১৮ নভেম্বর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট পূর্বের ঘন্টায়  
Login   Register        
ADS

মংলা কাস্টমস কর্তৃপক্ষ আমদানিকারকদের হয়রানি করছে


স্টাফ রিপোর্টার, খুলনা অফিস ॥ মংলা কাস্টমস কর্তৃপক্ষ আমদানিকারকদের হয়রানি করছে। তাদের আচরণ ব্যবসাবান্ধব নয়। ব্যবসায়ীদের সহযোগিতার বদলে অসহযোগিতা করা হচ্ছে। আমদানিকৃত রিকন্ডিশন গাড়ি নিলামে বিক্রির জন্য অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে। কাস্টম কমিশনারের সাম্রাজ্যবাদী আচরণ ব্যবসায়ীদের বিক্ষুব্ধ করে তুলেছে। অবিলম্বে আমদানিকারকদের হয়রানি বন্ধ, আমদানিকৃত গাড়ির শুল্ক জটিলতা নিরসন করে গাড়িগুলো খালাশের ব্যবস্থা করা না হলে এ খাতে বিনোয়াগকারীদের পথে বসতে হবে। এতে মংলাবন্দর আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে। সরকার বিপুল পরিমাণ রাজস্ব আয় থেকে বঞ্চিত হবে।

বাংলাদেশ রিকন্ডিশন্ড ভেহিক্যালস্ ইম্পোর্টার্স এ্যান্ড ডিলার এ্যাসোসিয়েশন-বারভিডা আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে নেতৃবৃন্দ এসব কথা বলেন। বুধবার বেলা সাড়ে ১১টায় খুলনা প্রেসক্লাবের হুমায়ূন কবীর বালু মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত এ সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন বারভিডার প্রেসিডেন্ট মোঃ আব্দুল হামিদ শরীফ। এ সময় বক্তব্য রাখেন মংলা-রামপাল আসনের সংসদ সদস্য খুলনা সিটির সাবেক মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক, বারভিডার প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি আব্দুল হক, মংলাবন্দর ব্যবহারকারী সমন্বয় কমিটির মহাসচিব খুলনা চেম্বারের সহসভাপতি এ্যাডভোকেট সাইফুল ইসলাম। উপস্থিত ছিলেন বারভিডার ভাইস প্রেসিডেন্ট শাহ সেলিম টিপু, ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক আবু হোসেন ভূঁইয়াসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অনুপ্রেরণায় মংলাবন্দরের ইতিহাসের সর্ব প্রথম ২০০৯ সালে গাড়ি আমদানির সূচনা হয়। নৌ-মন্ত্রী, সংসদ সদস্যবৃন্দ, মংলাবন্দর কর্তৃপক্ষ, প্রশাসন, খুলনা সিএ্যান্ডএফ এজেন্টস এ্যাসোসিয়েশন, স্টিভিডরস এ্যাসোসিয়েশন, স্থানীয় জনপ্রতিনিধিসহ সংশ্লিষ্ট সকলের ঐকান্তিক সহযোগিতার ফলে গাড়ি আমদানি করা সম্ভব হয়।