মেঘলা, তাপমাত্রা ৩১.১ °C
 
২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৭, ১১ আশ্বিন ১৪২৪, মঙ্গলবার, ঢাকা, বাংলাদেশ
সর্বশেষ

মাদারীপুরে জুট মিলের ডি-টাইপ বিল্ডিং

প্রকাশিত : ২৬ মার্চ ২০১৬

মুক্তিযুদ্ধের সময় এ আর হাওলাদার জুট মিলের অভ্যন্তরে তিন তলা ডি-টাইপ বিল্ডিং ছিল পাক হানাদার বাহিনীর টর্চার সেল। এখানেই ৯ মাসব্যাপী মুক্তিযোদ্ধাসহ মুক্তিকামী নারী-পুরুষকে নির্যাতনের পর হত্যা করে পশ্চিম পাশের মাঠে মাটিচাপা দেয়া হয়। বর্তমানে জেলার বৃহৎ গণকবর এবং টর্চার সেলখ্যাত ডি-টাইপ বিল্ডিংটি র‌্যাব-৮ ক্যাম্প হিসেবে ব্যবহার করছে। দীর্ঘ ৯ মাস এই টর্চার সেল ছিল পাক হানাদার বাহিনীর অন্ধকূপ। অজস্র্র মুক্তিকামী নারী-পুরুষের করুণ আর্তি এখানে চার দেয়ালের বাইরে বের হয়নি। কেউ শোনেনি নির্যাতনের ভয়াবহ আর্তনাদ। নরপশুর দল নারীদের সম্ভ্রম নিয়ে পৈশাচিক নৃত্যে মেতে ওঠে। দিনের পর দিন মাসের পর মাস ওদের বর্বরতার সীমা ছাড়িয়ে যায়। মাদারীপুর ও শরীয়তপুরের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে অসংখ্য যুবক-যুবতী ও মুক্তিপাগল মানুষকে ধরে এনে টর্চার সেলে আটক করে অমানবিক নির্যাতন চালানো হয়। এই নির্যাতনের নেতৃত্ব দেয় মাদারীপুর ২নং পুলিশ ফাঁড়ির সে সময়ের হাবিলদার কুখ্যাত শুকুর আলী ও টিএসআই মহিউদ্দিন। এদের সঙ্গে সহযোগিতা করে শান্তি কমিটির হামিদ খন্দকার, গোলাপ খাঁ, হায়দার মোল্লা ও মোছাই মোল্লা। নির্যাতিতদের অনেককে হাওলাদার জুট মিলের জেটির ওপর দাঁড় করিয়ে গুলি করে আড়িয়াল খাঁ নদীতে ভাসিয়ে দেয়া হয়। খোলা জায়গায় কাউকে হত্যা করে, কাউকে অর্ধমৃত অবস্থায় মাটিচাপা দেয়া হয়।

Ñসুবল বিশ্বাস, মাদারীপুর থেকে

প্রকাশিত : ২৬ মার্চ ২০১৬

২৬/০৩/২০১৬ তারিখের খবরের জন্য এখানে ক্লিক করুন


শীর্ষ সংবাদ:
রোহিঙ্গা সমস্যার সৃষ্টি মিয়ানমারের ॥ সমাধান ওদের হাতে || বাবার ফেরার অপেক্ষায় পিতৃহারা অবোধ রোহিঙ্গা শিশুরা || বছরে রফতানি আয় বাড়ছে ৩ থেকে ৪ বিলিয়ন ডলার || চালের বাজারে স্বস্তি প্রতিদিন দাম কমছে || বিদ্যুতের পাইকারি দর ১১.৭৮ ভাগ বৃদ্ধির সুপারিশ || মিয়ানমারে গণহত্যা বন্ধ নির্ভর করছে নিরাপত্তা পরিষদের ওপর || রোহিঙ্গা শরণার্থীদের স্বাস্থ্য সেবায় ২৫ কোটি ডলার চেয়েছে বাংলাদেশ || আরও মোবাইল ব্যাংকিং কোম্পানির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিচ্ছে বাংলাদেশ ব্যাংক || অপকৌশলে রোগীদের সঙ্গে প্রতারণা, বিপুল অর্থ আদায় || জেলে মাদক ও মোবাইল ফোন ব্যবহার ॥ সারাদেশে দুই শতাধিক কারারক্ষী গোয়েন্দা নজরদারিতে ||