১৮ নভেম্বর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট এই মাত্র  
Login   Register        
ADS

নানা আয়োজনে বিনম্র শ্রদ্ধায় কালরাতের শহীদদের স্মরণ


স্টাফ রিপোর্টার ॥ একাত্তরের পঁচিশে মার্চ। রাতের আঁধারে নিরস্ত্র বাঙালীর ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে সশস্ত্র পাক হানাদার বাহিনী। অপারেশন সার্চ লাইটের নামে ঢাকার বুকে চালানো হয় নিষ্ঠুরতম হত্যাযজ্ঞ। বাঙালী জাতির জীবনে নেমে আসে কালরাত। তাজা রক্তে ভিজে যায় রাজপথ। ঝরে পড়ে অজস্র নিষ্পাপ প্রাণ। শুক্রবার ছিল সেই বিভীষিকাময় দিন। এদিন কালরাত্রি স্মরণে রাজধানীতে নানা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। প্রতিটি অনুষ্ঠানের স্বাধীনতা দিবসের আনন্দের সঙ্গে মিশে যায় বেদনার গল্পগাথা। আলোক প্রজ্ব¡লন, পদযাত্রা, গান, কবিতা, আলোচনা, নাচসহ নানা আনুষ্ঠানিকতায় স্মরণ করা হয় কালরাতের শহীদদের।

ছবির হাটে প্রাচ্যনাটের লাল যাত্রা ॥ কালরাত্রি স্মরণে শুক্রবার বিকেলে লাল যাত্রা শীর্ষক অনুষ্ঠানের আয়োজন করে নাট্যদল প্রাচ্যনাট। স্বাধীনতার স্মৃতিবিজড়িত সোহরাহওয়ার্দী উদ্যানের ছবির হাট থেকে বের করা হয় শোভাযাত্রা। কালো পাড়ে আবৃত বিশাল আকৃতির লাল পতাকা হাতে নিয়ে এগিয়ে যায় দলটি। গোলাপের লাল পাপড়ি ছড়াতে ছড়াতে টিএসসি হয়ে স্বাধীনতা স্তম্ভে গিয়ে শেষ হয় এই পদযাত্রা। এ সময় সবার মুখে উচ্চারিত হয় ‘ধনধান্য পুষ্পভরা আমাদের এই বসুন্ধরা’ গানটি। পুরো আয়োজনটিকে উৎসর্গ করা হয় ধর্ষণ ও নির্যাতনে নিহত নাট্যকর্মী তনুকে। পদযাত্রার আগে ছবির হাটে অনুষ্ঠিত হয় লাল যাত্রা শীর্ষক সংক্ষিপ্ত পরিবেশনা। পাক বাহিনীর অতর্কিত হামলায় একটি সুখী-সমৃদ্ধ গ্রামের মানুষের জীবন তছনছ হয়ে যাওয়ার কাহিনী তুলে ধরা হয় পরিবেশনাটিতে।

শিল্পকলার নন্দন মঞ্চে আলোক প্রজ্বলন ॥ স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে তিন দিনব্যাপী অনুষ্ঠানমালার আয়োজন করেছে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি। এ অনুষ্ঠানের অংশ হিসেবে শুক্রবার সন্ধ্যায় ছিল আলোক প্রজ্বলন কর্মসূচী। সন্ধ্যায় একাডেমির নন্দন মঞ্চটি যেন হয়ে ওঠে আলোর মিছিল। মঞ্চের তিন ধার ধরে প্রজ্বলিত আলোকশিখার মাধ্যমে স্মরণ করা হয় কালরাতের শহীদদের। এছাড়াও এদিনের আয়োজনে ছিল সাংস্কৃতিক পরিবেশনা। অনুষ্ঠানের অংশ হিসেবে একাডেমির আয়োজনে খুলনার চুকনগর গণহত্যার স্মরণে খুলনা জেলায় অনুষ্ঠিত হয় ১৫ শিল্পীর অংশগ্রহণে আর্টিস্ট ক্যাম্প।

