২০ নভেম্বর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট এই মাত্র  
Login   Register        
ADS

বঙ্গবন্ধুর আদর্শে উন্নত বাংলাদেশ গড়তে তরুণদের এগিয়ে আসতে হবে ॥ স্পীকার


সংসদ রিপোর্টার ॥ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শে উজ্জীবিত হয়ে ও বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ধারণ করে একটি ক্ষুধামুক্ত, দারিদ্র্যমুক্ত উন্নত বাংলাদেশ বিনির্মাণে এগিয়ে আসার জন্য দেশের তরুণ সমাজের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন জাতীয় সংসদের স্পীকার ড.শিরীন শারমিন চৌধুরী।

বৃহস্পতিবার বিকেলে রাজধানীতে বাংলাদেশ শিশু একাডেমিতে এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই আহ্বান জানান। শেখ রাসেল জাতীয় শিশু-কিশোর পরিষদ বঙ্গবন্ধুর জন্মদিন ও জাতীয় শিশু দিবস উপলক্ষে এই সভা এবং ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। দেশ ও জাতি গঠনে আগামী দিনের ভবিষ্যত শিশু-কিশোরদের বাংলাদেশ জাতীয় সংসদে আসার আমন্ত্রণ জানিয়েছেন স্পীকার।

শেখ রাসেল জাতীয় শিশু-কিশোর পরিষদের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান মোঃ রকিবুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন পরিষদের মহাসচিব মাহমুদ উস্-সামাদ চৌধুরী এমপি, প্রধানমন্ত্রীর অর্থ বিষয়ক উপদেষ্টা ড. মসিউর রহমান, কে এম শহীদুল্যাহ, মোঃ মনিরুজ্জামান পলাশ, লায়ন মজিবুর রহমান হাওলাদার, মোজাহেদুর রহমান হেলো প্রমুখ। প্রধান অতিথির বক্তব্যে স্পীকার বলেন, আমরা চাই, আমাদের শিশু-কিশোররা আগামী দিনে বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে ধারণ করে যেন নিজেদের গড়ে তুলতে পারে। তার জীবন অনুসরণ করে দেশপ্রেম ও মানুষের প্রতি ভালবাসার কাজগুলো আহরণ করতে হবে। বাঙালীর অধিকার প্রতিষ্ঠায় বঙ্গবন্ধু আজীবন সংগ্রাম করে গেছেন। তিনি ছিলেন আপোসহীন ও সত্যের প্রতি অবিচল। তিনি বাল্যকাল থেকে কোন অন্যায়কে মেনে নেননি। শিশুকাল থেকে তিনি ছিলেন অত্যন্ত প্রতিবাদী। মানবতাবাদী এ মহান নেতা ফাঁসির মঞ্চে দাঁড়িয়েও আদর্শের সঙ্গে আপোস করেননি। তিনি বাংলাদেশকে বিশ্বের বুকে একটি আত্মমর্যাদাশীল উন্নত দেশ হিসেবে প্রতিষ্ঠার স্বপ্ন দেখেছিলেন।

তিনি আরও বলেন, দেশের শিশু-কিশোররা অত্যন্ত মেধাবী ও প্রতিভাবান সম্পন্ন। আজকের বিশ্বে আমাদের শিশুদের চলার জন্য তৈরি করতে হবে। সকল প্রতিযোগিতার তাদের শ্রেষ্ঠত্ব অর্জনের লক্ষ্য নিয়ে এগিয়ে যেতে হবে। লেখাপড়া, খেলাধুলা, আইসিটি, সংস্কৃতিসহ প্রত্যেকটি ক্ষেত্রে শিশু-কিশোরদের জ্ঞান আহরণ করতে হবে। না হলে দেশ পিছিয়ে পড়বে।

স্পীকার আরও বলেন, আজকে সমগ্র বিশ্বে শিশু-কিশোর এবং তরুণদের প্রতি দৃষ্টি নিবন্ধিত। গোটা বিশ্বে ১৫ থেকে ২৫ বছর বয়সী যারা তারাই জনসংখ্যার এক পঞ্চমাংশ।