু থেকে শেখ হাসিনা, নিউ এজ পাবলিকেশন্স, ঢাকা ২০১২, পৃ. ১০৭-১০২৩; আরো অনুপম সেন ও মুনতাসীর মামুন (সম্পাদিত), রাষ্ট্র সমাজ সংস্কৃতি, সুবর্ণ, ঢাকা ২০১৬, পৃ. ৩৬৯-৩৮৭

১৮. ঐধৎঁহ-ড়ৎ-জধংযরফ, “জবষরমরড়হ ওংষধস রহ ঝড়পরধষ ধহফ চড়ষরঃরপধষ ঞৎধহংভড়ৎসধঃরড়হ”, ঢ়ঢ়. ৭৫-৮৭; আবুল বারকাত, মৌলবাদের রাজনৈতিক-অর্থনীতি; আরো শাহরিয়ার কবির, বাংলাদেশে জঙ্গী মৌলবাদ।

১৯. পেট্রোল বোমার আঘাতে পুলিশ বাহিনীর ২০ জন সদস্য এবং দেড় শতাধিক সাধারণ মানুষ নিহত হন। অনেকে অগ্নিদগ্ধ অবস্থায় কোনক্রমে প্রাণে বেঁচে আছেন। শিশু, বৃদ্ধ, মহিলা কেউ এদের হাত থেকে পরিত্রাণ পায়নি। পরিবহনসহ প্রচুর সম্পদের হানি ঘটে।

২০. বঙ্গবন্ধু পরিষদ, বাঙালীর কণ্ঠ, পৃ. ৩৫২; মিজানুর রহমান মিজান (সম্পাদিত) বঙ্গবন্ধুর ভাষণ, নভেল পাবলিকেশন্স, ঢাকা ১৯৮৮, পৃ. ১৪০-১৪১ (সমাপ্ত)