শহীদ মিনারে সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের অনুষ্ঠান ॥ ‘সার্থক জনম আমার জšে§ছি এই দেশে’ প্রতিপাদ্যে সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের তিন দিনের স্বাধীনতা উৎসবের দ্বিতীয় দিন ছিল শুক্রবার। এদিন কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে আয়োজিত অনুষ্ঠানের শুরুতেই কুমিল্লার নাট্যকর্মী ও আবৃত্তিশিল্পী সোহাগী জাহান তনুর নির্মম হত্যাকা-ের বিচার চেয়ে বক্তব্য রাখেন গ্রুপ থিয়েটার ফেডারেশানের সেক্রেটারি জেনারেল আকতারুজ্জামান। দলীয় সঙ্গীত পরিবেশন করে সত্যেন সেন শিল্পীগোষ্ঠী ও বহ্নিশিখা। একক সঙ্গীত পরিবেশন করেন মনোরঞ্জন ঘোষাল, ইফফাত আরা নার্গিস, এটিএম জাহাঙ্গীর ও আবিদা রহমান সেতু। দলীয় আবৃত্তি পরিবেশন করে প্রকাশ সাহিত্য সাংস্কৃতিক সংগঠন ও কলতান। একক আবৃত্তি করেন অনিমেষ কর ও সুবিদিতা চন্দ সোনালী। দলীয় নৃত্য পরিবেশন করে স্পন্দন ও দিব্য সাংস্কৃতিক সংগঠন। পথনাটক পরিবেশন করে মৈত্রী থিয়েটার।

ধানম-ির রবীন্দ্র সরোবরে জোটের অনুষ্ঠানে দলীয় সঙ্গীত পরিবেশন করে ক্রান্তি, সাতসুর ও পঞ্চভাস্বর। একক সঙ্গীত পরিবেশন করেন আশিকুর রহমান ও আরিফুর রহমান তিমন। দলীয় আবৃত্তি পরিবেশন করে মুক্তধারা, ঢাকা স্বরকল্পন ও ত্রিলোক। একক কণ্ঠে আবৃত্তি করেন সিদ্দিকুর রহমান পারভেজ ও জোবায়দা লাবনী। নৃত্য পরিবেশন করে বাফা এবং পথনাটক মঞ্চস্থ করে দৃষ্টিপাত নাট্য সংসদ ও থিয়েটার।

জাদুঘরে আলোচনা অনুষ্ঠান ‘মুক্তিযোদ্ধাদের গল্প’ ॥ মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদ্যাপন উপলক্ষে বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘর শুক্রবার কবি সুফিয়া কামাল মিলনায়তনে ‘মুক্তিযোদ্ধাদের গল্প’ শীর্ষক আলোচনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন বিশিষ্ট চিত্রশিল্পী ও জাদুঘর বোর্ড অব ট্রাস্টিজের সম্মানিত সদস্য হাশেম খান। আলোচনায় অংশ নেন কম্পট্রোলার এ্যান্ড অডিটর জেনারেল ও কথাসাহিত্যিক মাসুদ আহমেদ এবং খুলনা বিভাগের বিভাগীয় কমিশনার আব্দুস সামাদ। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জাদুঘর বোর্ড অব ট্রাস্টিজের সভাপতি এম. আজিজুর রহমান।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে শিল্পী হাশেম খান বলেন, একাত্তরে নয় মাস জীবনবাজি রেখে অনেক মুক্তিযোদ্ধা যুদ্ধ করে শহীদ হন, আবার অনেকে বীরের বেশে দেশে ফিরে এসে দেশ পুনর্গঠনে আত্মনিয়োগ করেন। জাদুঘরের তিনটি গ্যালারিতে মুক্তিযুদ্ধের প্রকৃত ইতিহাস তুলে ধরা হয়েছে এবং মুক্তিযুদ্ধের স্মারক প্রদর্শনের ব্যবস্থা করা হয়েছে। এসব তথ্য ভবিষ্যত প্রজন্মকে সঠিক ইতিহাস চর্চায় উদ্বুদ্ধ করবে। মুক্তিযুদ্ধের অসমাপ্ত কাজ বাস্তবায়নে জাতি আজ ঐক্যবদ্ধ।

মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের স্বাধনতা উৎসব ॥ চলছে মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর আয়োজিত সপ্তাহব্যাপী স্বাধীনতা উৎসব ও বিশতম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠান। এ উৎসবের চতুর্থ দিন ছিল শুক্রবার। এদিন দলীয় আবৃত্তি পরিবেশন করে স্বরশ্রুতি ও মুক্তধারা আবৃত্তি চর্চা কেন্দ্র। সাংস্কৃৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশন করে বধ্যভূমির সন্তানদল ও মাতুয়াইল সঙ্গীত একাডেমি। দলীয় সঙ্গীত পরিবেশন করে নিবেদন। পথনাটক ‘কানার হাটবাজার’ মঞ্চস্থ করে নাট্যভূমি। সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টায় জাদুঘর প্রাঙ্গণে কালরাত্রি স্মরণে প্রদীপ প্রজ্ব¡লন করা হয়।

