২১ নভেম্বর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট এই মাত্র  
Login   Register        
ADS

গাইবান্ধায় ৩০টিরও বেশি টর্চার সেল


সে সময় মহকুমা শহরের অন্যতম টর্চার সেল ও বধ্যভূমি ছিল স্টেডিয়াম (তৎকালীন হেলালপার্ক) সংলগ্ন নির্মাণাধীন গুদাম। বর্বর পাকিস্তানী বাহিনী হেলালপার্ক প্যাভিলিয়নে ক্যাম্প স্থাপন করে পাশে নির্মানাধীন গুদাম ঘরকে নির্যাতন সেল হিসেবে ব্যবহার করে। প্রতি রাতেই নিরীহ লোকজন ধরে এনে পাক হানাদার বাহিনী নৃশংসভাবে তাদের হত্যা করে মাটি চাপা দিত। মেয়েদের ধরে এনে দিনের বেলা বেঁধে রাখা হতো। আর রাতে তাদের ওপর চলত নির্যাতন। এক সময় তারা নির্যাতন আর বর্বরতায় মরণাপন্ন হয়ে পড়লে গুলি করে নয়ত বেয়োনেট দিয়ে খুঁচিয়ে হত্যা করা হতো। মুক্তিযোদ্ধাদের আটক করে অমানসিক নির্যাতনের পর তাদের হত্যা করে সেখানে পুঁতে রাখা হয়। এছাড়া স্টেডিয়ামের দক্ষিণ-পশ্চিম কোণে হেলালপার্ক সংলগ্ন লাইনের ধারে নারী-পুরুষকে গুলি অথবা বেয়োনেট চার্জ করে হত্যার পর মাটি চাপা দিয়ে পুঁতে রাখা হয়। এছাড়া পলাশবাড়ি সড়ক ও জনপথ বিভাগের রেস্ট হাউসের পেছনের গুদাম, সাঘাটা উপজেলার বোনারপাড়া রেলওয়ে জংশন, গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার হরিরামপুর ইউনিয়নের পাখেয়া গ্রাম ও বোনারপাড়া লোকোশেড, সুজাল সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠ ও দলদলিয়াসহ গাইবান্ধা জেলায় ৩০টিরও বেশি টর্চার সেল এবং বধ্যভূমির সন্ধান পাওয়া গেছে। -আবু জাফর সাবু, গাইবান্ধা থেকে