মিরপুর জল্লাদখানা বধ্যভূমি স্মৃতিপীঠেও ছিল মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের আয়োজন। সেখানে সাংস্কৃতিক পরিবেশনায় অংশ নেয় সঙ্গীতাঙ্গন মনিপুর, শহিদ আবু তালেব উচ্চ বিদ্যালয়, মৃদঙ্গ নৃত্যালয়, বুলবুল একাডেমী অব ফাইন আর্টস (বাফা), স্রোত আবৃত্তি সংসদ, আমরা ক’জন নবীন মাঝি, সঙ্গীত সমাজ কল্যাণপুর ও মিরপুর সাংস্কৃতিক ঐক্য ফোরাম।

স্বাধীনতা চারুশিল্পী পরিষদ ॥ স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে স্বাধীনতা চারুশিল্পী পরিষদের আয়োজনে শুক্রবার থেকে শুরু হয়েছে ‘গণহত্যা ৭১ চিত্রকলা এবং বাঙালীর স্বাধীনতা সংগ্রামের আলোকচিত্র’ শীর্ষক দুই দিনের প্রদর্শনী। সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের স্বাধীনতা স্তম্ভের দেয়ালে অনুষ্ঠিত প্রদর্শনীটির উদ্বোধন করেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক। শিল্পী আনোয়ার হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন পরিষদের সভাপতি শিল্পী আশরাফুল আলম পপলু।

এতে দশটি চিত্রকর্ম স্থান পেয়েছে। এর শিল্পীরা হলেন- গোপু ত্রিবেদী, দুলাল চন্দ্র গাইন, শহীদ কাজী, আব্দুস সাত্তার তৌফিক, মেনাজ পাল, যূঁথী, রশিদুল মানিক প্রমুখ। এছাড়াও মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের সৌজন্যে শতাধিক মুক্তিযুদ্ধের আলোকচিত্র প্রদর্শনীতে স্থান পেয়েছে।

আজ শনিবার স্বাধীনতা দিবসে দিনভর দর্শনার্থীদের জন্য খোলা থাকবে উন্মুক্ত এ প্রদর্শনী।

সৈয়দ হকের আবৃত্তি সন্ধ্যায় কালরাত্রি ॥ স্বাধীনতা দিবসের আগের দিন শুক্রবার স্বরচিত কবিতাপাঠ করে শ্রোতাদের মাঝে একাত্তরের চেতনা ছড়িয়ে দিলেন সব্যসাচী লেখক সৈয়দ শামসুল হক। ভারতীয় হাইকমিশনের ইন্দিরা গান্ধী সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের (আইজিসিসি) আয়োজনে গতকাল শুক্রবার একক কবিতা সন্ধ্যায় তিনি একে একে কবিতা পাঠ করে মহান মুক্তিযুদ্ধের নানা ঘটনা বর্ণনা করলেন। কবিতার ছত্রে ছত্রে তুলে ধরেন একাত্তরে ২৫ মার্চ কালরাত্রির কথা ও জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর কথা। বাল্যস্মৃতিও তুলে ধরেন তিন। তবে সবকিছু ছাপিয়ে বেশ নাড়া দেয় দিয়েছে ১৯৭১ সালে রচিত কবিতাগুলো। কথা কথায় জানালেন একাত্তরে ২৫ মার্চ রাত্রিকে তিনি তার গ্রীন রোডের বাসায় ছিলেন। কিন্তু তার মনে উৎকণ্ঠা দেশ নিয়ে। ওইদিনই তার কলম থেকে বের হয়ে তেমন কিছু পঙ্ক্তিমালা। সে সব পঙ্্ক্তিমালা উচ্চারণ করে শোনালেন তিনি। তারও শোনালেন ২৫ থেকে ৩১ মার্চ পর্যন্ত তিনি বেশ কিছু কবিতা লিখেছিলেন। যেগুলো তিনি লিখেছেন যুদ্ধকালীন ঢাকার দৃশ্যপট দেখে। পাশাপাশি কবিতা রচনা প্রেক্ষাপট বর্ণনা করেন। কবিকণ্ঠে সব উচ্চারণ পিনপতন নীরবতা উপভোগ করলেন কবিতাপ্রেমীরা। দেশভাগের সময় কবির বয়স ছিল ১২ বছর। ‘পরিমলদের বাড়ি’ শিরোনামে একটি কবিতা লিখেছেন তিনি দেশভাগের কথা নিয়ে। সেই কবিতাও পাঠ করেন তিনি। সোয়া ঘণ্টাব্যাপী এই আয়োজনে বিভিন্ন কবিতা পাঠ করেন কবি। প্রেমের কবিতা ‘তুমি কি জান, তুমি আমার কতটা এবং কী’ পাঠের মধ্য দিয়ে কবিতাসন্ধ্যার ইতি টানেন কবি-লেখক সৈয়দ শামসুল হক।

কবিতাসন্ধ্যায় দর্শকসারিতে বসে অনুষ্ঠান উপভোগ করেন আইজিসিসির পরিচালক জয়শ্রী কু-ু, কবি-পতœী আনোয়ারা সৈয়দ হক, বাকশিল্পী ভাস্বর বন্দ্যোপাধ্যায়সহ অনেকে।

স্বাধীনতা পদকপ্রাপ্তিতে বন্যাকে সংবর্ধনা ॥ এ বছরের স্বাধীনতা পদকে ভূষিত হয়েছেন বরেণ্য রবীন্দ্রসঙ্গীত শিল্পী রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যা। তাঁর এই অনন্য প্রাপ্তি উপলক্ষে সংবর্ধনা প্রদান করে বাংলাদেশ রবীন্দ্রসঙ্গীত শিল্পী সংস্থা। শুক্রবার বসন্ত সন্ধ্যায় সুফিয়া কামাল জাতীয় গণগ্রন্থাগারের ভিআইপি সেমিনার কক্ষে এ অনাড়ম্বর অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। গানের সুরে, ফুলেল ভালবাসায় ও বক্তাদের নিবেদিত কথায় শুভেচ্ছা জানানো হয় নন্দিত এই শিল্পীকে। সেই সূত্রে অনাড়ম্বর আয়োজনটিও হয়ে ওঠে আনন্দময় ও প্রাণবন্ত।

বন্যা মিলনায়তনে প্রবেশের মুহূর্তেই সবার হাতে হাতে জ্বলে ওঠে মোমবাতি। সম্মেলক কণ্ঠে গাওয়া হয়Ñ আগুনের পরশমণি ছোঁয়াও প্রাণে/এ জীবন পুণ্য কর দহন-দানে ...। সুরের রেশ ধরেই মঞ্চে আসন গ্রহণ করেন শিল্পী। এরপর শিল্পীর প্রতি মুগ্ধতা প্রকাশ করে অনেকগুলো কণ্ঠ এক সুরে গেয়ে ওঠেÑ তুমি কেমন করে গান করো হে গুণী/আমি অবাক হয়ে শুনি, কেবল শুনি ...।

সংবর্ধনাপ্রাপ্তির অনুভূতি প্রকাশ করে বন্যা বলেন, আমার জীবনের একটি বিশেষ অধ্যায় হচ্ছে স্বাধীনতা পদকপ্রাপ্তি। এটি হয়ে থাকবে আমার জীবনের প্রেরণার উৎস। এই অর্জনের কারণে আমার দায়িত্ব যেন আরও বেড়ে গেল। সুরের আশ্রয়ে রাষ্ট্র ও সমাজের কল্যাণে কাজ করে যেতে চাই আমৃত্যু। আর স্বাধীনতা পদকপ্রাপ্তি উপলক্ষে এই সংবর্ধনা প্রদান একইসঙ্গে আমাকে মুগ্ধ ও অভিভূত করেছে।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন সংস্থার সাধারণ সম্পাদক সাজেদ আকবর। বন্যাকে নিবেদিত সম্মাননাপত্র পাঠ করে সংস্থার সভাপতি তপন মাহমুদ। একই সঙ্গে তিনি বন্যার হাতে তুলে দেন সম্মাননা স্মারক। শিল্পীর হাতে উপহারসামগ্রী তুলে দেন সংস্থার সহ-সভাপতি বুলা মাহমুদ ও যুগ্ম সম্পাদক সালমা আকবর। বন্যাকে শুভেচ্ছা জানিয়ে বক্তব্য রাখেন সাবেক সংস্কৃতি সচিব রণজিৎ কুমার বিশ্বাস, সঙ্গীতশিল্পী অনুপ ভট্টাচার্য, সাদী মহম্মদ, সংস্থার উপদেষ্টা আমিনা আহমেদ প্রমুখ।

অনুষ্ঠানে ব্যক্তিগতভাবে ও প্রাতিষ্ঠানিকভাবে বন্যাকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানানো হয়।

সর্বাধিক পঠিত:
পাতা থেকে: